ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

শিবলী চৌধুরী কায়েস

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশন। অধিবেশনকক্ষে বসেছিলেন সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্রনায়ক ও সরকার প্রধানরা। সভাপতির আসনে ছিলেন আলজেরিয়ার মুক্তিসংগ্রামের নেতা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আবদেল আজিজ বুতেফ্লিকা। সভাপতি ‘বাঙালি জাতির মহান নেতা’ হিসেবে পরিচিতি জানিয়ে বক্তৃতা মঞ্চে আহ্বান করেন অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধু সদর্পে বীরোচিত ভঙ্গিমায় আরোহণ করলেন বক্তৃতা মঞ্চে। প্রথম এশীয় নেতা, যিনি এ অধিবেশনে সবার আগে ভাষণ দান করেন। বঙ্গবন্ধু বক্তৃতা শুরু করেন মাতৃভাষা বাংলায়। যে ভাষার জন্য ঢাকার রাজপথে বাঙালি তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। সেই ভাষায় প্রথম ভাষণ জাতিসংঘে। বঙ্গবন্ধু বাংলা ভাষাকে বিশ্বদরবারে আবার ঠাঁই করে দিলেন। এর আগে ১৯১৩ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসী জেনেছিল বাংলা ভাষার অমর আবেদন।

এর ৬০ বছর পর ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে উচ্চারণ করলেন বিশ্বসভায় বাংলা ভাষার অমর শব্দসমূহ। জাতিসংঘের সরকারি ভাষা ছয়টি। ইংরেজি, ফার্সি, রুশ, চীনা, স্প্যানিশ ও আরবি। এ ছয় ভাষাতেই বক্তৃতা রূপান্তরিত হয়ে থাকে। যদিও বর্তমানে বাংলাকে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

জাতিসংঘের অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ দেওয়ার ৮ দিন আগে ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য দেশ হিসেবে মর্যাদা লাভ করে বাংলাদেশ। এর আগে ১৯৭২ ও ১৯৭৩ সালে দুই দুইবার চীনের ভেটোর কারণে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করতে পারেনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতা করলেও ১৯৭৪ সালে এসে চীন বাংলাদেশের ব্যাপারে অনেকটা নমনীয় হয়। ফলে চীন তার ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে বিরত থাকে। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তুমুল করতালির মধ্যে নবীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। ঐ দিনই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকক্ষে বাঙালির প্রথম প্রবেশ। বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ পেয়ে যায় স্থায়ী আসন। বাংলাদেশের জাতিসংঘ সদস্যভুক্তির পর বিশ্বের অনেক দেশই সে সময় অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখে। জাতিসংঘে মার্কিন স্থায়ী রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘বিশ্বের পার্লামেন্টে নতুন দেশ বাংলাদেশকে স্বাগত।’ তখনকার জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন ড. কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম।

বর্তমানে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধির আবাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে সরকারিভাবে অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সম্পত্তি হওয়ায় সুলভ মূল্যে তিন দশমিক পঁচিশ লাখ ডলারে তিন হাজার তিনশ বর্গফুটের এ অ্যাপার্টমেন্ট কেনা সম্ভব হয়েছে। জাতিসংঘ সদর দফতর থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে এ অ্যাপার্টমেন্টটির অবস্থান। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর মিশন প্রতিষ্ঠার ৩৯ বছরে দ্বিতীয় দফা আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মিশনের কার্যালয়ের জন্য জাতিসংঘ সদর দফতরের সন্নিকটে একটি ফ্লোর কেনা হয়। এতে মিশনের অফিস ভাড়া বাবদ মাসে ৩৪ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৭ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়। ২০০৯ সালে মিশনের নিজস্ব অফিস কেনার পর গত পাঁচ বছরে এ খাতে বাংলাদেশ সরকারের সাশ্রয় হয়েছে প্রায় ১৮ কোটি টাকা। মিশন প্রধানের আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট কেনার পর এ খাতে সরকারের বছরে সাশ্রয় হবে প্রায় এক কোটি টাকা।

বাংলাদেশ মিশন : ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নবীন রাষ্ট্র তথা জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য দেশ হিসেবে মর্যাদা লাভ করার পর দেশের হয়ে এখানে মিশনপ্রধান হিসেবে যারা কাজ করেছেন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে উত্তীর্ণ হওয়ার পর ড. এ কে আবদুল মোমেনের অবস্থান ১৩তম।

প্রথম : জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন এস. এ করীম। তিনি ১৯৭৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তৎকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব ড. কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইমের হাতে যোগদানপত্র জমা দেওয়ার মধ্যদিয়ে মিশনের দায়িত্ব পালন করেন। সময়কাল ১৯৭৪-৭৬।

দ্বিতীয় : ১৬ মার্চ ১৯৭৬ সালে দ্বিতীয় স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনে যোগদান করেন কে. এম কায়সার। তিনিও জাতিসংঘের মহাসচিব ড. কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইমের হাতে যোগদানপত্র জমা দিয়ে নিজেকে তার কাজে নিয়োজিত করেন। সময়কাল ১৯৭৬-৮২।

তৃতীয় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের তৃতীয় স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে ১৯৮২ সালের ২৬ জুলাই লে. জেনারেল খাজা ওয়াসিউদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সে সময় জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন জেভিয়ার প্যারেজ দ্য কুয়েইলার। খাজা ওয়াসিউদ্দিনের সময়কাল ১৯৮২-৮৬।

চতুর্থ : বিচারপতি বি এ সিদ্দিকী ১৯৮৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনের প্রধান হিসেবে যোগদান করেন। মেয়াদকাল ১৯৮৬-৮৮। সংস্থাটির মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন জেভিয়ার প্যারেজ দ্য কুয়েইলার।

পঞ্চম : এ এইচ এস আতাউল করীম। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন জেভিয়ার প্যারেজ দ্য কুয়েইলার।

ষষ্ঠ : ১৯৯০ সালের ১৬ আগস্ট মহাসচিব জেভিয়ার প্যারেজ দ্য কুইলারের হাতে যোগদানপত্র জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মিশনের দায়িত্ব নেন এ এইচ জি মহিউদ্দিন। তার মেয়াদকাল ১৯৯০-৯১।

সপ্তম : ১৯৯১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি মাত্র ছয় মাসের জন্য জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ মোহসিন। আর তখনও জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন জেভিয়ার প্যারেজ দ্য কুয়েইলার।

অষ্টম : রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনের দায়িত্ব পালন করেন। মহাসচিব জেভিয়ার প্যারেজ দ্য কুয়েইলারের শেষ বাংলাদেশ মিশন প্রধান ছিলেন হুমায়ুন কবির।

নবম : ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের দায়িত্ব পালন করেন রাষ্ট্রদূত রিয়াজ রহমান। সে সময় বিশ্বের ক্ষমতাধর এই সংস্থাটির মহাসচিব ছিলেন বুট্রোস বুট্রোস ঘালি।

দশম : ১৯৯৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের মহাসচিব বুট্রোস বুট্রোস ঘালির হাতে যোগদানপত্র জমা দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে মিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রাষ্ট্রদূত আনোয়ারুল করিম চৌধুরী। তার মেয়াদকাল ১৯৯৬-২০০১।

একাদশ : ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী। ৬ নভেম্বর ২০০১ সালে জাতিসংঘের সবচেয়ে আলোচিত ও অতি পরিচিত মহাসচিব কফি আনানের হাতে যোগাদানপত্র জমা দেন ড. ইফতেখার। তার মেয়াদকাল ২০০১-২০০৭।

দ্বাদশ : রাষ্ট্রদূত ইসমত জাহান বাংলাদেশ মিশনের প্রথম এবং একমাত্র মহিলা স্থায়ী প্রতিনিধি। মহাসচিব বান কি মুনের হাতে যোগদানপত্র জমা দেন ২০০৭ সালের ১৮ জুন। জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনে তিনি দায়িত্ব পালন করেন ২০০৭-২০০৯ সাল পর্যন্ত।

ত্রয়োদশ : জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন ড. এ কে আবদুল মোমেন। ২০০৬ সালের ২৬ আগস্ট তিনি জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের হাতে যোগদানপত্র জমা দিয়ে বাংলাদেশ মিশনের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা আসার পর ড. মোমেনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।

একনজরে জাতিসংঘ :

১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। যার সর্বোচ্চ পদ হলো মহাসচিব।  জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এর পূর্বে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক ‘বান কি মুন’ ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন।

১৯৪৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ৮ জন বিভিন্ন মেয়াদে জাতিসংঘ মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ‘টৃগভে হাভডেন লি’ প্রথম মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন। তার আগে ‘গ্লাডউইন জেব’ ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে সংস্থাটির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসী ছিলেন। তার মেয়াদকাল ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ থেকে ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ পর্যন্ত।

জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব পালনকারীরা হলেন-

প্রথম : টৃগভে হাভডেন লি। মেয়াদকাল ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ থেকে ১০ নভেম্বর ১৯৫২। তিনি নরওয়ের নাগরিক।

দ্বিতীয় : ড্যাগ হামারশোল্ড। মেয়াদকাল ১০ এপ্রিল ১৯৫৩ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৬১। তিনি সুইডেনের নাগরিক।

তৃতীয় : ইউ থান্ট। মেয়াদকাল- ৩০ নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর ১৯৬১। তিনি মিয়ানমারের নাগরিক।

চতুর্থ : ড. কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম। মেয়াদকাল- ১ জানুয়ারি ১৯৭২ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৮১। অস্ট্রিয়ার নাগরিক।

পঞ্চম : জেভিয়ার প্যারেজ দ্য কুয়েইলার। মেয়াদকাল- ১ জানুয়ারি ১৯৮২ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯১। দেশ-পেরু।

ষষ্ঠ : বুট্রোস ঘালি। মেয়াদকাল- ১ জানুয়ারি ১৯৯২ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৬। তিনি মিসরের নাগরিক।

সপ্তম : কফি আন্নান। মেয়াদকাল- ১ জানুয়ারি ১৯৯৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০০৬। তিনি ঘানার নাগরিক।

অষ্টম : বান কি মুন। ১ জানুয়ারি ২০০৭ থেকে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। তার দেশ দক্ষিণ কোরিয়া।

আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস, অমর একুশে এবং বিশ্ব : ভাষাকে নিয়ে মানুষের হৃদয় লালিত-পালিত ও বিকশিত, ভাষার জন্য বলা যায় মানুষ আজ সভ্য, আজ এত উন্নত এবং সৃষ্টির সেরা জীব। ভাষাই মানুষকে দিয়েছে মনের ভাব প্রকাশ করার, ভালো, মন্দ প্রকাশ করার শক্তি, যা আমাদের করেছে সামাজিক এবং সেই সাথে করেছে একে অন্যের সহায়ক। মা, মাতৃভাষার সাথে নাড়ির টান ও সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস চলে আসছে ২০০০ সাল হতে যখন বাংলাদেশ সরকার অফিশিয়ালি ইউনেস্কোতে আবেদন করে এবং ১৯৯৯ সালে ১৭ নভেম্বরে ইউনেস্কোর সাধারণ কনফারেন্সে সবসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়, যেখানে একুশে ফেব্রুয়ারিকে “আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই ঘোষণার ফলে আমাদের একুশের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস বিশ্বদরবারে ছড়িয়ে গেছে। ২০০০ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন হওয়া এতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আমাদের মতো জাতিসংঘের ১৮৮টি সদস্য দেশেও উদযাপিত হয়ে থাকে এই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ।

এটা বাংলাদেশের জন্য এক অবিস্মরণীয় অর্জন বলা যায়। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর এটিই সবচেয়ে বড় অর্জন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং এটি সকল মানুষের সকল ভাষার সারা বিশ্বের জন্য গৌরবের, সকলের ভাষাকে ভালোবাসার জানার এবং উন্নয়নের জন্য ভাবার দিন। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশই সবচেয়ে গর্বিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের জন্য। কারণ বাংলাদেশের এবং ভাষাশহীদদের জন্যই আজ আমাদের সারা বিশ্বের মানুষের এ পাওয়া।

লেখক : বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *