ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

শামস্ নূর

৩৬০০ বছর পর হত্যা রহস্যের জট খুলল

মিসরে খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০ অব্দের ফারাও রাজা দ্বিতীয় সিকেনেনারে টাও কীভাবে খুন হয়েছিলেন, সে রহস্যের নতুন সূত্র পাওয়া গেছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সম্প্রতি একটি গবেষণা করা হয়েছে। এতেই মিলেছে ওই সূত্র। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মিসরের প্রত্ন সম্পদবিষয়ক মন্ত্রণালয় ১৭ ফেব্রুয়ারি এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

সিকেনেনারে টাও মূলত ‘সাহসী’ রাজা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি মিসরের দক্ষিণাঞ্চলে রাজত্ব করেন। গবেষকেরা দীর্ঘদিন ধরে সিকেনেনারে টাওয়ের মৃত্যুরহস্য উদ্ভাবনের চেষ্টা করছিলেন। তাঁর মমি ১৯ শতকের শেষ দিকে পাওয়া যায়। তাঁর মুখে বিশেষ আঘাতের চিহ্ন ছিল। সিকেনেনারে তাঁর মিসরীয় সেনা নিয়ে হাইকসের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। হাইকসের পশ্চিম এশীয় একটি রাজবংশ, যা নীল নদের নিম্নাঞ্চল দখল করেছিল।

১৯৬০ সালে সিকেনেনারের শরীর এক্সরে করা হয়েছিল। এতে তাঁর মস্কিষ্কে আঘাত থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হয়। লড়াই বা প্রাসাদ ষড়যন্ত্রে তিনি নিহত হয়েছিলেন বলে তত্ত¡ পাওয়া যায়।

সম্প্রতি সিকেনেনারে টাওয়ের সিটি স্ক্যান ও থ্রিডি ইমেজ তৈরি করেন গবেষকেরা। প্রত্নতাত্ত্বিক জাহি হাওয়াস এবং কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক সাহার সেলিম সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে যুদ্ধের ময়দানে বন্দি হওয়ার পর তাঁকে ‘মৃত্যুদণ্ড’ দেওয়া হয়েছিল।

সিটি স্ক্যানে তাঁর মস্কিষ্কে আঘাতের বিস্তারিত পাওয়া গেছে। আগের পরীক্ষাতে এত বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, মৃত্যুর পর ওই রাজাকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তাঁর শরীরকে সংরক্ষণ করা হয়। গবেষকেরা কায়রোর জাদুঘরে রাখা বিভিন্ন হাইকসোস অস্ত্রের আঘাতে আহত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেন। গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ‘ফ্রন্টায়ার্স অব মেডিসিন’ সাময়িকীতে।

গবেষকেরা বলেন, ওই ফারাও রাজা যখন মারা যান, তখন তাঁর বয়স ছিল ৪০ বছর। তিনি সম্ভবত যুদ্ধের ময়দানে আটক হয়েছিলেন। তাঁর হাত পিছমোড়া করে বাঁধা হয়েছিল। এরপর কোনো অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়।

বিয়ের আগে নিকের পেছনে গুপ্তচর নিয়োগ দেন প্রিয়াঙ্কা!

খুব দ্রুতই বিয়েতে গড়ায় নিক-প্রিয়াঙ্কার প্রেম কাহিনি। প্রিয়াঙ্কাকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার মাসখানেকের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদান পর্ব সেরে ফেলেন এই তারকা দম্পতি। আর বছর ঘোরার আগেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা। এককথায় রূপকথার প্রেমকাহিনির কাক্সিক্ষত পরিণতি।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রিয়াঙ্কার পরিবারের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক নিকের।তার মায়ের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক ছিল প্রিয়াঙ্কার।তবে মায়ের সঙ্গে নিকের সিক্রেট মিটিংয়ের খুঁটিনাটি জানতে রীতিমতো লোক লাগিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা! সম্প্রতি নিজের আত্মজীবনী ‘আনফিনিসড’র প্রচারে ‘দ্য মর্নিং শো’তে হাজির হয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। সেখানেই এই সিক্রেট ফাঁস করেছেন তিনি।

প্রিয়াঙ্কা জানান, বিয়ের আগে যেই মুহূর্তে তিনি জানতে পারেন নিক তার মাকে নিয়ে লাঞ্চ ডেটে যাচ্ছেন, অতিরিক্তি সাবধানী হয়ে পড়েন প্রিয়াঙ্কা। বিষয়টা নিয়ে তার সন্দেহ হয়েছিল। অথচ পূর্ব নির্ধারিত মিটিংয়ে ব্যস্ত প্রিয়াঙ্কার হাতে অন্য কোনো উপায়ও ছিল না, তাই মা আর হবু বরের ওপর নজরদারি করতে নিজের সিকিউরিটিকে নিয়োগ করেছিলেন তিনি।

প্রিয়াঙ্কা বলেন, যারা আমাকে চেনেন তারা জানেন আমি একটু কন্ট্রোল করতে ভালোবাসি। আমার চারপাশের পরিস্থিতি যেন আমার হাতের বাইরে না যায়। আমি আসলে খুব উৎসুক ছিলাম, আমার মিটিং ছিল। একপর্যায়ে নিক বলে, হ্যাঁ, তুমি যাও আমি তোমার মাকে নিয়ে লাঞ্চ ডেটে যাব। এটা খুব অদ্ভুত লেগেছিল, কারণ তখন সবে মাত্র কয়েক সপ্তাহ হলো আমরা ডেট করছি, আর নিক মুম্বাইয়ে এসে একা আমার মায়ের সঙ্গে লাঞ্চে যাবে! তাই আমি আমার সিকিউরিটিকে পাঠিয়েছিলাম লুকিয়ে তাদের লাঞ্চ খাওয়ার ছবি তুলতে। যাতে আমি তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজটা স্টাডি করতে পারি’। এই কথা বলে হাসিতে লুটিয়ে পড়েন প্রিয়াঙ্কা।

২০১৮ সালের ডিসেম্বরে রাজস্থানের যোধপুরের উমেদভবনে হিন্দু ও ক্যাথলিক রীতি মেনে বিয়ের পর্ব সারেন নিক-প্রিয়াঙ্কা। গত ৯ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়েছে নায়িকার আত্মজীবনী ‘আনফিনিসড’।

চীনে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অস্ট্রেলীয় সাংবাদিক গ্রেফতার

চীনে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে চেং লেই নামে অস্ট্রেলীয় এক সাংবাদিককে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর কয়েক মাস আগে তাকে দেশটির রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে আটক করা হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিবিসির প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আটকের আগে চেং চীনের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন চ্যানেল সিজিটিন এর উপস্থাপক ছিলেন। অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তারা জানান, গত আগস্টে তাকে আটক করা হয়। আর ৫ ফেব্রুয়ারি  তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যারিস পেইন বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, বিচারে প্রাথমিক মানদণ্ড,  প্রক্রিয়ার সততা ও মানবিক আচরণ মেনে চলা হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি। এই কঠিন সময়ে আমরা চেং ও তার পরিবারের পাশে আছি।’

উল্লেখ্য, গত আগস্টে চেং হঠাৎ টেলিভিশন থেকে নিখোঁজ হন। পরবর্তী সময়ে চীন ঘোষণা দেয় যে তিনি এক অজানা স্থানে ‘আবাসিক নজরদারিতে’ রয়েছেন।

জেমস বন্ড হতে চান ‘স্পাইডারম্যান’

‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার’, ‘স্পাইডারম্যান: হোমকামিং’, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’, ‘স্পাইডারম্যান: ফার ফ্রম হোম’। গত কয়েক বছরে বিশ্বের সবচেয়ে উপার্জনকারী সিনেমার হিসাব করলে সেই তালিকায় থাকবে এই নামগুলো। আর এর প্রতিটি সিনেমার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ২৪ বছর বয়সি এক তরুণের নাম। তিনি টম হল্যান্ড। কত কম বয়সে আর কম সময়ে একজন তরুণ কত বড় তারকা হয়ে উঠতে পারেন, তার জ্বলজ্বলে উদাহরণ টম।

এদিকে বন্ডের ২৫তম সিনেমা নিয়ে বেজায় বিরক্ত ভক্তরা। যতবার তাঁরা আশায় বুক বেঁধেছেন, ততবার পিছিয়েছে ছবিটির মুক্তির তারিখ। বন্ডভক্তরা ‘নো টাইম টু ডাই’-এর আরেক নাম দিয়েছেন ‘মি. লেট’। ছবির শুটিং শুরুর আগেই বড় পর্দার অন্যতম ‘বন্ড…জেমস বন্ড’ ড্যানিয়েল ক্রেগ জানিয়েছিলেন, আর কখনোই বন্ডের স্যুট গায়ে চাপাবেন না তিনি। এই তাঁর শেষ বন্ড হওয়া। এদিকে ‘স্পাইডার-ম্যান’খ্যাত টম হল্যান্ড জানিয়েছেন, বন্ডের স্যুট নাকি তাঁর গায়ে বেশ মানাবে। বন্ড হওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন তিনি। তবে কি এটি কোনো ইশারা? জগতে নাকি শূন্যস্থান বলে কিছু নেই। তাহলে কি ড্যানিয়েল ক্রেইগের শূন্যস্থান পূরণ করবেন টম হল্যান্ড?

এসব প্রশ্নের উত্তর দেবে সময়। আপাতত ভ্যারাইটিকে টম হল্যান্ড বলেছেন, ‘একটা ব্রিটিশ বালক হিসেবে আমারও বেড়ে ওঠা “জেমস বন্ড” দেখে। আর যে সিনেমা দেখে, সিনেমা করে আর “জেমস বন্ড” হতে চায় না, এ হতেই পারে না। আমি পর্দায় “জেমস বন্ড” করার জন্য পাগল হয়ে আছি। আর স্যুটে কিন্তু আমাকে বেশ মানায়।’

টম আপাতত তৃতীয়বার ‘স্পাইডারম্যান’ হিসেবে দেখা দেওয়ার জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন শুটিং সেটে। ২০২১ আর ২০২২ সালের ক্যালেন্ডারে আপাতত আর কোনো তারিখ ফাঁকা নেই। আগামী দুই বছর চমৎকার সব প্রজেক্টে সময় দিয়ে রেখেছেন এই তরুণ।

ট্রাম্পকে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া হবে না

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তথ্য দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। প্রথা অনুযায়ী, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টরা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তথ্য সম্পর্কে জেনে থাকেন। রাষ্ট্রের একজন অভিভাবক হিসেবেই গোয়েন্দা তথ্য তাঁদের নিয়মিত জানানো হয়ে আসছে। নানা নাটক করে ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এমন রাষ্ট্রীয় গোপন নিরাপত্তা দেওয়া হবে না।

ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম দেওয়া সাক্ষাৎকারের সময় সিবিএস নিউজের এক প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট বাইডেন এ কথা জানিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, ‘এ নিয়ে আমি উচ্চবাচ্য করতে চাই না। রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করার মধ্য দিয়ে ট্রাম্পকে কী মূল্য দেওয়া হবে?’ ট্রাম্প এসব তথ্য ফাঁস করতে পারেন বলে সন্দেহের কথা জানান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেছিলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মন্তব্য থেকে পরিষ্কার হয়ে উঠেছে, অভিশংসন খড়েগ পড়া ট্রাম্পের কাছে প্রতিদিন নিরাপত্তা তথ্য নিয়ে গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ উপস্থিত হচ্ছেন না।

ডেমোক্র্যাটসহ রিপাবলিকান পার্টির বেশ কিছু আইনপ্রণেতাও মনে করেন, বদান্যতা হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প রাষ্ট্রীয় এমন তথ্য পাওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন তাঁর আচরণের কারণে। নির্বাচনে হেরে ক্ষমতা ত্যাগের কথা ট্রাম্প এখনো স্বীকার করেননি। তা ছাড়া গত ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে সহিংস ঘটনার জন্য কংগ্রেস তাঁকে দায়ী করে অভিশংসন প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।

মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিচালক হিসেবে ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কাজ করেছেন সুজান গর্ডন। সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্টে লেখা এক কলামে তিনিও প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে আহব্বান জানিয়েছেন, ট্রাম্পকে যেন রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা তথ্য না দেওয়া হয়।

অনেকটা প্রথা অনুযায়ীই সাবেক প্রেসিডেন্টদের কাছে এ তথ্য দেওয়া হয়। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের অনুমোদনক্রমে দেওয়া হয় বলে বাইডেন প্রশাসন এ নিয়ে এর মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীর্ষ গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক নয়-এমন বহু দেশের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যবসায়-বাণিজ্য রয়েছে। ক্ষমতায় থাকাকালেও তাঁর কোম্পানিগুলো এসব দেশের সঙ্গে বাণিজ্য করেছে। দেশের স্বার্থে এবং ক্ষমতার শেষ সময়ে তাঁর আচরণের কারণেই রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা তথ্য ট্রাম্পকে না দেওয়ার জন্য নানা মহল থেকে দাবি জানানো হয়েছে।

প্রতিনিধি পরিষদে হাউস ইন্টেলিজেন্স কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডাম সচিফ বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এখন বা আগামী দিনে-কোনো সময়ই বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। ফলে, তাঁকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ না করার জন্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রতি আহব্বান জানিয়েছেন এ আইনপ্রণেতা।

পুরোনো ফোন নিয়ে বিপদে জেমস বন্ড

জেমস বন্ড সিরিজের নতুন চলচ্চিত্র ‘নো টাইম টু ডাই’ মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল গত বছরের এপ্রিলে। এরপর মুক্তির তারিখ তিনবার পিছিয়ে এখন পর্যন্ত আগামী অক্টোবরে ধার্য করা হয়েছে। এতে ভক্তদের মনে খানিকটা দুশ্চিন্তা আস্তানা গেড়েছে-আদৌ মুক্তি পাবে তো? আর এবার দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চলচ্চিত্রটির বিজ্ঞাপনদাতারা।

চলচ্চিত্রের দৃশ্যে পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনে জেমস বন্ড নির্মাতারা মোটামুটি সিদ্ধহস্ত। আর তা নিয়েই এবার তাদের হাত সেদ্ধ হওয়ার জোগাড়। উদাহরণ হিসেবে মুঠোফোন তৈরির ব্র্যান্ড নকিয়ার কথা বলা যেতে পারে এখানে।

নকিয়া ব্র্যান্ডের মুঠোফোন তৈরি করে এইচএমডি গ্লোবাল। গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা দিল, নো টাইম টু ডাই চলচ্চিত্রে নোমি চরিত্রে লাশানা লিঞ্চের হাতে দেখা যাবে নকিয়া ৮.৩ ফাইভ-জি স্মার্টফোন। সঙ্গে থাকবে নকিয়া ৭.২। ঠিক সময়ে চলচ্চিত্র মুক্তি পেলে সেগুলো হতো নকিয়ার সর্বশেষ (নিদেনপক্ষে সাম্প্রতিক) সংযোজন।

মুক্তির তারিখ পেছানোয় বন্ডের হাতে আর ‘লেটেস্ট’মডেলের ফোন দেখতে পাবে না দর্শক।সমস্যাটা সেখানেই।২০২১ সালের অক্টোবরে ২০১৯ সালে বাজারে আসা নকিয়া ৭.২ দেখে দর্শক ভাববেটা কী?

ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্য সান লিখেছে, বন্ডের হাতে সর্বশেষ পণ্য তুলতে চলচ্চিত্রটির কিছু দৃশ্য হয়তো আবারও ধারণ করা হতে পারে। অবশ্য দৃশগুলো সম্পাদনা করাও একটা সম্ভাব্য সমাধান বলে জানানো হয়েছে। কারণ, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বশেষ পণ্য দেখাতে চায়, পুরোনো নয়।

এরই মধ্যে সে উদাহরণ আমরা দেখেছি। ২০২০ সালের মার্চে দেখানো বিজ্ঞাপনে নকিয়া ৫.৩ স্মার্টফোন হাতে দেখা যায় নো টাইম টু ডাই চলচ্চিত্রের তারকা লাশানা লিঞ্চকে। গত সেপ্টেম্বরে বিজ্ঞাপনটির আরেক সংস্করণে সবকিছু ঠিক রেখে কেবল লাশানার হাতের স্মার্টফোন বদলে নকিয়া ৮.৩ ফাইভ-জি জুড়ে দেওয়া হয়।

নকিয়ার জন্য অবশ্য একটি সুখবর আছে। চলচ্চিত্রটিতে দেখানো অন্তত একটি ফোন সহজে পুরোনো হওয়ার নয়। শোনা যাচ্ছে, নো টাইম টু ডাই চলচ্চিত্রে সেই ২০০০ সালে বাজারে আসা নকিয়া ৩৩১০ মডেলের ফোনটিও দেখা যাবে।

  লেখক : প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *