ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

অমিতাভ চৌধুরী

চাকরি নয়, সেবা এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সাব ইন্সপেক্টর অব পুলিশ (নিরস্ত্র) পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। এ পদে নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীই আবেদনের সুযোগ পেয়েছে। উন্নত বাংলাদেশের উপযোগী করে পুলিশকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ বছর নতুন নিয়মে এসআই পদে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হবে। প্রার্থীদের কয়েকটি ধাপে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

নতুন নিয়মে এসআই নিয়োগ সম্পর্কে মাননীয় আইজিপি/পুলিশ প্রধান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় আমরা ২০৪১ সালের উন্নত দেশের উপযোগী পুলিশ গড়তে কাজ করছি। পুলিশের উন্নয়নে ২০ বছর মেয়াদী প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছি।

জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন বলেন, নতুন নিয়মে এস আই নিয়োগ প্রক্রিয়া বর্তমান আইজিপির ‘ব্রেইন চাইল্ড’। এর ফলে আমরা শারীরিকভাবে অধিক সক্ষম, যোগ্য ও সৎ পুলিশ সদস্যের উন্নত সেবা পাব।

আবেদনের যোগ্যতা

পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৪ ইঞ্চি। নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে আগে উচ্চতা ছিলো ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি ও নারীদের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি।

অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রির অধিকারী এবং কম্পিউটারে দক্ষতা সম্পন্ন হতে হবে। প্রার্থীকে অবশ্যই জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক (পুরুষ/নারী) হতে হবে। প্রার্থীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে। নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উচ্চতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কম্পিউটারের এমএসওয়ার্ড, এক্সেল সহ বিভিন্ন প্রোগ্রাম জানা, বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান এ লিখিত পরীক্ষায় নূন্যতম ৫০ শতাংশ নম্বর পাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

প্রার্থী বাছাইয়ের ধাপগুলো

প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং :

আবেদনকারী প্রার্থীদের মধ্য থেকে এসএসসি, এইচএসসি, ডিগ্রি/স্নাতক/সমমান পরীক্ষার ফলাফল এবং উচ্চতার উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত নিয়োগবিধি অনুযায়ী ওয়েববেজড প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্টসংখ্যক যোগ্য প্রার্থী শারীরিক মাপ, কাগজপত্র যাচাইকরণসহ শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষা বা Physical Endurance Test (PET)এর জন্য বাছাইকৃত প্রার্থীদের মোবাইল ফোনে এসএমএস-এর মাধ্যমে অবিহিত করা হবে।

শারীরিক মাপ ও কাগজ যাচাইকরণসহ শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষা

ওয়েববেজড প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিংয়ে বাছাই করা প্রার্থীদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত তারিখ, সময় ও স্থানে শারীরিক মাপ, কাগজপত্র যাচাইকরণসহ শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এ ধাপে প্রার্থীকে সাতটি ইভেন্টে, যথা-দৌড়, লং জাম্প, হাই জাম্প, পুশ আপ, সিট আপ, ড্র্যাগিং ও রোপ ক্লাইমিং-এ অংশগ্রহণ করতে হবে।

শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণসহ শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষার তারিখ (সকাল ৯.০০ টা) এবং জেলাসমূহ :

শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণসহ শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষা উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনের পরিবর্তিত সময়সীমা : ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ সকাল ১০.০০ ঘটিকা হতে ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ বিকাল ৫.০০ ঘটিকা পর্যন্ত।

এ ক্ষেত্রে শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষাকে তিন দিনে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে:

প্রথম দিন:

  • সব কাগজপত্র নিয়ে প্রার্থীরা পরীক্ষার ভেন্যুতে উপস্থিত থাকবেন। ভেন্যুতে উপস্থিত হওয়ার পর একটি নির্দিষ্ট স্কেল দিয়ে তাঁদের উচ্চতা মেপে পরীক্ষার মূল ভেন্যুতে প্রবেশ করানো হবে।
  • বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত যোগ্যতা অনুযায়ী প্রার্থীদের উচ্চতা, ওজন ও পুরুষ প্রার্থীদের বুকের মাপ পরিমাপ করা হবে।
  • প্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাই করা হবে।
  • শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাই করে সঠিক পাওয়া গেলে প্রার্থীদের যোগ্য ঘোষণা করা হবে এবং প্রার্থীদের অ্যাডমিট কার্ডের এক কপি শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য দেওয়া হবে।
  • প্রথম দিনে যোগ্য প্রার্থীদের Physical Endurance Test (PET)–এর সময় জানিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ইনডেমনিটি ঘোষণাপত্রের এক কপি দেওয়া হবে। উক্ত ইনডেমনিটি ঘোষণাপত্রে অভিভাবকের স্বাক্ষরসহ দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পূর্বেই যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিতে হবে।

দ্বিতীয় দিন:

শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষার প্রতি ইভেন্টে আলাদাভাবে কৃতকার্য হতে হবে। কোনো প্রার্থী একটাতে অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হলে সে পরবর্তী ধাপে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

১।         (দৌড়): পুরুষ প্রার্থীদের ১ হাজার ৬০০ মিটার দূরত্ব ৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে এবং নারী প্রার্থীদের ১০০০ মিটার দূরত্ব ৭ মিনিটে দৌড়ে দিয়ে অতিক্রম করতে হবে।

২।        (লং জাম্প): পুরুষ প্রার্থীদের কমপক্ষে ১০ ফুট ও নারী প্রার্থীদের কমপক্ষে ৬ ফুট দূরত্ব জাম্প করে অতিক্রম করতে হবে। এ ধাপে উত্তীর্ণ হতে সর্বোচ্চ তিনবার সুযোগ পাবেন।

৩।        (হাই জাম্প): পুরুষ প্রার্থীদের কমপক্ষে ৩ দশমিক ৫ ফুট এবং নারী প্রার্থীদের কমপক্ষে ২ দশমিক ৫ ফুট উচ্চতা জাম্প করে অতিক্রম করতে হবে। এ ধাপেও উত্তীর্ণ হতে সর্বোচ্চ তিনবার সুযোগ পাবেন।

তৃতীয় দিন:

৪।         পুশ-আপ : পুরুষ প্রার্থীদের ৪০ সেকেন্ডে ১৫ বার এবং নারী প্রার্থীদের ৩০ সেকেন্ডে ১০ বার দিতে হবে।

৫।        সিটআপ : পুরুষ প্রার্থীদের ৪০ সেকেন্ডে ১৫ বার এবং নারী প্রার্থীদের ৩০ সেকেন্ডে ১০ বার দিতে হবে।

৬।        ড্রাগিং : পুরুষ প্রার্থীদের নির্দিষ্ট সময়ে ১৬০ পাউন্ড/৩০ ফুট পর্যন্ত এবং নারী প্রার্থীদের নির্দিষ্ট সময়ে ১২০ পাউন্ড/২০ ফুট অতিক্রম করতে হবে।

৭।         রোপ ক্লাইমিং : পুরুষ প্রার্থীদের কমপক্ষে ১২ ফুট এবং নারী প্রার্থীদের কমপক্ষে ৮ ফুট রোপ ক্লাইমিং করতে হবে।

সকল প্রার্থীকে এই ৭টি ধাপে উত্তীর্ণ হতে হবে।

লিখিত ও মনস্তত্ত্ব পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ ও সময়সূচি

শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তিনটি বিষয়ে ২৫০ নম্বরের লিখিত ও মনস্তত্ত্ব পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

কম্পিউটার-দক্ষতা পরীক্ষা

লিখিত ও মনস্তত্ত্ব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়সূচি অনুযায়ী কম্পিউটার-দক্ষতা পরীক্ষায় (MS office, Web browsing and troubleshooting) এ অংশগ্রহণ করতে হবে।

বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষা

লিখিত ও মনস্তত্ত্বসহ কম্পিউটার দক্ষতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়সূচী অনুযায়ী ৫০ নম্বরের বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। লিখিত, মনস্তত্ত্বসহ বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে নিয়োগবিধি মোতাবেক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা

লিখিত, মনস্তত্ত্ব, বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, ঢাকায় নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

পুলিশ ভেরিফিকেশন

লিখিত ও মনস্তত্বসহ বুদ্ধিমাত্তা ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় পূরণকৃত পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম দাখিল করতে হবে। পুলিশ ভেরিফিকেশনে কোনো প্রার্থী সন্তোষজনক বিবেচিত হলেই কেবল প্রশিক্ষণের জন্য প্রাথমিকভাবে মনোনীত করা হবে।

মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন

সিলেকশন বোর্ড কর্তৃক সুপারিশ করা প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যোগ্য ঘোষণা ও পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্নের পর সন্তোষজনক বিবেচনায় মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরমে প্রার্থী কোনো তথ্য গোপন করলে বা অসম্পূর্ণ, ভুল কিংবা মিথ্যা তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিল করা হবে। ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর অব পুলিশ (নিরস্ত্র) হিসেবে নির্বাচিত প্রার্থীদের বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা, রাজশাহীতে (১) এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে।

লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি

শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। প্রতিযোগিতাপূর্ণ এ পরীক্ষায় পাসসহ ভালো নম্বর পেতে হলে নিয়মিত অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। লিখিত পরীক্ষা তিনটি ধাপে নেওয়া হবে। পরীক্ষা হবে মোট ২৫০ নম্বরের।

ইংরেজি, বাংলা রচনা ও কম্পোজিশন

ইংরেজি বিষয়ের জন্য মূলত রচনা, শূন্যস্থান পূরণ, বাক্য তৈরি, চিঠি লেখা এবং বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ বেশি আসে। রচনার জন্য সমসাময়িক আলোচিত বিষয়- কোপ২৬, কোভিড ১৯, মুজিব শতবর্শ, স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তী, রোহিঙ্গা শরণার্থী, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সাফল্য এসডিজি চ্যালেঞ্জ পড়তে পারেন। অনুবাদে ভালো করার জন্য ইংরেজি পত্রিকা থেকে নিজে নিজে বাংলা করার চেষ্টা করতে হবে সাথে অনুবাদের বিভিন্ন বই থেকে নিয়মিত চর্চা করতে হবে। একই শব্দ বারবার ব্যবহার না করে নতুন নতুন শব্দ ব্যবহার করলে লেখার মান ভালো হয়। তবে শব্দচয়ন যেন সুন্দর ও সাবলীল হয়।

বাংলা রচনা ও কম্পোজিশন অংশে গত বছরগুলোতে যে বিষয়গুলো বেশি এসেছে, সেগুলো হলো রচনা, ভাবসম্প্রসারণ, পত্রলিখন, এক কথায় প্রকাশ, বাগ্ধারা, সমাস, কারক, বিভক্তি ও ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ।

বাংলা রচনার জন্য ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর যেকোনো রচনা পড়তে পারেন। সমসাময়িক বিষয়, যেমন কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা, কোপ ২৬, এসডিজি সফলতা, রোহিঙ্গা ইস্যু, পর্যটন, সুশাসন, সংবিধান, বিশ্বায়ন, তথ্যপ্রযুক্তি, জলবায়ুর পরিবর্তন, মুক্তবাজার অর্থনীতি-এ বিষয়ের ওপর ভালোমতো প্রস্তুতি নিলে ফল পাওয়া যেতে পারে। এ অংশ ভালো করার জন্য দৈনিক পত্রিকা পড়ার কোন বিকল্প নেই এর সাথে সাথে সাম্প্রতিক আলোচিত ঘটনাবলীর দিকে নজর রাখতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংক্রান্ত সকল বিষয়ে অর্থাৎ তাঁর জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ও তাঁর সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে জানতে হবে। ভাবসম্প্রসারণের জন্য নবম-দশম শ্রেণির রচনা অংশের বোর্ড বইটি দেখলে হবে।

সাধারণ জ্ঞান ও গণিত

সাধারণ জ্ঞানের জন্য বাংলাদেশ ও বিশ্বের চলতি বিষয়গুলোর ওপর সংক্ষিপ্ত কিংবা বড় প্রশ্ন আসতে পারে। এ অংশে বিশ্বের সমকালীন রাজনৈতিক ইস্যু থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। ইংরেজি শব্দের পূর্ণরূপ, সাধারণ বিজ্ঞান, কম্পিউটার, বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, স্থান, রাজধানী, মুদ্রা, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আঞ্চলিক ও বিশ্ব রাজনীতি, বিশ্ব অর্থনীতি, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সংস্থা, এমডিজি, এসডিজি, সাইবার ক্রাইম, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও পুলিশ-সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নও এসে থাকে। এ ছাড়া ভৌগোলিক বিষয়াবলি, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিবিষয়ক বিষয়গুলোর উপর প্রস্তুতি নেয়া যেতে পারে।

মনস্তত্ত্ব

অপরাধের ধরন পরিবর্তনের কারণে অপরাধের প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হয়। এক্ষেত্রে একজন প্রার্থীকে যেসব বিষয় যাচাই করার তা ২৫ নম্বরের মধ্যে সম্ভব নয়, তাই মনস্তত্ত্বের লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৫০ করা হয়েছে। এ অংশের জন্য আপনাকে সমার্থক, বিপরীত শব্দ ও শব্দ লেখা ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে। ছোট ছোট গাণিতিক সমস্যা, শব্দের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য, বিখ্যাত লেখক-এসব বিষয়ের ওপর প্রস্তুতি নিতে হবে। সময় ভাগ করে পড়তে হবে। এখন থেকেই নিয়মিত জাতীয় দৈনিকগুলো পড়লে অবশ্যই ভালো ফল আসবে।

নতুন নিয়মে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ পুলিশের এসাআই পদের নিয়োগ পরীক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো লিখিত পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে এবং মেধা তালিকায় এগিয়ে থাকলে হলে অবশ্যই ভালভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার কোন বিকল্প নেই। তাই আগ্রহী প্রার্থীদের এখন থেকেই সঠিক নিয়মে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। লেখক: উপ-পুলিশ পরিদর্শক, ঢাকা রেঞ্জ অফিস ও সম্পাদকম-লীর সদস্য, ডিটেকটিভ।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *