ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

ডিটেকটিভ ডেস্ক

রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে অবস্থিত শহীদ এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে ৩০ অক্টোবর ২০২১ খ্রি. কমিউনিটি পুলিশিং ডের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘আমাদের এমন এক সমাজ তৈরি করতে হবে যেখানে অপরাধ থাকবে না। এজন্য সামগ্রিকভাবে সমাজ সম্মেলন করতে হবে। সমাজের সঙ্গে, নাগরিকের সঙ্গে পার্টনারশিপ পুলিশিং গড়ে তুলতে হবে। জনগণের সঙ্গে মেলবন্ধনের কারণে আমরা এরই মধ্যে অনেক জঙ্গি হামলা প্রতিরোধ করতে পেরেছি। আমাদের দেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়, তারা রক্তপাত পছন্দ করে না, কলহ পছন্দ করে না। আমাদের দেশের পুলিশ জনবান্ধব, শিশুবান্ধব, নারীবান্ধব। সনাতন অপরাধ কমলেও টেকনোলজি বৃদ্ধির পাশাপাশি সাইবার অপরাধ বাড়ছে। আমরাও টেকনোলজি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে এ দেশকে রক্ষা করব, জনগণকে রক্ষা করব, এর বিরুদ্ধে আমরা ইস্পাতসম প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’ রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ, মুখ্য আলোচক প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ও কথাসাহিত্যিক মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও সভাপতি ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম কেক কেটে ও বেলুন উড়িয়ে কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০২১-এর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ পুলিশ শিল্পগোষ্ঠীর মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে জনগণ ও পুলিশের সম্পর্ক তুলে ধরা হয়।

আমরা রাষ্ট্রকে সেবা দিতে এসেছি, এজন্য আমাদের ট্যাগলাইন- চাকরি নয়, সেবা : আইজিপি

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) বলেছেন, পুলিশ সেবা দিতে এসেছে। এজন্য পুলিশের ট্যাগ লাইন ‘চাকরি নয়, সেবা’। তিনি বলেন, পুলিশের প্রত্যেক সদস্যকে মৌলিক অধিকারের ধারাগুলো জানতে হবে। একজন পুলিশ সদস্য চাইলে যে কোনো সময় কাউকে গতিরোধ করতে পারেন। এই ক্ষমতার প্রয়োগের জন্য তাকে জানতে হবে, পড়তে হবে। ২৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ লাইন্সে এক সভায় আইজিপি কক্সবাজার জেলা পুলিশসহ সব ইউনিটের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। এ সময় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত আইজিপি, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপারসহ কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। আইজিপি বলেন, অন্য কোনো সার্ভিসে কেউ একজন অপকর্ম করলে, কেউ বলে না সমগ্র সার্ভিস দোষী। কিন্তু পুলিশের একজন অপকর্ম করলে পুরো পুলিশ বিভাগকে দায়ী করা হয়। পুলিশের আইজি পর্যন্ত এই বদনাম আসে।

আইজিপি বলেন, ‘যেখানে আলো আছে, সেখানে তাপও থাকবে। আমি আলো নেব, তাপ নেব না- সেটা ঠিক নয়। প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে মৌলিক অধিকারের ধারাগুলো জানতে হবে। সংবিধান বলে, প্রতিটি সদস্যের মুক্ত ও স্বাধীনভাবে চলাফেরা, বিবেক দিয়ে চিন্তা ও কথা বলার স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু কেউ কেউ সেই স্বাধীনতা খর্ব করতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রকে সেবা দিতে এসেছি, এজন্য আমাদের ট্যাগলাইন- চাকরি নয়, সেবা। আমাদের চাকরিতে চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের মধ্যে সৎ কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে। সাহস নিয়ে কাজ করতে হবে। যে এর বাইরে কাজ করে, সে সঠিক জায়গায় আসেনি।’ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে আইজিপি বলেন, ‘ আমরা সব ধরনের সুবিধা দেখব। সেই সাথে সব পর্যায়ে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে। আমরা আন্তঃডিভিশন বাস সার্ভিস চালু করেছি পুলিশের জুনিয়র সদস্যদের সুবিধা দেওয়ার জন্য। কমিনিউটি ব্যাংক থেকে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা লোন দেওয়া হয়েছে, যার অধিকাংশই নিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। এ ধরনের সুবিধা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *