ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

ডিটেকটিভ ডেস্ক

বাংলাদেশের দিবসসমূহ

জাতীয় যুব দিবস : ৮ ডিসেম্বর :- মূলত যুবকদের স্বনির্ভর করতে, এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগকে গতিশীল করতে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

রোকেয়া দিবস : ৯ ডিসেম্বর :- বেগম রোকেয়া দিবস বাংলাদেশে সরকারিভাবে পালিত একটি জাতীয় দিবস। বাংলাদেশে নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার অবদানকে স্মরণ করে তার জন্ম ও মৃত্যুদিন, ৯ ডিসেম্বর, ‘রোকেয়া দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে দিবসটি উদ্যাপন করে থাকে। এই দিন বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা নারীদের বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস : ১২ ডিসেম্বর :- ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস বাংলাদেশে পালিত হয়ে থাকে। এটির পূর্ব নাম আইসিটি দিবস বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস। ২৭ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে বাংলাদেশ সরকার এ দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের ঘোষণা দেয়। ২৬ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে আইসিটি দিবসের পরিবর্তে এ দিনকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রতিবছর ১২ ডিসেম্বর জাতীয় ও রাষ্ট্রীয়ভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর দিবসটি পালন করে থাকে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস : ১৪ ডিসেম্বর :- প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সকল বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। [এ কাজে বাংলাদেশীদের মধ্যে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর সদস্যরা তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল।

বিজয় দিবস : ১৬ ডিসেম্বর :- বিজয় দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়। ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং সরকারীভাবে এ দিনটিকে ছুটি ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য, ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এর ফলে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। এ উপলক্ষে প্রতি বছর বাংলাদেশে দিবসটি যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়। ১৬ ডিসেম্বর ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা ঘটে। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদস্যরা যোগ দিয়ে থাকে।

বৈশ্বিক দিবসসমূহ

বিশ^ এইড্স দিবস : ১ ডিসেম্বর :- বিশ^ এইডস দিবস হল একটি আন্তর্জাতিক দিবস। ১৯৮৮ সাল থেকে প্রতি বছর ১লা ডিসেম্বর দিনটিকে এইচআইভি সংক্রমণের জন্য এইডস মহামারী ছড়িয়ে পড়ার বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এবং যারা এই রোগে মারা গেছে তাদের প্রতি শোক পালন করতে দিনটি পালন করা হয়। সরকারী ও স্বাস্থ্য আধিকারিকগণ, বেসরকারী সংস্থাগুলি এবং বিশ্বে বিভিন্ন ব্যক্তি, এইডস প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সকলকে সচেতন করতে এই দিনটি পালন করে থাকে।

আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস : ৩ ডিসেম্বর :- প্রতিবছর ৩ ডিসেম্বর বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৯২ সাল থেকে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে। শারীরিকভাবে অসম্পূর্ণ মানুষদের প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগীতা প্রদর্শন ও তাদের কর্মকান্ডের প্রতি সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যেই এই দিবসটির সূচনা।

আন্তর্জাতিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস : ৫ ডিসেম্বর :- ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস। ১৯৮৫ সাল থেকে প্রতি বছর জাতিসংঘ ঘোষিত দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। এ দিবস পালনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো, সমাজে স্বেচ্ছাসেবকদের অবদান এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টার কথা জনসাধারণকে মনে করিয়ে দেয়া। তা ছাড়া, এ দিনটি স্বেচ্ছাসেবকদেরকে একসাথে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে রেজুলেশনের মাধ্যমে গৃহীত এ দিবসটি মূলত ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সংগঠন সরকারি-বেসরকারি সংস্থাকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক টেকসই উন্নয়নে একসাথে কাজ করার সুযোগ এনে দেয়। একটি বিখ্যাত স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা Akita বলেন, devote my life in service of humanity.’ এ ধরনের বাণীতে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বেচ্ছাসেবকেরা বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ, প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট দুর্যোগ এবং রাজনৈতিক সহিংসতায় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের কষ্ট ও বঞ্চনা লাঘবে সচেষ্ট থাকেন।

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস : ৭ ডিসেম্বর :- প্রতি বছরের ৭ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালন করা হয় আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন দিবস।

আন্তর্জাতিক দূর্নীতিবিরোধী দিবস : ৯ ডিসেম্বর :- আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস। জাতিসংঘ ২০০৩ সালে ৯ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। দুদক ২০০৭ সালে দিবসটি পালন শুরু করে।

মানবাধিকার দিবস: ১০ ডিসেম্বর :- ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে জাতিসংঘের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দিবসটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃত লাভ করে এবং এরপর থেকে প্রতিবছর বিশ^ব্যাপী পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত এবং বিশ্বের সর্বত্র পালিত হয়। কিন্তু, দক্ষিণ আফ্রিকায় শার্পেভিল গণহত্যাকে স্মরণ করে দিবসটি পালন করা হয় ২১ মার্চ।

বিশ্ব পর্বত দিবস : ১১ ডিসেম্বর :- ‘আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস’। প্রতি বছর ১১ ডিসেম্বর বিশ^ব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও পালিত হয় দিবসটি। প্রকৃতির অপরূপ দান পাহাড় পর্বত সুরক্ষা করে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষেই পালিত হয় দিবসটি। পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও টেকসই ভবিষ্যতকে সামনে রেখে জাতিসংঘ ২০০৩ সালে ১১ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০১৬ সাল থেকে জাপানে দিবসটি উদযাপনে রাষ্ট্রীয় ছুটি থাকে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস : ১৮ ডিসেম্বর :- অধিকার সংরক্ষণ ও নিজ নিজ দেশের অর্থনীতিতে অবদানের স্বীকৃতির দাবিতে ২০০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ঐ বছর ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের ৫৫তম সাধারণ পরিষদের সবায় দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বড় দিন বা যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন : ২৫ ডিসেম্বর :- বড়দিন বা ক্রিসমাস একটি বাৎসরিক খ্রিস্টীয় উৎসব। ২৫ ডিসেম্বর তারিখে যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষে এই উৎসব পালিত হয়।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *