ই-পেপার

করোনা ভাইরাস মহামারীতে অসুস্থ নারী পুরুষ শিশুদের হাসপাতালে পৌঁছানো থেকে শুরু করে দুস্থ মানুষের পাশে দাড়িয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। পুলিশ নিজেই বদলে ফেলছে নিজেদের। দূর্যোগময় মুহূর্তে পুলিশের এই মানবিক ভূমিকা দেশবাসীর দৃষ্টি কেড়েছে। করোনা দূর্যোগ চলাকালে বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা নিয়ে শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে দেশের বিশিষ্টজনেরা নানা মাধ্যমে তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। এই প্রতিবেদনে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কথাসাহিত্যিক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, ক্রিকেটার ও অভিনয় শিল্পীদের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হলো- বিভাগীয় সম্পাদক।

পুলিশ মানবিক কোড অনুসরণ করছেন

অধ্যাপক আ ম ম স আরেফিন সিদ্দিক

সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সকল সদস্য যেভাবে অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করছে সেটি আমরা লক্ষ করছি। আমরা দেখেছি যে, পথে ঘাটে রাস্তায় শহরে বন্দরে গ্রামে সর্বত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সাধারণ মানুষদের নির্দেশনা মেনে চলার ক্ষেত্রে পরামর্শ দিচ্ছেন, উপদেশ দিচ্ছেন। আন্তরিকতার সাথে তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টাও করছেন। শুধু তাইই নয়, পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা বাজারকে খোলা মাঠে নিয়ে এসেছেন। বৃত্ত একে দিচ্ছেন এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা তাদের নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন জায়গায় দুস্থ, গরীব মানুষের মাঝে ত্রাণ কার্য পরিচালনা করছেন। আমি লক্ষ করছি তারা পুলিশ কোড অনুসরণের পাশাপাশি মানবিক ও কোড অনুসরণ করছেন।

পুলিশ সদস্যদের আমার অভিনন্দন

ড. জাফর ইকবাল

দেশ বরেণ্য শিক্ষাবিদ

বিষ্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। তার অর্থ যারা ফিল্ড লেভেলে কাজ করছেন তারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের খুব কাছাকাছি গিয়ে কাজ করছেন, সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখার জন্য কাজ করছেন। কোয়ারেন্টাইনে রাখার জন্য কাজ করছেন। তাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেয়ার জন্য কাজ করছেন এবং তারা এতো আন্তরিকভাবে কাজ করছেন যে তারা অনেকেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন।

আমরা আশা করবো তারা দ্রুত যেন সুস্থ হয়ে উঠেন। আমি তাদের অভিনন্দন জানাই। আমি নিজে খুবই গর্ব অনুভব করছি কারণ আমি নিজেকে সবসময় পুলিশ পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে কল্পনা করে থাকি। আমার বাবা একজন পুলিশ অফিসার ছিলেন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে শহীদ হয়েছিলেন। যারা পুলিশ বাহিনীর সদস্য রয়েছেন তাদের জন্য রইলো আমার অভিনন্দন ও ভালোবাসা।

পুলিশ সদস্যদের আমরা যেন করতালি দিয়ে প্রশংসা করি

সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

কথাসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ

সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও একটা বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে চলছে। এই বিপর্যয়ের নাম আমরা জানি করোনা ভাইরাস। এটির আঘাতে পশ্চিমের অনেক শক্তিশালী দেশও কাবু হয়ে গেছে, এই যুদ্ধে আমাদের জয়ী হতে হবে, না হলে আমাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যতে দুইই চলে যাবে। এই যুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য আমাদের প্রত্যেকের কিছু কাজ করতে হবে। যেমন, প্রথমত সরকারি যেসব নির্দেশনা এসেছে, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে যে সমস্ত পরামর্শ আসছে সেগুলো আমাদের মান্য করে চলতে হবে। দ্বিতীয়ত : আমাদের মানবিক হতে হবে। আর তৃতীয়ত : যারা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এই যেমন, ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী যারা জরুরী সেবা দিচ্ছেন তারা। মিডিয়াকর্মীর, পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হলে তারা যে নির্দেশনা দিচ্ছেন সেগুলো মানতে হবে।

পুলিশ বাহিনীর কথাটা আমি বিশেষভাবে বলতে চাই। আমরা ভালো কাজের প্রশংসা সাধারণত করি না। এখন আমাদের প্রশংসা করার সময়। কারণ আমি দেখতে পাচ্ছি দুইলক্ষের বেশী পুলিশ সদস্য সারাদেশে ছড়িয়ে আছে। তারা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে ঝুঁকির মুখে ফেলে মানবতার সেবা করে যাচ্ছে। আমি দেশবাসীকে অনুরোধ করি যে এই সম্মুখ যোদ্ধাদের পুলিশ সদস্যদের আমরা যেন করতালি দিয়ে প্রশংসা করি।

বাংলাদেশ পুলিশ সাহসী ভূমিকা পালন করছে

আসাদুজ্জামান নূর

সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ও বিশিষ্ট অভিনেতা

আমাদের গর্বের প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ পুলিশ সাহসী ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে, আন্তরিকতার সঙ্গে, মানুষের সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে, গর্বের সঙ্গে, প্রতিজন পুলিশ সদস্যের কাছে আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

বেনজির আহমেদ অত্যন্ত সৎ নির্ভিক সাহসী

দেশপ্রেমিক ব্রিলিয়ান্ট একজন মানুষ

ইমদাদুল হক মিলন

লেখক ও সম্পাদক, দৈনিক কালের কণ্ঠ

করোনার এই দুর্যোগকালে আমার প্রায়ই ১৯৭১ সালের কথা মনে পড়ে যায়। ১৯৭১’র ২৫ মার্চের রাতে পাকিস্তানিরা যখন ঢাকা শহরে তাদের আক্রমণ চালালো বিভিন্ন মানুষকে হত্যা করতে শুরু করলো, নির্বিচারে সেই সময় আমাদের পুলিশ বাহিনী প্রথম প্রতিরোধটা গড়ে তুলেছিলো রাজারবাগে। এবারের এই দুর্যোগে, এই যুদ্ধেও আমি দেখছি আমাদের পুলিশবাহিনী তাদের অসীম সাহস, ধৈর্য এবং জীবনের মায়া ত্যাগ করে মানুষ বাঁচানোর কাজে নিয়োজিত রয়েছে এর চেয়ে বড় কাজ আর হতে পারে না। এই দুর্যোগে আমাদের পুলিশ বাহিনীর প্রত্যেক সদস্য যে যার যার জায়গা থেকে যেভাবে সাধারণ মানুষকে রক্ষার কাজে নেমেছেন আমি যেহেতু সংবাদপত্রে কাজ করি, প্রতিদিনই আমাকে অফিসে আসতে হয়, আমি রাস্তায় ঘুরে বেড়াই, দেখি আমাদের পুলিশবাহিনীর সদস্যরা কত চমৎকারভাবে সাধারণ মানুষকে বোঝাচ্ছেন। তাদেরকে নিরাপদে রাখার কথা বলছেন, কী কী করলে তারা নিরাপদে থাকবেন সেসব বোঝাচ্ছেন এবং ঘরে থাকবার জন্য অনুরোধ করছেন আমি একজনকেও দেখিনি কারো উপর জোর করছেন, কারো সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন এরকম শুনিও নাই। আমাদের পুলিশবাহিনী সত্যিকার অর্থেই সাধারণ মানুষের বন্ধু হয়ে উঠেছেন তাদেরকে অভিনন্দন জানাই। তাদের কাছে একজন লেখক হিসাবে কালের কণ্ঠের সম্পাদক হিসাবে আমি তাদেরকে কৃতজ্ঞতা জানাই। আর এবার যিনি নতুন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেন বেনজীর আহমেদ অত্যন্ত সৎ নির্ভিক সাহসী দেশপ্রেমিক ব্রিলিয়ান্ট একজন মানুষ। এরকম মানুষ যখন পুলিশ বাহিনী পরিচালনার প্রধান হন তখন বাংলাদেশের পুলিশ দেশকে আলোকিত করবে।

বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেক সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাই

মাশরাফি বিন মতুর্জা এমপি

সাবেক অধিনায়ক, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস রোধে বাংলাদেশ পুলিশের অবদান অসামান্য। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ি শুধু হোম কোয়ারেনন্টাইন বা লকডাউনেই বাংলাদেশ পুলিশ সীমাবদ্ধ থাকে নি বরং খাদ্য সহায়তার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ এগিয়ে এসেছে। বিভিন্ন এলাকায় জীবানুনাশক ছিটিয়ে জীবানুমুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এমনকি ডক্টরসদের হাসপাতালে যাতায়াতের ব্যবস্থা বাংলাদেশ পুলিশ করছে। যদি কোন করোনা আক্রান্ত রোগী মারা যায় সেক্ষেত্রে আমরা দেখেছি বাংলাদেশ পুলিশ দাফন কাফনের ব্যবস্থা করছে। এমনকি বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য তাদের প্রাপ্য বৈশাখী ভাতা এবং একদিনের বেতনসহ প্রায় ২০ কোটি টাকা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ত্রাণ তহবিলে জমা দিয়েছে। তাই বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেক সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাই। আশা করছি দেশের এবং দেশের মানুষের প্রয়োজনে বাংলাদেশ পুলিশ এভাবেই কাজ করে যাবে। আমরা সবাই সরকারি নিয়ম মেনে চলি, ঘরে থাকি এবং বাংলাদেশ পুলিশকে সহায়তা করি। আশা করছি বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেক সদস্য যেন সুস্থ থাকে।

আসুন আমরা সবাই বাসায় থাকি আর পুলিশকে হেল্প করি

তামিম ইকবাল

ওয়ানডে অধিনায়ক, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল

আমাদের প্রিয় বাংলাদেশে এই করোনা ভাইরাসের ক্রাইসিসে বাংলাদেশ পুলিশ দিন রাত কাজ করে চলছে। সরকারের সব ডিরেকশন ফলো করে তারা হোম কোয়ারেন্টাইন এবং লকডাউন এনশিউর করছেন। মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন এবং ডক্টরদের ট্রান্সপোর্টেরও ব্যবস্থা করছেন। যারা মারা যাচ্ছেন তাদের দাফনে হেল্প করছেন এবং আরো অনেক কাজ করছেন। নিজেদের বৈশাখী ভাতা ও একদিনের বেতন মিলে প্রায় ২০ কোটি টাকা তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ডে দিয়েছেন। দেশের এই দু:সময়ে বাংলাদেশ পুলিশ দারুণ সাহসী এবং মানবিক ভূমিকা পালন করছে। এই অ্যাক্সট্রা অর্ডিনারি অ্যাফোর্ডের জন্য আমি বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি তারা সবসময় এভাবেই মানুষের পাশে থাকবে। আসুন আমরা সবাই সরকারের ডিরেকশন মেনে চলি, বাসায় থাকি আর পুলিশকে হেল্প করি।

ধন্যবাদ বাংলাদেশ পুলিশ

মুশফিকুর রহিম

ক্রিকেটার

আমি একজন নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যকে ধন্যবাদ ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি, এই বিপদের সময় আমাদের পাশে থাকার জন্য। ধন্যবাদ বাংলাদেশ পুলিশ।

বাংলাদেশ পুলিশকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ

জায়েদ খান

সাধারণ সম্পাদক, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি ও অভিনেতা

করোনা ভাইরাসের দুর্যোগে বাংলাদেশ পুলিশ যে ভাবে সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে সে কথা ভাবলে গর্বে আমাদের বুক ফুলে যায়। বাংলাদেশ পুলিশের এই মানবিক আচরণ প্রশংসার যোগ্য। আমি বাংলাদেশ পুলিশকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ।

জয় হোক বাংলাদেশ পুলিশের

ফেরদৌস আহমেদ

অভিনেতা

সারাদেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে মহামারি। এই ভয়াবহ মহামারি করোনাকে উপেক্ষা করে রোদ বৃষ্টি ঝড় সব উপেক্ষা করে কিছু মানুষ নিরন্তর সেবা দিচ্ছে, তারা বাংলাদেশ পুলিশ।

বাংলাদেশ পুলিশকে আমি জানাই লাখো কোটি সালাম। দেশের এই ক্রান্তিকালে আপনারা প্রকৃত বন্ধুর মতোই সেবা দিচ্ছেন নিরাপত্তা দিচ্ছেন। আমাদের বুঝতে হবে, যে পুলিশ আমাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে তাদেরও পরিবার পরিজন রয়েছে তাদেরও আছে জীবনের মায়া। চলুন না, আমরা কয়েকটা দিন ঘরে থাকি। পুলিশকে সহযোগীতা করি।

বাংলাদেশ পুলিশ প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ আমাদের বন্ধু। জয় হোক বাংলাদেশ পুলিশের।

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে আমার স্যালুট

চঞ্চল চৌধুরী

অভিনেতা

আমরা সবাই জানি আমাদের দেশ ভয়াবহ একটা দুর্যোগের মধ্যে পড়েছে। এই দুর্যোগের ময় সংকটের নাম করোনা ভাইরাস।

এই করোনা যুদ্ধে আমরাতো ঘরে আছি, যারা আমাদেরকে ঘরে নিরাপদে রেখে বাইরে যুদ্ধ করছে তারা কারা বলেন তো? আমাদের প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলাবাহিনী, ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী, নিজেদের জীবনকে তুচ্ছ করে, নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা রাস্তায় আছে আমাদের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য। শুধুমাত্র তাই নয় করোনা আক্রান্ত এই সময়ে নিজেদের বেতনের টাকা দিয়ে দরিদ্র মানুষের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছে। আমাদের দায়িত্ব ঘরে থাকার। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে আমার স্যালুট।

এই পুলিশ বাহিনীর কথা আমরা ভুলবো না

মাহফুজ আহমেদ

অভিনেতা

একটি ছোট্ট ভাইরাস, মস্তিস্কবিহীন, মাথা, মগজ কিছুই নাই। সেই মগজবিহীন ছোট্ট ভাইরাস এ প্রাণিকুলের সবচাইতে মেধাবী, সবচাইতে শক্তিশালী মস্তিস্ক সম্পন্ন মানুষের সমস্ত ক্ষমতা দম্ভ অহংকার সবকিছুকে একেবারে ধুলোর সঙ্গে মিশিয়ে দিলো। এ ঝড় একদিন থেমে যাবে। এ করোনাকাল নিশ্চয়ই একদিন বিদায় নিবে। কিন্তু কিছু কিছু বিষয় আমরা কখনো ভুলবো না। গর্ভবতি মাকে যখন করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ফেলে চলে যায় তার প্রিয়জন সেইখান থেকে যখন উদ্ধার করা হয়, সন্তান প্রসবের ব্যবস্থা করা হয়, আশ্রয় দেয়া হয় সেই পুলিশকে তো আমরা কখনো ভুলবো না। আমরা কখনো ভুলবো না সন্তান নামক কিছু পশু যখন তার বৃদ্ধ বাবা মাকে এখানে সেখানে রাস্তা ঘাটে বনে জঙ্গলে ফেলে যায় এবং সেখান থেকে যারা তাদেরকে উদ্ধার করে সেই পুলিশকে তো আমরা কখনো ভুলবো না। রাতের অন্ধকারে ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে যখন পুলিশ বাহিনী খাবার পৌঁছে দেয় চিকিৎসার জন্য যখন এদিক সেদিক এখানে সেখানে ছুটতে থাকে মানুষ তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পৌঁছে দেয় মৃত্যুর পর যখন কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না প্রিয়জনও দূরে সরে যায় কেউ নাই তখন দাফন কাফন জানাজা শেষ বিদায় সব কিছু যারা ব্যবস্থা করে এই পুলিশ বাহিনীর কথা আমরা কী ভুলবো? বন্ধু তো তিনি সংকটকালে যিনি সবচাইতে পাশে থাকেন সবাই ছেড়ে গেলেও হাতটি বাড়িয়ে দেন আমরা আমাদের হৃদয়ের সমস্ত ভালোবাসা জমা করে রাখলাম এই মানবিক পুলিশের জন্য। যুদ্ধ শেষে যখন বাড়ি ফিরবেন, আমাদের সমস্ত চিকিৎসক স্বাস্থ্যকর্মী এবং পুলিশ আপনারা, আপনাদের উদ্দেশ্যে আমাদের ভালোবাসা নিয়ে পুষ্প বৃষ্টি দিয়ে আপনাদের বরণ করার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি।

স্যালুট জানাই আপনাদেরকে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ পুলিশ

ওমর সানী

অভিনেতা

আপনারা ভালো নেই, জানি আমরা। কারণ,, আপনারা আমাদের নিরাপত্তার জন্য দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য ব্যস্ত। আজকে যে সংকটময় সময় আমরা পার করছি, আপনাদেরকে উজার করে দিয়েছেন আমাদের নিরাপত্তার জন্য, দেশের নিরপত্তার জন্য, জনগণের নিরাপত্তার জন্য এগিয়ে এসেছেন। প্রশংসার দাবীদার আপনারা। স্যালুট জানাই আপনাদেরকে। এগিয়ে যাক, বাংলাদেশ পুলিশ।

প্রিয় পুলিশ ভাইদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা

আমিন খান

অভিনেতা

সারা বিশ্বে আজ আমরা এক অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে লড়ছি। তার পোশাকী নাম হল করোনা। বাংলাদেশে আমরা আজ প্রায় মাসখানেক ধরে ঘরের মধ্যেই আছি। কিন্তু কোটি কোটি বাঙালিকে নিরাপদ রাখবার দায়িত্ব নিয়ে ঘরের বাইরে সামনের কাতারে থেকে যুদ্ধ করে চলেছে বাংলাদেশ পুলিশ। ঠিক যেমন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১এর ২৫শে মার্চের কালরাতে প্রথম প্রতিরোধযুদ্ধের সূচনা করেছিল পুলিশ; আজ তেমনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনাযুদ্ধেও প্রথম কাতারের যোদ্ধা আমাদের গর্বের বাহিনী – বাংলাদেশ পুলিশ।

তাই আসুন, জাতির এই ক্রান্তিকালে আমাদের পুলিশ ভাইদের পাশে থাকি, নৈতিক সমর্থন আর হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসা নিয়ে। আমি একজন রূপালি পর্দার নায়ক হিসেবে অনেক সময় পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেছি, কিন্তু আজ বাস্তবের পর্দায় বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্যই এক একজন মহানায়ক। আপনাদের ছাড়া আজকের এই যুদ্ধ অকল্পনীয়, অবাস্তব। আমি, আমরা সবাই আছি আপনাদের পাশে- পুলিশ ও জনগণ হাতে হাত ধরে করোনাকে হারাবো এই প্রত্যয়ে। প্রিয় পুলিশ ভাইদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। করোনায় আক্রান্ত পুলিশ ভাইয়েরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন মহান আল্লাহতালায়ার কাছে দুহাত তুলে সেই প্রার্থনা করছি।

বাংলাদেশ পুলিশকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা

আরেফিন শুভ

অভিনেতা

আমরা সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পুলিশকে কৃতজ্ঞতা জানাই এবং তাদের জন্য অনেক অনেক দোয়া মন থেকে। আমরা পৃথিবীর আমরা বাংলাদেশের যত মানুষ আছি তাদের জন্য অনেক দোয়া করছি যাতে করে তারা যেন সুস্থ থাকে তাদেরও পরিবার আছে তাদেরও সন্তান আছে তারাও কিন্তু আমার আপনার মতো মানুষ। তো আমি বাংলাদেশ পুলিশের যারা এই মুর্হূতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায়, বাইরে কাজ করে যাচ্ছে দিন রাত তাদেরকে স্যালুট জানাই, একেবারে মনের ভেতর থেকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই।

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের স্যালুট

কবির বকুল

গীতিকার

আমি মনে করি দেশ জাতি পুলিশ ছাড়া চলতেই পারে না। পুলিশ তার নির্দিষ্ট কাজের বাইরেও নিজস্ব কাজের দায়িত্ববোধ থেকে যে কাজগুলো এই করোনা বিস্তার লাভের সময় করে যাচ্ছে তা এককথায় আমাদেরকে আশাবাদী করে তুলেছে। আমি সমস্ত পুলিশ বাহিনীর সদস্যদেরকে অনুরোধ করবো তারা যেন তাদের এই মানবিক যাত্রা অব্যাহত রাখে এবং আমরা আরো আশাবাদী হয়ে উঠি। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের আমি জানাই আমার স্যালুট।

আপনাদের পাশে আমরা সবসময় ছিলাম থাকবো

মৌসুমী

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী

আমাদের এই ক্রান্তি লগ্নে পুলিশ প্রশাসন আমাদের যেভাবে সহযোগিতা করছেন তাদেরকে স্যালুট জানাই। আজকে করোনা রোগী থেকে শুরু করে, আমাদের এই জরুরী অবস্থায় প্রত্যেকটা মানুষই বিপদের মুখে আছি আমরা।

প্রত্যেকের কাছে নির্ভীক সৈনিকের মতন এই পুলিশ প্রশাসন এগিয়ে যাচ্ছে, সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। স্যালুট আপনাদের পাশে আমরা সবসময় ছিলাম, থাকবো। আশা করি প্রতিটি মানুষ আপনাদের জন্য দোয়া করবেন এবং আপনাদের সহযোগীতার কথা কখনই ভুলবেন না।

সাব্বাস পুলিশ বাহিনী, স্যালুট আপনাদের

সাদিকা পারভিন পপি

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও মডেল

দুর্যোগের সময় যাদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছে তারা হচ্ছেন পুলিশ বাহিনী। তারা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঘরের বাইরে আছেন শুধুমাত্র আমাদেরকে ভালো রাখার জন্য বাংলাদেশের মানুষদের ভালো রাখার জন্য, পরিবারের মানুষদের ভালো রাখার জন্য। সো এই মুর্হূতে তারা আবারো প্রমাণ করলেন পুলিশ জনগণের বন্ধু। সাব্বাস পুলিশ বাহিনী, ধন্যবাদ আপনাদেরকে। মন থেকে থ্যাংক ইউ বলছি এবং স্যালুট আপনাদের।

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে অনেক অনেক ধন্যবাদ

তানিয়া আহমেদ

অভিনেত্রী

করোনার এই ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে একযোগে সত্যি অসাধারণ। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আপনারা এগিয়ে যান।

বাংলাদেশ পুলিশ স্যালুট আপনাদেরকে

অপু বিশ্বাস

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী

আসসালামু আলাইকুম। করোনার এই সংকটময় কালে আমাদের পুলিশ প্রশাসন যেভাবে তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তা সত্যিই অসাধারণ। আজকে করোনার সময় নিজের পরিবার পরিজন যখন দূরে ঠেলে দিচ্ছে এই পুলিশ প্রশাসন তাদেরকে সহযোগিতা করছেন। আজকে করোনার সময় দুমাসের বাচ্চা সহকারে যখন বাসা থেকে বের করে দিচ্ছে তখন এই পুলিশ প্রশাসন তাদেরকে খাবার, তাদের রাত্রিযাপন করার জায়গা করে দিচ্ছেন। তাদের হয়ে লড়ছেন নিজের বড় ভাই বাবার মতো করে। অথচ তাদের পরিবার পরিজন সন্তান সবকিছু ছেড়ে জীবনের মায়া ত্যাগ করে শুধুমাত্র আমাদেরকে ভালো রাখার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দিন রাত ২৪ ঘণ্টা খেটে। তাই বাংলাদেশ পুলিশকে আমি স্যালুট দেই। তারা যেভাবে আমাদেরকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে সত্যি তাদেরকে ধন্যবাদ দেয়ার ভাষা আমাদের জানা নাই। তবে একটি কথা বলবো আমরা আছি তাদের পাশে, থাকবো সারা জীবনের জন্য থাকবো। বাংলাদেশ পুলিশ স্যালুট আপনাদেরকে।

আমাদের জন্য দিন রাত কষ্ট করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ

ববি

অভিনেত্রী

করোনার এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পুলিশ যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তা সত্যি অসাধারণ। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমেছে। Thank you so much Bangladesh Police. we so proud of you. Thank you so much for being responsible. সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে আমরা যদি তা সত্যি সত্যি মেনে চলার চেষ্টা করি আমরা খুব তাড়াতাড়ি ইনশাল্লাহ এই মহামারি থেকে মুক্ত হতে পারবো। এবং আমার আরেকটা কথা একেবারে না বললেই না, সেটা হচ্ছে যারা আমাদের জন্য দিন রাত কষ্ট করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ, ডক্টরস আরো যারা আছেন তাদের জন্য আমার অনেক অনেক শ্রদ্ধা, অনেক অনেক ভালোবাসা। অবশ্যই আপনারাও সেফলি থাকবেন সেই দোয়া আল্লাহর কাছে সব সময় কামনা করি, থ্যাংক ইউ।

এই ঋণ কোনদিন শোধ করতে পারবো না

প্রিয়াংকা সাহা

নারী কং/১২০২, নারায়ণগঞ্জ

আমি নারী কং/১২০২ প্রিয়াংকা সাহা। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন সোনারঁগা থানায় কর্মরত আছি। করোনা ভাইরাসের সময়ও অন্যান্য দিনের মত ডিউটি পালন করতে থাকি আমি। হঠাৎ কর্তব্যরত থাকাকালীন সময়ে আমার শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে আমি বিষয়টি আমার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান মনির স্যারকে অবহিত করি। তিনি বিষয়টি আমাদের শ্রদ্ধেয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, “খ”-সার্কেল স্যার এবং পুলিশ সুপার (এসপি) মহোদয়কে জানান। পরবর্তীতে স্যারেরা দ্রুত আমাকে নাঃগঞ্জ পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। ১৪ এপ্রিল ২০২০ আমার নমুনা সংগ্রহ করেন এবং ১৫ এপ্রিল ২০২০ আমার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে ১৯ এপ্রিল ২০২০ স্যারেরা আমাকে দ্রুত রাজারবাগ সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ২০ এপ্রিল ২০২০ আমার ফোনে লাস্ট-১৬ নাম্বার থেকে একটা ফোন আসে আমি নমস্কার বলার সাথে সাথে শুনতে পাই, প্রিয়াংকা আমি ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ হাবিবুর রহমান, তোমার এখন কি অবস্থা বল….

তখন আমি পুরোপুরিভাবে হতবাক হয়ে পড়ি স্যারের পরিচয় আর গলার আওয়াজ শুনে। আবেগে আপ্লুতো হয়ে যাই এবং দেখি আমার চোখ দিয়ে অঝরে পানি চলে আসছে। আমি বুঝতে পারলাম এটা আমার আনন্দের কান্না। আমার মত একজন কনস্টেবলকে স্যার ফোন দিছে, তাও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি স্যার তিনি।

স্যারকে যখন বললাম স্যার আমার অবস্থা তেমন ভাল না আমার কিছু হয়ে গেলে আমার পরিবারকে দেখে রাইখেন। স্যার আমাকে বলতে লাগলেন তোমার কিছু হবেনা তুমি খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ্য হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবে। স্যার তাৎক্ষনিক ঐ দিন আমাকে আই সি ইউ তে ভর্তির ব্যবস্থা করে দেয়। এরই মধ্যে জানতে পারি ডিআইজি স্যার আমার পরিবারের সার্বক্ষণিক খোঁজ নিচ্ছেন, টাকা-পয়সা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বাজার আমার বাসায় পৌছে দিচ্ছেন। পরবর্তীতে ২ মে ২০২০ এবং ৪ মে ২০২০ পরপর দুইবার আমাকে টেস্ট করালে দুইবারই আমার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকে হাসপাতাল থেকে অব্যাহতি দিয়ে দেয়। ঈশ্বরের কৃপায়, মানুষের আর্শীবাদে, স্যারদের আন্তরিকতা, সাহসে আমি এখন পুরোপুরি সুস্থ। মনোবল হারাইনি।

শ্রদ্ধাঞ্জাপন করছি আমাদের শ্রদ্ধেয় অভিভাবক, বাংলাদেশ পুলিশের গর্ব, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি, হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) মহোদয়, অতিঃ ডিআইজি মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম (বার) মহোদয়, আমার নাঃগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম পিপিএম (বার), বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আমাদের “খ”-সার্কেল মহোদয় মোঃ খোরশেদ আলম স্যারের প্রতি।

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি, হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) মহোদয়, ইতিমধ্যে আমাকে আমার পরিবারকে সর্বোচ্চ হেল্প করেছেন আর্থিক সহায়তা করেছেন। সবসময় আমাকে সাহস দিয়ে উৎসাহিত করেছেন সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিয়েছেন।

আমি অত্যন্ত খুশি আর আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি। আমি আমার পরিবারের পাশে থাকতে না পারলেও আমি মনে করি বাংলাদেশ পুলিশের দুই লক্ষ সদস্য আমার পরিবারের পাশে আছে সবসময়।

আমি যখন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি তখন আমার ঘরের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, বাজার-সদাই যা যা দরকার, খাবারদাবার সবকিছু পৌছিয়ে দেওয়া হয়।

সর্বশেষ এটাই বলতে চাই…

স্যার আপনার মতো একজন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল পেয়ে ধন্য আমি, ধন্য বাংলাদেশ পুলিশ। ধন্যবাদ স্যার আপনাকে। জয় হোক মানবতার, জয় হউক বাংলাদেশ পুলিশের।

আমি গুছিয়ে লিখতে পারিনা, বলতে পারছিনা আমার প্রতি স্যারদের আন্তরিকতা আর অশেষ কৃতজ্ঞতাবোধ প্রকাশ কিভাবে করবো। ডিআইজি স্যার, অতিঃ ডিআইজি স্যার, এসপি স্যার, খ সার্কেল সহ অন্যান্য সবাইকে আমার পাশে, আমার পরিবারের পাশে যেভাবে পেয়েছি আমি সারাজীবন মনে রাখবো আমি এই ঋণ কোনদিন পরিশোধ করতে পারবো না।

সবাই আমার জন্য আশীর্বাদ করবেন।

(ফেসবুক ওয়াল থেকে)

গ্রন্থনায় : হারান রাজবংশী।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x