ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

মোঃ ফরহাদ হায়দার

ঈদ-উল-ফিতর। এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলিম বিশ্বের জন্য আর্শিবাদ স্বরূপ খুশির একটি দিন আসে। আর সেই দিনটিই হলো ঈদ-উল-ফিতর। গরীব, ধনী, ছোট বড় সকলেই ঈদের আমেজে শিহরিত হয়; ঈদ কারো কাছে আনন্দের আবার কারো কাছে বেদনাজনিত আনন্দের। এবারের ঈদ নিয়ে বিভন্ন কর্মজীবী নারী কে কি ভাবছেন তা ডিটেকটিভ পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো-

বেগম শাহনেওয়াজ দিলরুবা খান

সদস্য (যুগ্মসচিব),

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ,

খাদ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা।

কর্মজীবনে তিনি বিশাল কৃতিত্বের অধিকারী। ১৯৯৮ সালের ১৭তম বিসিএস এডমিন ক্যাডারে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়ে বর্তমানে খাদ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে কর্মরত আছেন। এক ছেলে ইঞ্জিনিয়ার; স্ত্রী কন্যা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে কর্মরত। ছোট মেয়ে আর মেয়ে জামাই দুজনেই ডাক্তার। বর্তমানে দেশের একটি স্বনামধন্য মেডিকেলে কর্মরত। জীবনের শুরুতে অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি দিতে হয়েছে অনেক কঠিন পথ। ঈদ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি একটু থেমে তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে জানালেন, আমি সত্যই সুখি তবে ত্যাগের সুখে সুখায়িত। সরকারি কর্তব্য সকাল ০৭.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ০৭.০০/০৮.০০ পর্যন্ত ব্যস্ত থাকতে হয়। যদিও রোজা কিন্তু আমার কর্মব্যস্ততা যেন বেড়েই চলেছে। সর্বোপরি দেশের মানুষকে আমার কাজের মাধ্যমে সুখি করতে পারলে আমার স্বার্থকতা। সংসার আর সরকারি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের পাশাপাশি নিজেকে সামাজিক কিছু চ্যারিটি কাজের সাথে জড়িত করেছি, সমাজের অবহেলিতদের জন্য শ্রেণিমত বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করা যেন আমার একটা নীতিগত দায়। তবে এতো কিছুর মাঝে এবারের ঈদ করতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়াতে। ছেলের পাঠানো আবেগ জড়িত এয়ার টিকেটে পুত্র বধুর সন্তান ভূমিষ্ট হবার দিনটিতে নিজের উপস্থিতি আর সহযোগিতার জন্য পাড়ি দিতে হবে সুদূর পথ। শত কর্মব্যাস্ততার মাঝেও সরকারি দায়িত্বের পাশাপাশি সাংসারিক কর্তব্য সমভাবে পালন করে নিজেকে নিয়ে তিনি অনেক আনন্দিত আর এরই মাঝে সবাইকে তিনি জানিয়েছেন ঈদ মোবারক।

শাকিলা সোলতানা,

উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-বন্দর),

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ

চট্টগ্রাম।

শাকিলা সোলতানা জানান, জনগণের সুন্দর যাত্রা নিশ্চিতকল্পে আমার আওতাধীন এলাকায় যাতে যানজটের কারণে কোন নাগরিক দূর্ভোগের শিকার না হয় সেই বিষয় সামনে রেখে ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম পরিচালনা করা আমার দায়িত্ব।

রমজানের শুরুতেই ট্রাফিক পুলিশের বাড়তি ডিউটি করতে হয়, কারণ ইফতারির ঠিক আগ মূহুর্তে যখন পুরো শহরের মানুষ বাসায় গিয়ে ইফতার করবে ঠিক সেই সময়ে আমার এবং আমাদের ট্রাফিক পুলিশের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সময়; সবাইকে নিরাপদে বাসায় পৌঁছানোর। ঈদের ছুটিতে নিশ্চিন্তে এবং নিরাপদে যাতে মানুষজন বাড়িতে যেতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখা ট্রাফিক পুলিশের কাজ।

আমার ঈদে বাড়ি যাওয়া আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে ঈদ উদ্যাপন করা এসব আসলে প্রতি ঈদে সম্ভব হয়না। যদি গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদ্যাপন করা যায় তাহলে আমি মনে করি এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু হতে পারেনা। কারণ শহরের ঈদ অনেকটা কৃত্রিম। কর্মস্থলের ঈদ হয় নিয়মের মধ্যে। যেমন সকালবেলা পোলাও, রোস্ট, পায়েস, সেমাই ইত্যাদি তৈরি করি। সন্তানদের নতুন ঈদের জামা পরাই। আবার সন্ধ্যায় আমাদের পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের বাসায় ডিনার প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করি। পুলিশ লাইনের ফোর্সের জন্য বড় খানারও আয়োজন করা হয়।

তবে এবারের ঈদের আনন্দ আমি মনে করি সকলকে ছুঁয়ে যাবে। কারণ দুই বছর পর আমাদের করোনামুক্ত ঈদ উল ফিতর। সবার সুস্থতা ও অনাবিল আনন্দে ঈদ কাটুক এই কামনা, সবাইকে “ঈদ মোবারক”।

মোছা. সোহেলী আক্তার

সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ

(বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার (২৪ তম ব্যাচ))

সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ, রংপুর।

তাঁর কাছে জিজ্ঞাসা ছিল কর্মজীবি নারী এবং এবারের ঈদ বিষয়ে, তিনি তার বক্তব্যে বলেন- বৈশ্বিক মহামারির কারণে গত তিনটি ঈদে যেন আনন্দের ভাটা পড়েছিল! এখন যেহেতু আমরা কিছুটা হলেও বৈশ্বিক মহামারি কাটিয়ে উঠতে পেরেছি তাই আশা করছি এ বছর আমরা নিশ্চয় ঈদের আনন্দ পূরোপুরি উপভোগ করতে পারবো। আমি একজন সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা হলেও সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে সাধারণ সামাজিকতায় ঈদ উদযাপন করবার চেষ্টা করি। প্রতি বছর রমজানের শুরুর দিকে কলেজ বন্ধ হয়ে যাবার ফলে আমার মেয়েকে নিয়ে আগেভাগেই ঈদ শপিং করে ফেলতাম কিন্তু এবারে রমজানে ক্লাস চালু রয়েছে বলে তা হয়ে ওঠেনি। তারপরও আত্মতৃপ্তি লাভ করছি এই ভেবে যে ক্লাস চালু রয়েছে বলে শিক্ষার্থীদের মাঝে কিছুটা হলেও শিখণ ঘাটতি মোকাবেলা করতে পেরেছি। সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে ঈদকে কেন্দ্র করে আমরা যেন আরো মানবিক হয়ে উঠি। অসহায় মানুষের কথা যেন আমাদের সবার মাথায় রাখি এই আশাবাদ ব্যক্ত করে সবাইকে ঈদ মোবারক।

ডাঃ জোবায়দা গুলসান আরা (সুইটি)

কন্সালটেন্ট (প্রসুতি ও গাইনী),

এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, দিনাজপুর

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হতে এম,বি,বি,এস পাশ করে ২০০৬ সালে ২৫ তম বি,সি,এস (স্বাস্থ্য) এর মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করে গ্রাম পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে­ক্স দীর্ঘদিন সাধারণ মানুষের কাছে থেকে সেবাদান এর মাধ্যমে প্রতিকুল অবস্থায় নিজেকে মানিয়ে নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। গাইনী বিশেষজ্ঞ হিসেবে ১৫ বছর এর বেশির ভাগই গ্রামের মানুষের সেবায় কাজ করেছেন। বিদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে কাজ করার সুযোগ থাকার পরেও তিনি দেশের মানুষের সেবায় নিয়জিত করেছেন নিজেকে। তাঁর কর্মজীবন আর আসন্ন ঈদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসায় তিনি অকপটে বলেন। ইচ্ছা আছে এবারের ঈদ পরিবারকে নিয়ে দিনাজপুরেই কাটাবেন তবে পরিবার নিয়ে ঈদ আনন্দের থেকে হাসপাতাল থেকে মানুষের সেবার আনন্দটা তার কাছে অনেক বেশি মূল্যবান।

শামীমা আক্তার বানু

নির্বাহী কর্মকর্তা(অতিরিক্ত দায়িত্ব)

পিপি এন্ড পিডিসি, বিসিএসআইআর,

ধানমন্ডি, ঢাকা।

মুখোমুখি হয়েছিলাম তাঁর। আসন্ন ঈদ এবং নিজের কর্মব্যস্ততা সম্পর্কে জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন-বহুদিন বাবার বাড়িতে ঈদ করা হয় না, সন্তানরা এখন বড়ো হয়েছে দুদিন বাদে তাদের সংসার হবে। তবুও শিশুসূলভ মন আমার বৃদ্ধ মায়ের কাছে গিয়ে ঈদ উদযাপন করতে চায়। সরকারি চাকরিতে ছুটিও বেশি নেই, বস ম্যাডাম বড়ো বেশি ভালোবেসে ছুটি দিতে চান না, চাকরি জীবনে ঐচ্ছিক ছুটি কখনো ভোগ করার সুযোগ হয়নি। প্রশাসনের দায়িত্বে থাকায় সবার ছুটি মঞ্জুর করায় নিজের ছুটি নিতে ভুলে যাই, তবে কাজকে বড়ো ভালোবাসি, ভালোবাসি অফিসের নয়টি বাগানের ফুল গাছকে। সেই টানে কর্মস্থলে বেশ স্বাচ্ছন্দ বোধ করি। ছেলেরা বড়ো হয়ে তাদের গণ্ডির বাহিরে ঈদ উদযাপন পছন্দ করে না, অতঃপর জ্যামের কারণে ঈদের পরের দিন চেষ্টা করি যেতে, সবসময় হয়ে উঠে না, ঈদ মানেই কর্মজীবী নারীর উপর বেশ ধকলের একটা দিন। কাজের মেয়েরা ছুটি নেয়, দেশের বাড়িতে না যাওয়া নিয়ে তেমন আক্ষেপ নেই, প্রযুক্তি কিছুটা হলে দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানোর সুযোগ করে দিয়েছে। ভিডিও কলে মায়ের সাথে কথা, মায়ের মুখ দেখা পরম পাওয়া, এসব কিছু নিয়েই আমার ঈদ। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।

মুনমুন সুলতানা

সহকারী ম্যানেজার, বেসিক ব্যাংক, ঢাকা।

ঢাকার একটি অতি ব্যাস্ততম শাখা, একে রোজার মাস টেবিলের সামনে ৫/৬ জন সেবা প্রার্থী। এরই ফাঁকে সুযোগ বুঝে জিজ্ঞাসা ছিল, একজন নারী কর্মজীবী হিসেবে সামনের ঈদে কি পরিকল্পনা-জবাবে তিনি বলেন ব্যংক একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। জনগণের সেবা করাই আমাদের লক্ষ্য। চাকুরির ক্ষেত্রে মহিলারা অনেক বেশি মনোযোগী, ও আন্তরিক। তার মানে এ নয় যে পুরুষ সহ-কর্মীরা কাজ করেনা। কিন্তু মেয়েরা জানে প্রতিযোগিতা মূলক সমাজে তাদের অফিসে কাজ শেষ করে তবেই বাসায় যেতে হবে। বাসায় তাদের জন্য অনেক কাজ অপেক্ষা করছে কিন্তু অফিস থেকে বের হবার সময় ঘটে নানা রকম বিপত্তি। আমাদের ঈদের ছুটি মাত্র ৩ দিন। এক ঈদে ছুটি পেলে আরেক ঈদে ছুটিতে যাওয়া যায়না। এই ঈদে আমি আমার পরিবার নিয়ে ঢাকায় ঈদ উদযাপন করব ইনশাআল্লাহ। আশা করি আগামী ঈদে আত্মীয়স্বজন, বন্ধুদের সাথে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করবো। আমরা নারীরা ঘরসামলেও সাফল্যের সাথে চাকরি করছি ভাবতে ভালো লাগে। আমার একটি সুখী সংসার আছে, আমি ২ সন্তানের জননী। ঘর ও সন্তানদের সামলিয়ে আমি আমার অফিস যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করি। আসন্ন ঈদে সবাইকে শুভেচ্ছা ” ঈদ মোবারক”

তাহমিনা আক্তার

নারী  কনস্টেবল, ডিএমপি, ঢাকা, বাংলাদেশ পুলিশ।

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর ২০১৩ সালের ব্যাচের নারী কনস্টেবল কর্মস্থল-ট্রাফিক অ্যাডমিন এন্ড রিসার্চ বিভাগ এর ট্রাফিক কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল সেন্টার, ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশ, ঢাকাতে। চার ভাই, পাঁচ বোনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সন্তান, তিনি বলেন আমি একজন সুখী মানুষ। দশ মাসের সদ্য বিবাহিত জীবনে স্বামী প্রবাসী হওয়া সত্ত্বেও তার দেয়া অনুপ্রেরণা আর পরিবারের ভালোবাসায় বাস্তবে তিনি সুখী। সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় নির্দিষ্ট কর্মজীবনে পা রেখে ভালো খারাপের সময়গুলো ব্যস্ততায় কাটানোর সুযোগ পেয়ে তিনি সত্যিই সুখী। তিনি বলেন “এই কর্ম আমার গর্ব, আমার অহংকার আর বেঁচে থাকার অবলম্বন। তাই কিছু কষ্টের কথা সামনে এসে যায় কারণ এটাও জীবনের বৈশিষ্ট্য। এই কষ্টে বা দুঃখের বড় অংশ প্রিয় বাবার নামের পাশে বসানো মরহুম শব্দটি। এই কষ্টের আরেকটি অংশ দারিদ্রতা, যেখানে জীবন যুদ্ধ অত্যাবশ্যক আর যখন পরিস্থিতি তাচ্ছ্বিল্য করে বাড়াবাড়ি মনে করিয়ে দেয় আমার কর্মসংস্থান আমাকে বাঁচিয়ে রাখার মাধ্যম, নয়তো আমি নিরুপায়। কষ্ট এটাই যখন বাবাকে অনুভব করে মায়ের চোখ থেকে পরা প্রত্যেকটা পানির ফোঁটা সন্তানদের সঙ্গ খুঁজে ঠিক তখনই ছুটি স্বল্পতার প্রভাব। অসুস্থতায় অথবা বিশেষ কোনো পারিবারিক আয়োজন ও পবিত্র ঈদ অথবা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ধৈর্য্যের গতি জোর করে বাড়িয়ে দিয়ে দিন কাটিয়ে দেয়ার নামই হয়তো দুঃখের ধৈর্য্য। তারপরও আমি নিজেকে সুখী মনে করি। কারণ আমি আমার স্বপ্নগুলো সত্যি করার পেছনে ছুটে চলেছি আর ভালো নেই এই অজুহাতকে প্রশ্রয় দেয়া ছেড়ে দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি যে মূহুর্ত থেকে নিজেকে আমি ভালো নেই এই অজুহাত দেখানো বন্ধ করে কাজ শুরু করবো তখন থেকেই আমার স্বপ্নগুলো বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করবে। তার জন্য শুভাকাঙ্খীদের নিকট দোয়াপ্রার্থী। সবাইকে ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা।

তাবাসসুম ফেরদৌস (পিএইচডি)

লেকচারার এন্ড এসেসর,

আর্ডেন বিশ্ববিদ্যালয়, লন্ডন।

জিজ্ঞাসা ছিল তার কাছে তার কর্মজীবন আর সামনের ঈদের পরিকল্পনা, তিনি অকপটে তুলে ধরলেন-

In the early 21st century I came to England for higher education. After completion of my studies I joined in teaching profession for full time.  At the beginning, life in the UK was not at all very smooth or easy, all forms of social, emotional, financial, and cultural challenges were there. Gradually, I cover come all these and adapted with the situation. However, I kept missing my families, friends, neighbors, and my country especially when it is festive time. I remember those beautiful days, how splendid the Eid environment was all around in Bangladesh, where the air spreads the fragrance and bliss of EID.

Living and celebrating Eid in a Muslim majority country and non-Muslim country makes a huge difference. There is no public holiday on Eid days, but prior holiday can be arranged or leave without pay can be taken on the day. As a committed teaching professional, I work full time for a university and spare my personal time on academic preparation. And hardly have any spare time for leisure.

I always believe, Eid must be celebrated on the Eid day not in the next weekend. I never worked on that day, despite different issues but never compromised with celebrating EID.  We always go for special Eid prayer in the early morning. The best way to celebrate Eid regardless of whether a person is in a Muslim country, or a non-Muslim country is by celebrating it on the day and share with families and friends. From the very first Eid in the UK to till now I always celebrated Eid as I did in Bangladesh. I fully get prepared to create a festive touch as much possible.  As I have seen my mother used to start cooking a day ahead of Eid, I do the same. I utterly enjoy cooking all traditional meals and desserts, invite all my families, friends, and neighbors here in London, share gifts and meals with all of them. I observe my Eid festival as almighty Allah asked and never let the joy of Eid go pale. Eid Mubarak to you all from London, England.

সামাজিকভাবে ঈদ উদযাপনের জন্য আমরা অনেকেই অনেক রকমের প্লান প্রোগ্রাম করে থাকি যা কর্মজীবিদের ক্ষেত্রে অনেক সময় করা হয়ে উঠে না। বিশেষ করে কর্মজীবি নারীদের ক্ষেত্রে সেটা আরোও জটিল। তবে সবকিছুকে সহজভাবে নিয়ে চলতে পেরে ওঠাটাই হোক আমাদের ব্রত। আসন্ন ঈদ নারী-পুরুষ সকলের জন্য বয়ে নিয়ে আনবে অনাবিল আনন্দ এই হোক আমাদের প্রত্যাশা।

লেখক : পুলিশ পরিদর্শক

ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়, ঢাকা।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *