ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

মোঃ মনিরুল ইসলাম, সভাপতি, বিপিএসএ

বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত বিসিএস পুলিশ ক্যাডার কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন (বিপিএসএ)। এই সংগঠনটির নব-নির্বাচিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন মোঃ মনিরুল ইসলাম বিপিএম (বার) পিপিএম (বার), অ্যাডিশনাল ইন্সপেক্টর জেনারেল, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, বাংলাদেশ পুলিশ। তাঁর নেতৃত্বে গঠিত বিপিএসএ-এর নতুন কমিটি বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পণা ডিটেকটিভ-কে জানিয়েছেন তিনি। ডিটেকটিভের পক্ষে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন

মোঃ ইমরান আহম্মেদ। 

ডিটেকটিভঃ বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের নতুন কমিটির বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাই।

বিপিএসএ সভাপতিঃ ধন্যবাদ, বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পুলিশের কর্মরত এএসপি হতে তদূর্ধ কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত, যার প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল মহোদয়। এই এসোসিয়েশন মূলত বাংলাদেশ পুলিশের স্ট্রাটেজিক লক্ষ্যসমূহ অর্জনের ক্ষেত্রে সহযোগী ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া সদস্যদের পেশাগত উৎকর্ষ সাধন ও পুলিশ বিভাগের উন্নয়নের লক্ষ্যে পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন কাজ করে থাকে। রীতি অনুযায়ী প্রতিবছর এসোসিয়েশনের কমিটি গঠিত হয় যা এবারও হয়েছে। তবে এবার এই কমিটি কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। আমরা অনেকগুলো সুনির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক উপ-কমিটি করেছি; তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে আমরা বেশ কিছু স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করব। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উল্লেখ করতে পারি যেমন- আমরা চেষ্টা করব পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামো বৃদ্ধি অর্থাৎ জনবল, লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি সংক্রান্তে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ইতোমধ্যেই যে কার্যক্রম গ্রহণ করেছে, তা এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ রক্ষা করতে। এছাড়া যেহেতু বাংলাদেশ পুলিশ দুই লক্ষাধিক সদস্যের একটি বৃহৎ সংগঠন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তাই এর কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটা স্বতন্ত্র পুলিশ বিভাগ গঠন আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি; সেই দাবীকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে আমরা ভূমিকা রাখতে চাই। আবার প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে ক্রাইমের ধরণ পরিবর্তন হওয়ায় পুলিশের আধুনিকায়ন নিশ্চিত করা অপরিহার্য হয়ে পড়ছে; তাই বাংলাদেশ পুলিশের তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর সায়েন্টেফিক ইনভেস্টিগেশন ও অপরাধ প্রতিরোধ কৌশল বাস্তবায়নের চলমান কার্যক্রমকে আমরা এগিয়ে নিতে সহায়তা করব। এছাড়া পুলিশিং প্রচন্ড স্ট্রেসফুল জব হওয়ায় অনেক সময় পুলিশ সদস্যগণ এবং পরিবারবর্গ নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। তাই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের উপরে কাউন্সেলিং প্রদানসহ কর্মজীবনের জন্য একটা ক্যারিয়ার প্লানিং-এর বিষয়ে আমরা কাজ করবো। পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের জন্য নিরন্তর গবেষণারও প্রয়োজন রয়েছে- এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আমরা একটা গবেষণা সেল তৈরির পরিকল্পনা করছি। এর পাশাপাশি সদস্যদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখবো। আন্তঃক্যাডার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পেশাজীবী সংস্থার সাথে সম্পর্ক আরো সৌহার্দপূর্ণ ও সুদৃঢ়করণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করব। মিডিয়ার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে জনমত গঠনে আমরা মিডিয়ার সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করবো- পুলিশের ইতিবাচক খবর-এর পাশাপাশি নেতিবাচক কিছু হলে তার বিপরীতে যাতে সত্যকে তুলে ধরা হয় সে বিষয়ে আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে। এছাড়া পুলিশের পেশাগত ও ব্যক্তিগত কল্যাণের যেসব ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ আছে, তা আমরা নতুন করে এক্সপ্লোর করব।

ডিটেকটিভঃ পুলিশের সিনিয়র পর্যায়ে পদোন্নতি সমস্যার সমাধানে বিপিএসএ-এ কীভাবে ভূমিকা রাখবে?

বিপিএসএ সভাপতিঃ ধন্যবাদ। আসলে সরকারি চাকরিতে পদোন্নতি অধিকার না হলেও এটি একটি অত্যন্ত প্রত্যাশিত বিষয়। সরকারি চাকুরিজীবীদের যথাসময়ে যোগ্যতা অনুযায়ী মূল্যায়ন করে পদোন্নতি দেয়া হবে- এটি একটি স্বাভাবিক প্রত্যাশা। কিন্তু বাংলাদেশ পুলিশের স্ট্রাকচার অতিমাত্রায় পিরামিডিক্যাল, এটি একটি সিভিল সার্ভিস হলেও ইউনিফর্ম সার্ভিসও বটে। ফলে শুধুমাত্র কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য পদোন্নতি নয়; কাজকে গতিশীল করা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সুপারভিশন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অন্যান্য সব ইউনিফর্ম সার্ভিসের অফিসার ফোর্সের সংখ্যার যে অনুপাত রয়েছে তেমনি আমরাও প্রয়োজন অনুসারে আমাদের উচ্চ পর্যায়ে পদসমূহ বৃদ্ধির যৌক্তিকতা নির্ধারণ সংক্রান্তে কাজ করছি। পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সে এ বিষয়ে বর্তমানে একটা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে আগের কমিটির মতো আমরাও নীতি নির্ধারক পর্যায়ে বিশেষ করে আমাদের নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ে নতুন পদ সৃজনের যৌক্তিকতা এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তুলে ধরব। আমি মনে করি যেসব প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রয়েছে তা বাস্তবায়িত হলে এই পদোন্নতি সংশ্লিষ্ট সমস্যা কিছুটা দূর হবে।

ডিটেকটিভঃ পুলিশের পদায়ন সংক্রান্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিয়ে বিপিএসএর পরিকল্পনা আছে কী?

বিপিএসএ সভাপতিঃ হ্যাঁ, আসলে পদায়ন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে একটা ক্যারিয়ার প্ল্যানিং থাকাটা খুব জরুরি; সেই ক্যারিয়ার প্ল্যানিং নানা কারণে এখন পর্যন্ত আমরা তৈরি করতে পারিনি। বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা চূড়ান্ত করে বাস্তবায়নের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ক্যারিয়ার প্ল্যানিং এবং পদোন্নতির জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরির বিষয়ে একটা উপ-কমিটি কাজ করছে, যা সম্পন্ন হলেই আমরা এই প্রস্তাবিত ক্যারিয়ার প্ল্যানিং এবং পদায়ন নীতিমালার বিষয়ে পুলিশ হেড কোর্য়াটার্সে সুপারিশ পেশ করব এবং পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে তা গ্রহণ করবে বলে আমরা আশাবাদী।

ডিটেকটিভঃ অর্পিত দায়িত্ব পালনকালে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা সমস্যায় পড়লে এক্ষেত্রে বিপিএসএ কীভাবে সদস্যদের পাশে দাঁড়াবে? কোনো সদস্যের ব্যক্তিগত বিচ্যুতির ক্ষেত্রে বিপএিসএর অবস্থান কি হবে?

বিপিএসএ সভাপতিঃ পুলিশ সার্বক্ষণিকভাবেই বিভিন্ন অংশীজনদের সাথে নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে। দায়িত্ব পালনকালে অন্যায়ভাবে পুলিশকে কেউ অভিযুক্ত করলে বা দায় চাপানোর চেষ্টা হলে এসোসিয়েশন তা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু কোনো সদস্যরে ব্যক্তিগত বিচ্যুতি বা দায় গ্রহণ করবে না; তবে এক্ষেত্রে সকল পুলিশকে কিংবা একটা পুরো ইউনিটকে যাতে দায়ী করা না হয় সে ব্যাপারে জনমত গঠনে মিডিয়ার সহযোগিতা নিয়ে অন্যান্যদের সাথে আমরা কাজ করে যাব। পুলিশ সদস্যদের ক্রটি-বিচ্যুতি তদারকির জন্য যেহেতু পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সের সুনির্দিষ্ট শাখা রয়েছে তারা এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করবে, তারাও যদি কোন বিষয়ে সহযোগিতা চায় আমরা এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাদের পাশে থাকব। আমরা এবারই প্রথমবারের মতো আইনি ও অন্যান্য সহায়তাবিষয়ক উপকমিটি গঠন করেছি; কোনো সদস্য অনিচ্ছাকৃতভাবে বিরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে যাতে এসোসিয়েশনের পক্ষ হতে সহযোগিতা প্রদান করা যায়।

ডিটেকটিভঃ সদস্যদের চাঁদার বাইরে এসোসিয়েশনের আয় বৃদ্ধির জন্য বিকল্প পরিকল্পনা বা উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাই।

বিপিএসএ সভাপতিঃ ধন্যবাদ। আসলে এসোসিয়েশনের কার্যক্রমের পরিধি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ফলে আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিরও প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে। যেমন বাংলাদেশ পুলিশ যেহেতু এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা তাই অনেক সদস্যই কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আহত বা নিহত হন। আবার এই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করার কারণে তারা নানা ধরনের অসুখেও আক্রান্ত হন। সেক্ষেত্রে চিকিৎসার জন্য তাদেরকে সহায়তা প্রদানের জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়। আমি বিগত কমিটিগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যে তারা এই বিষয়টি অনুধাবন করেই কয়েক বছর আগে একটি পুলিশ সার্ভিস ফাউন্ডেশন তৈরি করেছিল, যা চাঁদার পাশাপাশি আয় বর্ধনের জন্য কিছু বিকল্প পরিকল্পনা বা কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। সেগুলো এখনো চলমান রয়েছে। আমাদের কল্যাণমুখী কাজ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয় বৃদ্ধির আরো নতুন ক্ষেত্রে তৈরির পন্থা খুঁজে বের করার জন্য আমাদের একটা উপ-কমিটি রয়েছে। তারা এবিষয়ে কাজ করছে। আমরা আশাবাদী যে তাদের সুপারিশ বাস্তবায়ন করলে আমাদের অর্থ সংকট দূর হবে।

ডিটেকটিভঃ একটা কথা প্রচলিত আছে, বিপিএসএ-এর কমিটিতে ঢাকাস্থ অফিসারদের আধিক্য থাকে। সকল ক্যাডার অফিসারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আপনাদের পরিকল্পনা কি?

বিপিএএস সভাপতিঃ ধন্যবাদ, আসলে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের কমিটিতে যারা থাকেন, তারা প্রত্যেকেই কিন্তু তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের অতিরিক্ত হিসেবেই এসোসিয়েশনের কাজটি করে থাকেন। মূলত দাপ্তরিক দায়িত্বের অতিরিক্ত ভূমিকা পালনের জন্য অনেকটা কাজের সুবিধার্থেই ঢাকাস্থ কর্মকর্তাদের আধিক্য রাখা হয়। তবে লক্ষ্য করলে দেখবেন নবগঠিত কমিটিতে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন ইউনিটের অতিতের তুলনায় অধিকসংখ্যক কর্মকর্তা সদস্য হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ইতোমধ্যেই এসোসিয়েশনের সভায় ঢাকার বাইরে থেকে অনেক কর্মকর্তা অনলাইনে সংযুক্ত থেকে আমাদের সাথে মূল্যবান মতামত প্রদান করেছেন। এরপরও আমরা এই কমিটির মেয়াদকালেই জেলা পর্যায়ে না হলেও বিভাগীয় পর্যায়ে আমাদের একটা করে কমিটি গঠনের বিষয়ে সচেষ্ট রয়েছি, যাতে এ সংগঠন অংশগ্রহণমূলক হয়ে ওঠে এবং মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে আমরা বাস্তব সমস্যাগুলো সনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি।

ডিটেকটিভঃ পুলিশ অফিসারদের মধ্যে বিশেষায়িত জ্ঞান বা স্পেশালাইজেশন গড়ে তুলতে উচ্চ শিক্ষার জন্য কোনো বৃত্তি চালু করার বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিসএসোসিয়েশনের ভাবনা কি?

বিপিএসএ সভাপতিঃ বর্তমান যুগের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে পুলিশিং করতে অনেক ক্ষেত্রে আমাদের স্পেশালাইজেশন এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, সেই বিষয়টাকে মাথায় রেখেই আমরা এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আরও ভূমিকা পালনের লক্ষ্যে কাজ করছি। উল্লেখ্যযে গত তিনি/চার বছর ধরে কিন্তু পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন লেখাপড়ায় কৃতিত্ব অর্জনের জন্য পুলিশ পরিবারের মেধাবী সন্তানদের বৃত্তি প্রদান করছে। আমরা চেষ্টা করবো যে এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে দেশের ভেতরে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে কোনো স্কলারশিপ চালু করা যায় কি না তা বিবেচনায় নিতে, পাশাপাশি বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে বা প্রশিক্ষণ গ্রহণের ক্ষেত্রে পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সকে অনুরোধ করবো আমাদের ট্রেনিং উইং-এর ব্যাজেট বরাদ্দ থেকে স্কলারশিপের জন্য নতুন খাত তৈরির সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য। আমাদের বিষেশায়িত ইউনিটগুলোর জন্য বিদেশে বিষেশায়িত প্রশিক্ষণ বা উচ্চ শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার যৌক্তিকতা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে তুলে ধরে আমাদের আরও সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যেএসোসিয়েশন কাজ করবে। এছাড়াও উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশ যেতে আগ্রহীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদানের জন্যসেল গঠন বিষয়েও আমরা কাজ করবো।

ডিটেকটিভঃ ডিটেকটিভ নিয়ে আপনার প্রত্যাশা ও পাঠকদের নিয়ে আপনার মতামত জানতে চাই।

বিপিএসএ সভাপতিঃ ডিটেকটিভ বাংলাদেশের প্রাচীনতম মাসিক ম্যাগাজিনের মধ্যে অন্যতম এবং এর বিপুলসংখ্যক পাঠক রয়েছে। ফলে যুগের সাথে তাল মিলেয়ে ডিটেকটিভের আঙ্গিক এবং বিষয়ভিত্তিক প্রবন্ধ বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে বলে আমি মনে করি। পাশাপাশি ডিটেকটিভের পাঠকদের উদ্দেশ্যে বলবো যে বাংলাদেশ পুলিশ সম্পর্কে জানতে হলে ডিকেটটিভের সাথে থাকুন। পুলিশ সদস্যদের বলবো বাংলাদেশ পুলিশের সাম্প্রতিক কর্মকা- বা চলমান বিভিন্ন কর্মসূচি যথাযথভাবে তুলে ধরছে ডিটেকটিভ, তাই এসব জানতে হলে ডিকেটটিভ পড়ুন। পুলিশের বাইরে সম্মানিত পাঠকদের প্রতি অনুরোধ থাকবে ডিটেকটিভ পড়ার জন্য অন্যদেরও উৎসাহিত করার জন্যে।

ডিটেকটিভঃ ডিটেকটিভকে সময় দেওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ স্যার।

বিপিএসএ সভাপতিঃ আপনাকেও ধন্যবাদ।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *