ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাহার আকন্দ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)

পূর্বে প্রকাশের পর………..

জিজ্ঞাসাবাদঃ

মামলার বাদীর এজাহার পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ভোরে ধানমন্ডি ৩২ নং রোডের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬৭৭ নং এর নিজস্ব বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে নিষ্পাপ শিশু রাসেল, ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, বেগম মুজিব ও সদ্য বিবাহিতা দুই পুত্রবধূ এবং শেখ নাসের ও একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে নির্মমভাবে হত্যা করার পেছনে কিছু উচ্চভিলাসী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাজোয়া, গোলন্দাজ ও অন্যান্য ইউনিটের কিছু সেনা সদস্যের ষড়যন্ত্র ও পূর্ব পরিকল্পনা ছিল।

এজাহারে বিবৃত নির্মম হত্যাকান্ডের নেপথ্যের সেই ষড়যন্ত্র, পূর্ব পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি পর্বের দৃশ্যপট উন্মোচন ও উদঘাটনের লক্ষ্যে আমি আমার তদন্ত পর্যায়ে ১৪ ই আগস্ট ১৯৭৫ দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে উপস্থিত মামলার এজাহারকারীসহ জীবিত কর্মচারী, কর্মকর্তা, প্রথম ফিল্ড আটলারীর অফিসার ও সদস্য, সাজোয়া বাহিনীর অফিসার ও সদস্য দ্বিতীয় ফিল্ড আর্টিলারির অফিসার ও সদস্য এবং ওই সময় ঢাকায় অবস্থিত অন্যান্য ইউনিটের কতিপয় অফিসার ও সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করি। তাছাড়া বেশ কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও নেতৃবৃন্দদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করি।

এতদ্ব্যতীত, এই হত্যাকান্ডের কতিপয় চাকুরীরত ও চাকুরীচ্যুত সেনা অফিসার জড়িত থাকায় হত্যাকান্ডে সামগ্রিকভাবে সামরিক বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না বা তাদের অবস্থান কি ছিল তা নিরূপণের জন্য তৎকালীন সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী প্রধান ও বিডিআর প্রধানসহ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দের জবানবন্দি গ্রহণ করি। তদোপরি হত্যাকান্ড পরবর্তী ঘটনাক্রমে এজাহার নামীয় আসামিগণের এবং তাদের সহযোগীদেরও ঘটনার পরবর্তী আচরণ জানার জন্য ওই সময় বেতার কেন্দ্রে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বঙ্গভবনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। তাছাড়া ঘটনাস্থলের আশপাশ এলাকার সাক্ষীদেরসহ অন্যান্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করি। এই ঘটনায় প্রায় পাঁচশত লোককে জিজ্ঞসাবাদ করা হয়। উল্লিখিত সাক্ষীদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করে যাদের বক্তব্য এজাহারে বর্নিত হত্যাকান্ডের ঘটনাসহ নির্মম হত্যাকান্ডের ষড়যন্ত্র, পূর্ব পরিকল্পনা, বে-আইনিভাবে গোলাগুলি সজ্জিত হইয়া বে-আইনি সমাবেশে সংঘবদ্ধ অবস্থায় হত্যাকান্ডের প্রস্তুতি গ্রহণ হত্যাকান্ডে সরাসরি অংশগ্রহণ, হত্যাকান্ডের পরবর্তী আচরণ উদঘাটন ও প্রমাণে সহায়তা বিবেচিত হয় তাদের মধ্যে নিম্নে ৭৮ জনের জবানবন্দি কাঃ বিঃ আইনের ১৬১ ধারা মোতাবেক লিপিবদ্ধ করা হয়। তাদের মধ্যে মোঃ সেলিম (গণবভনের মশালচী), আব্দুর রহমান শেখ, ওরফে রমা (কাজের লোক), হাবিলদার গানার মোহাম্মদ সোহরাব আলী, নায়েব সুবেদার আব্দুল গণি, নায়েব সুবেদার গানার আবু তাহের মোহাম্মদ জলিল মোল্লা, নিয়াজ আহম্মদ ওরফে গর্জন (প্রতিবেশী), মেজর (অবঃ) শাহাদাৎ হোসেন খান, প্রথম ইস্ট বেংগল রেমিমেন্ট, লেঃ কর্নেল (অবঃ) মোঃ আব্দুল হামিদ, মেজর জেনারেল মোঃ আব্দুর রব, মোঃ ইলিযাছ মিয়া, শেখ আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, আব্দুল হই কেষ, মোঃ ইমাম উদ্দিন গাজী, মোঃ ইদিুস মিয়া, মোঃ আমিনুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান, পিতা (নিহত) পুলিশ অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, মিসেস জামিল (নিহত কর্নেল জামিলের স্ত্রী), মোঃ আইন উদ্দিন (কর্নেল জামিলের ডুাইভার), মোঃ সামসুল হক, প্রাক্তন মন্ত্রী, অধ্যাপক খোরশেদ আলম, সংসদ সদস্য, মেজর জেনারেল কে, এম শফিউল্লাহ, সেনাপ্রাধান, লেঃ জেনারেল খলিলুর রহমান (অবঃ) বি,ডি,আর প্রধান, এয়ার ভাইস মর্শাল এ, কে খন্দকার, কর্নেল (অবঃ) আবু তাহের মোঃ সালাহ উদ্দিন, কর্নেল সাফায়াত জামিল, বিুগেড কমান্ডার-৪৬ বিুগেড, লেঃ জেনারেল মোহাম্মদ নুর উদ্দিন, কর্নেল এম, এ মালেক, বিুগেডিয়ার এ, এম, শাহজাহান, সুবেদার মেজর আনিসুল হক চৌধুরী, সুবেদার রমিজ উদ্দিন ভূইয়া, সুবেদর ও.সি ইউ মোঃ জয়নাল আবেদীন, হাবিলদার গানার মোঃ আবু তাহের, হাবিলদার গানার মোঃ হারুন অর রশিদ, হাবিলদার মোঃ সানু ভূইয়া, নায়েক ইউনুছ মোল্লা, হাবিলদার আঃ আজিজ, ল্যান্স নায়েক আঃ খালেক, নায়েক টি,এ মোঃ ইয়াছিন, হাবিলদার মোঃ আমিনুর রহমান, টেইলার নূর আহম্মদ, হাবিলদার গানার মোঃ সামসুল ইসলাম, হাবিলদার এ, কেএম সাজেদুল হক, নায়েব সুবেদার নূরুল ইসলাম, মেজর এম শহিদুল্লা (অবঃ) ল্যান্সার ইউনিট, আঃ জবয়ার মৃধা, রিসালদার হালিম তরফদার, রিসালদার (অবঃ) আঃ আলীম মোল্লা, এল,ডি বসির আহম্মদ (অব), দফাদার শহিদুর রহমান, প্রনব চন্দু রায় (বেতার ভবন), মোঃ রিয়াজুল হক, মোহাম্মদ আলী, মিসেস আফরোজা বানু (অভিনেত্রী) মোঃ ইলিয়াস মিয়া, আশরাফুল আলম, মোঃ মোখলেছুর রহমান ভূইয়া, মোঃ আলতাফ হোসেন, কমোডোর গোলাম রাবয়ানী, জনাব আব্দুল মান্নান, প্রাক্তন মন্ত্রী, জনাব দেওয়ান ফরিদ গাজী, প্রাক্তন মন্ত্রী, জনাব মোঃ মোমেন মোল্লা (প্রাক্তন মন্ত্রী), বখতিয়ার হোসেন, শো-টাইম ভিডিওর মালিক, নুরুল ইসলাম, (পুলিশ সুপার অবঃ), নায়েক গানার মোঃ জামরুল ইসলাম (অব), সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান (কিউরেটর), আব্দুল্লাহ আল হাসান, মোঃ আজিজুল হক, লেঃ কর্নেল আবুল বাসার, এডমিরাল এম, এইচ, খান, রিসালদার মনসুর আহম্মদ, নায়েক মোঃ সিহাব উদ্দিন, অনারারী লেঃ সৈয়দ আহম্মদ, মেজর জিয়াউদ্দিন আহম্মদ (অব), হাবিলদার গানার মোঃ সেলিম উদ্দিন, দফাদার সফিউদ্দিন সরদার, এ,এল,ডি মোঃ সিরাজুল হক, হাবিলদার মোঃ কুদ্দুস সিকদার, জনাব মমিন উদ্দিন আহমেদ (প্রাক্তন মন্ত্রী)দের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা হয়।

আসামী গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদঃ-

তদন্তকালে মামলায় (১) লেঃ কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, (২) লেঃ কর্ণেল সুলতান শাহারিয়ার রশিদ খান (৩) তাহের উদ্দিন ঠাকুর (৪) লেঃ কর্ণেল মুহিউদ্দিন আহম্মেদ আটিলারী, (৫) অনারারী ক্যাপ্টেন আব্দুল ওহাব জোয়ারদার, (৬) মিসেস জোবাইদা রশিদ, (৭) মোঃ ইউনুছ আলী, (৮) ক্যাপ্টেন নুরুল হক, (৯) মোঃ আবু মুসা মুজুমদার-দের গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞসাবাদে সাত জন স্বীকারোক্তি দেয়।

হত্যার ষড়যন্ত্র-

মামলা তদন্তের dettecnation অর্থাৎ Investigation includes al the proceedings under the code of criminal procedure for the collection of evidenc. তাতে পরিষ্কার নির্দেশ দেওয়া আছে Criminal procedure অনুসরণ করে সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে। সাক্ষ্য প্রমান ছাড়া আদালতে কোন ঘটনা প্রমান করা যাবে না এবং আদালত সাক্ষ্য প্রমান ছাড়া আসামীকে সাজা দিতেও পারবে না। ঘটনা সঠিক ভাবে উপাস্থপন করতে হলে আমাদের তিনটি বিষয় খেয়াল করতে হবে। ঘটনা ঘটার আগের ঘটনা। অর্থ্যাৎ ঘটনা কেন ঘটলো। দ্বিতীয় এ ঘটনার সময়কার মূল ঘটনা। অর্থাৎ ঘটনার সময় কি ঘটেছিল কারা ঘটিয়েছিল কিভাবে ঘটিয়েছিল, কখন ঘটেয়েছিল ইত্যাদি। তারপর ঘটনার পরে কি ঘটেছিল। অর্থাৎ ঘটনা ঘটার পর যে সমস্ত বিষয় হয়েছিল তার সমস্ত কিছুই এই ঘটনার অর্ন্তভুক্ত। বঙ্গবন্ধু, তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনকে হত্যা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু দেশের প্রধানমন্ত্রী ও পরে মহামান্য প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। তাকে হত্যার পূর্বে কি ঘটনা ঘটেছিল যার পরিনতিতে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। পূর্বে যা যা ঘটেছিল সেই গুলোই হলো ষড়যন্ত্রের অংশ।

এখন বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার আগে কী কী ঘটনার কারণে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছিল, তা বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে পূর্ব পাকিস্তানে বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা দাবি উত্তোলনের মাধ্যমে স্বায়ত্ত শাসনের দাবীতে বীজ বপন করা হয়। সেটা আস্তে আস্তে স্বাধীনতার আন্দোলনের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। যার কারণে আমরা দেখি বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়। রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা রুজু করা মাইেন অপরাধ প্রমাণ করতে পারলে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে শেখ মুজিবকে হত্যা করা যাবে। তাতে স্বায়ত্ত শাসন তথা স্বাধিকার আন্দোলন স্তব্দ করে দেয়া যাবে, যা করা সম্ভব হয়নি। ১৯৬৯ সালে জনগণের আন্দোলনের মুখে বঙ্গবন্ধু জেলখানা থেকে বের হয়ে আসেন। আন্দোলনের মুখে ফিল্ড মার্শাল আয়ুব খান ক্ষমতা ছেড়ে ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা দিয়ে দেন। ইয়াহিয়া খান দেশে মার্শাল-ল দেন এবং সাধারণ নিবার্চন ঘোষণা দেন। তাতে বঙ্গবন্ধর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেয় এবং জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। কিন্তু ষড়যন্ত্র চলতে থাকে। ষড়যন্ত্র করে জাতীয় পরিষদে এর অধিবেশনে বসা বন্ধ করে দেয়া হয়। আন্দোলন চলতে থাকে। অতঃপর সেই ঐতিহাসিক ৭ মার্চ/৭৫ রসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। ভাষণের মূল বক্তব্য “এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংক্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”

এই ভাষণ থেকে পাকিস্তানী এবং এ দেশের দোসররা ভালোভাবে বুঝে ফেলেছিল। বাঙালিরা স্বাধীনতার দিকে আগাচ্ছে। যার ফলে ইয়াহিয়া খান বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে অস্ত্রের জাহাজ আসছে। চট্টগ্রাম বন্দরে অস্ত্রের জাহাজ ভিড়ছে। চারদিকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিরীহ লোকদের হত্যা করা হচ্ছে। অবশেষে সেই ২৫ মার্চ/৭৫ কালরাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ বিভিন্ন জায়গায় সেনাবাহিনীর আক্রমণ। বঙ্গবন্ধুকে আটক করে পাকিস্তানে নিয়ে গেল। জেলখানায় আটক রেখে আবারও সেই প্রহসনের বিচারের ব্যবস্থা। বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসি দিয়ে হত্যার প্রস্তুতি।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অন্যতম সাক্ষী অধ্যাপক মোঃ খোরশেদ আলম-এর বক্তব্য থেকে জানা যায় কলেজে পড়ার অবস্থায় ১৯৪৮-৪৯ সাল থেকেই তিনি আওয়ামী মুসলিমলীগের কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের পর আওয়ামী মুসলিমলীগের নাম পরিবর্তন করে মুসলিমলীগ শব্দ বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ নামকরণ হয়। মুসলিম শব্দ বাদ দেওয়াতে খন্দকার মোস্তাক আহম্মেদ, অ্যাডঃ সালাম সাহেবগণ এতে সম্মত না হয়ে কিছু দিন আওয়ামী মুসলিম লীগ নাম রেখেই আলাদাভাবে সংগঠন করেন। পরে আবার তারা আওয়ামী লীগে ফিরে আসেন। ১৯৫৬ সালের কাগমারী সম্মেলনে আওয়ামীলীগ দিধাভিভক্ত হয়ে ভাষানী সাহেবের নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি নামে আলাদা সংগঠন হয়। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, আতাউর রহমান, কফিলউদ্দিন, শেখ মুজিবুর রহমান, মনসুর আলী, তাজউদ্দিন, এবং তিনি আওয়ামী লীগে রয়ে গেলেন। খন্দকার মোস্তাকও তাদের সঙ্গে রইলো। ওই সময় থেকে দলে মধ্যে নেতৃত্বের অবস্থান নিয়ে খন্দকার মোস্তাক আহামেদ ও শেখ মুজিবুর রহমানের মধ্যে ভেতরে ভেতরে একটা দন্ধ ছিল এর মধ্যে ছয় দফার আন্দোলন। শেখ মুজিবুর রহমানের অবস্থান দলে সুদৃঢ় হয়। সঙ্গত কারণেই তিনি বঙ্গবন্ধুতে পর্যবসিত হন। অন্যদিকে দলে খন্দকার মোস্তাকের অবস্থান একই থাকে। তাতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি তিন ইর্ষাকাতর ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলো। প্রবাসী সরকারে খন্দকার মোস্তাককে বিদেশ মন্ত্রী করা হয়। মাহবুব আলম চাষী হলো মোস্তাক সাহেবের সেক্রেটারি। ওই সময় খন্দকার মোস্তাক আহম্মদ প্রবাসী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে ও পাকিস্তানের সঙ্গে Confederation গঠনের চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি সফল হতে পারেন নি। তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বাদ দেওয়া হয়। (চলবে)

অতি: ডি,আই,জি(অব)

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *