ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

হাসি-কান্না দুঃখ বেদনার সংমিশ্রণ আর বহমান সময়ের সঞ্চালনই জীবন। কেউ আমরা জানিনা অন্তহীন এই পথচলা কার কখন কোথায় থেমে যাবে তবে নিরন্তর বয়ে চলার মাঝেই আছে বর্ণিল সৃষ্টি, আছে বেঁচে থাকার আনন্দ। পৃথিবীর গতিরেখায় প্রতিটি আবর্তনে সময়ের সাথে সামনে এগিয়ে চলার পথযাত্রায় পিছনে ফিরে তাকালে দু’চোখের আলোয় ভেসে বেড়ায় ঝলমলে সোনালি অতীত। স্মৃতি কাতরতা মানব চরিত্রের এমনই এক নিয়ন্ত্রণহীন বিচিত্র এক অনুভূতি যা নিজের অজান্তেই নিজকে নিয়ে চলে সময়ের ভাঁজে ভাঁজে ফেলে আসা পুরনো ক্যানভাসে। দিনক্ষণ মনে নাই তবে ১৯৭৯ সালের জানুয়ারি মাসের কোনো একদিন আব্বার হাত ধরে হাজির হই বাদশাগঞ্জ পাবলিক হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ভূপেন্দ্র লাল বড়–য়া স্যারের অফিস কক্ষে। সেই সময়ে বাদশাগঞ্জ পাবলিক হাই স্কুল প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভালো স্কুল হিসেবে সুপরিচিত ছিল, অনেক গুণীজনের জন্ম দিয়েছে এই বিদ্যাপিঠ। আব্বার সাথে প্রধান শিক্ষকের প্রথম পরিচয়ে প্রথম কথা, ছেলে আমার ভালো রেজাল্ট নিয়ে ৫ম শ্রেণি পাশ করেছে। তাকে আপনার স্কুলে ভর্তি করতে এসেছি প্রায় ২০ মাইল পথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দিয়ে। শুধু ছেলের একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার আশায়। আমার বিশ্বাস ভালো স্কুলে ভর্তি হলে আমার ছেলের ভবিষ্যৎটাও ভালো হবে। হেড স্যারের ইচ্ছায় একদিনেই ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ, থাকার জায়গা হলো বাদশাগঞ্জ থেকে প্রায় তিন-চার মাইল দূরে আমার ভগ্নিপতির বাড়ি, গ্রামের নাম গাভী। যাত্রা শুরু হলো নতুন এক অধ্যায়ের, নিজ গ্রাম ছেড়ে ছেলেবেলার খেলার সাথীদের দূরে ফেলে নতুন আঙ্গিনায় অজানা পরিবেশ, সামনে ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণের হাতছানি। প্রতিদিন তিন-চার মাইল রাস্তা পায়ে হেঁটে স্কুলে যাই আর একই পথ পাড়ি দিয়ে স্কুল থেকে ফিরে আসি। বইপত্র রেখে সোজা খেলার মাঠ, নতুন নতুন বন্ধু তৈরি, আড্ডা, পাড়া বেড়ানো এসবেই দিন পার, লেখাপড়ায় কোনো মন নেই। মাত্র এগার-বার বছরের একটা দূরন্ত কিশোর তার জীবনের সকল সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে হয়, পড়ালেখার কোনো চাপ নেই, শাসন করার কেউ নেই, মনে যা ইচ্ছা তাই করা যায়, এমন অবাধ স্বাধীনতায় আমি প্রায় ক্লান্ত। কোনো কিছুই মনে ধরেনা, শুধু মায়ের জন্য মন কাঁদে, জড়িয়ে ধরে মায়ের বুকে লুকিয়ে মা’র আদর পেতে ইচ্ছে করে। পনের-বিশ দিন পার না হতেই দীর্ঘ বিশ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে মায়ের টানে বাড়ি ফেরা। এভাবেই চলতো আমার স্কুল জীবনের প্রথম দিনগুলো। প্রতি মাসে অন্তত দু-একবার বাড়িতে যেতাম, বাড়ি গেলে মাকে ছেড়ে আসতে মন চাইত না। যেদিন বাড়ি থেকে হোস্টেলে ফিরে আসতে হতো সেদিনটি হতো আমার জন্য ভীষণ কষ্টের একটা দিন। সকালবেলা মা রান্না-বান্না শেষ করে আমাকে ঘুম থেকে তুলে নিজ হাতে খাইয়ে কাপড়-চোপড় গুছিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত¡না দিত, দেখ বাবা পড়ালেখা না করলে সারাজীবন পস্তাতে হবে, রোদে শরীর পুড়বে, বৃষ্টিতে শরীর ভিজবে ভোগতে হবে সারাজীবন। আমার ছেলের এমন কষ্ট কখনই আমি দেখতে চাই না, মন দিয়ে লেখাপড়া কর তুই বাবা একদিন অনেক বড় হবি। নিজে স্কুল ব্যাগ হাতে নিয়ে বাড়ি থেকে মূল রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দিত। আমি একা হেঁটে চলতাম-যতদূর দেখা যায় মা তাকিয়ে থাকত পেছন পানে, আর আঁচল দিয়ে চোখ মুছতো, আমি শুধু সামনে পথ চলতাম, কবে শেষ হবে এই দীর্ঘ পথ চলা। বার বার পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখতে ইচ্ছে হতো, মা কি এখনো পথ পানে চেয়ে আছে না-কি বাড়ি ফিরে গেছে? কিন্তু খুব বেশি তাকাতে পারতাম না, শেষে মায়ের কষ্ট না আরও বেড়ে যায়। এভাবেই ঘটত আমার বাড়ি থেকে স্কুল হোস্টেলে আসার প্রতিটি যাত্রা। দীর্ঘপথ হেঁটে চলায় শরীর ক্লান্ত হয়ে এলে পথিমধ্যে যাত্রাবিরতি হতো কয়েকটি স্থানে, যেমন-চামরদানী, মধ্যনগর বাজার, গাছতলা ইত্যাদি। বর্তমানে গাছতলা অনেক বড় বাজার, কিন্তু সেই সময়ে শুধু একটা বিরাট আমগাছ ছাড়া কিছুই ছিল না সেখানে, আম গাছের নিচে দাড়িওয়ালা এক বুড়ো বিস্কুট, চা, লজেন্স, সাবান বিক্রি করতো, এটিই ছিল যাত্রা পথের শেষ বিরতি।

দেখতে দেখতে কেটে গেছে ছয় মাস। হঠাৎ একদিন ক্লাসে শ্রেণি শিক্ষক শুনালেন আগামী মাস থেকে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা শুরু, স্কুল ফি জমা দাও, আর পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নাও। পরীক্ষার কথা শুনে মাথায় বাঁজ পড়ল! কি লিখব পরীক্ষার খাতায়!  ক্লাসের সবগুলো বই একবার উল্টিয়েও দেখিনি, কোনো প্রকার প্রস্তুতি ছাড়াই অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিলাম। পরীক্ষার ফলাফল দাঁড়ালো সকল বিষয়ে ফেল। বাড়িতে গিয়ে ফলাফল আব্বাকে জানালাম, পরের দিনই আমাকে নিয়ে আব্বা বাদশাগঞ্জ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষে আবার এসে হাজির। আমার ছেলেতো এতো খারাপ ছাত্র ছিলনা যে সকল বিষয়ে ফেল, বুঝতে পারছি তাকে যেখানে রাখা হয়েছে সেখানে পড়ালেখার ভালো পরিবেশ নেই। আমি আমার ছেলেকে স্কুল হোস্টেলে রেখে লেখাপড়া করাতে চাই, দয়া করে ব্যবস্থা করে দিন। হেডমাস্টার সাহেব হোস্টেল সুপার বজলু স্যারকে ডাকলেন এবং ঐদিন থেকেই স্কুল হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থা হয়ে গেল। হোস্টেলের সামনে দিয়ে বয়ে গেছে মনাই নদী, পশ্চিম পাশে বিশাল খেলার মাঠ, আবার শুরু হলো আমার নতুন পরিবেশে নতুন যাত্রা। ছাত্রাবাসে অনেকেই নিজ থেকে আমার সাথে কথা বলতে আসতো, একে অন্যের সুখ-দুঃখের কথা শেয়ার করতো, হোস্টেল সুপার বজলু স্যারের শাসন, সন্ধ্যায় নিয়মিত হারিকেনের আলোতে পড়তে বসা, এসব নিয়ম মেনে চলতে হতো। প্রতিদিন সকাল দশ’টায় ক্লাস শুরু হওয়ার পূর্বে সকল ছাত্র ছাত্রীদের স্কুল মাঠে অ্যাসেম্বলিতে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক ছিল, জাতীয় সংগীতের সাথে পতাকা উত্তোলন এবং শপথ বাক্য পাঠ এই রীতি চলমান ছিল সেই সময়ে। অ্যাসেম্বলিতে অংশগ্রহণ না করে ফাঁকি দিয়ে ছাত্রদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তো সফল হতে পারত, কিন্তু আমার বেলায় তা সম্ভব ছিল না। কারণ প্রতিদিন অ্যাসেম্বলিতে শপথ বাক্য পাঠ করানোর দায়িত্ব ছিল আমার ওপর। হোস্টেল সুপার বজলু স্যার কেন যেন আমাকে খুব একটা পছন্দ করতেন না, আমার মনে হতো অন্য ছাত্রদের সাথে উনার যে আচরণ আমার বেলায় তা থেকে কিছুটা ভিন্ন, এর কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছি, তেমন কিছুই পাইনি, তবে মনে হতো আমার অধিক দুষ্টুমি এর কারণ হতে পারে। প্রধান শিক্ষক ভূপেন্দ্রলাল স্যার আমাকে আবার খুব পছন্দ করতেন, স্কুল আঙ্গিনার সামনে দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে বয়ে চলা মনাই নদীতে বিকেলে উনি যখন ছিপ দিয়ে মাছ ধরতে যেতেন সহযোগী হিসেবে আমাকেও সাথে নিতেন, মাঝে মধ্যে উনার জন্য রান্না করা খাবারও আমাকে খেতে দিতেন, আমার ভালো-মন্দ খোঁজ নিতেন, আমার প্রতি উনার এই ব্যবহার আমি খুব উপভোগ করতাম। স্কুল জীবনের একটা মজার স্মৃতি খুব মনে পড়ে। স্কুল কম্পাউন্ডের মাঝখানে ছিল অনেকগুলো নারকেল গাছ। শিক্ষকরা আমাদের দিয়ে নারকেল পাড়াতেন আর মজা করে খেতেন, খাওয়ার সময় আমাদের ডাকতেন না, এই নিয়ে হোস্টেল ছাত্রদের মধ্যেও বেশ অসন্তোষ ছিল। একদিন মাঝরাতে কয়েকজন হোস্টেল ছাত্র বসে সিদ্ধান্ত নেই নারকেল চুরি করে সবাই মিলে খাব, প্রস্তাব দেওয়ার সাথে সাথে সবাই রাজি। শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকম-লী মজা করে ডাব, নারকেল খাবেন আমরা শুধু চেয়ে চেয়ে দেখব তা বেশিদিন আর চলতে দেওয়া যায় না। নারকেল খেতে সবাই রাজি কিন্তু এত রাতে গাছে উঠতে কেউ রাজি না, পরিশেষে সবার সিদ্ধান্তে স্থির হলো আমাকেই গাছে উঠতে হবে। স্কুল নাইট গার্ড মোঃ আমীর আলী টর্চলাইটের তীর্যক আলো জ্বালিয়ে রাতের বেলায় কম্পাউন্ড পাহারা দেয়। গাছে উঠতেই নারকেল পাতার ঝরঝর শব্দ, নাইটগার্ড আমীর টর্চলাইট উঁচু করে দৌড়ে হাজির, কে কে স্বরে চিৎকার করে টর্চ মারল নারকেল গাছের উপরে, পাতার আড়ালে থাকায় সে কিছুই দেখতে পেল না। বাকি ছাত্ররা যে যার মতো লুকিয়ে পড়লো। নাইটগার্ড একটু দূরে যেতেই আবার নারকেল পাতার ঝরঝর শব্দ। এবার বেচারা আমীর আলী মনে হয় একটু ভয়ই পেল, তার মুখে বিড় বিড় কিছু একটা শুনা গেলো-নারকেল গাছে ভূতের আঁচড় পড়েছে বুঝি! এরপর তাকে আর দেখা গেল না। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাকি ছাত্ররা যে যার মতো হাজির, গাছে যত নারকেল ছিল সবই পাড়া হলো, পুরো গাছতলা ডাব, নারকেল ছাড়া আর কিছুই দেখা গেল না। সবাই মিলে যতক্ষণ পারা যায়, তৃপ্তি ভরে নারকেল খেলাম, বোর্ডিং-এ যারা ঘুমিয়ে ছিল ঘুম থেকে সিনিয়র ভাইদেরও তুলে নারকেল খাওয়ালাম। নতুন সমস্যা দেখা দিল ডাব-নারকেলের ছোবড়া-উচ্ছিষ্ট ফেলব কোথায় আর সকালে উঠে যদি ধরা খাই তাহলে কি হবে? গাছে উঠার আগে কখনো এই ভাবনা মাথায় আসেনি। আমার মাথায় নতুন এক ফন্দি এসে ভর করলো, আমি প্রস্তাব দিলাম চল সব নারকেলের ছোবড়া বজলু স্যারের দরজার সামনে স্তূপ করে রেখে আসি, যা ঘটার ঘটবে- সকালবেলা তা দেখা যাবে। আমার প্রস্তাবে প্রায় সবারই আপত্তি, কিন্তু আমি অনড়। নিজেদের মধ্যে বিভক্তির ভয়ে শেষে সবাই রাজি হলো, বজলু স্যারের দরজার সামনেই সমস্ত নারকেলের ছোবড়া, সকালবেলা দরজা খোলার আর উপায় নেই।

গভীর রাতে সবাই ঘুমাতে গেলাম। সকাল হতেই প্রচণ্ড হইচই চিৎকার চেঁচামেচি, জোর গলার আওয়াজ শুনা যাচ্ছে, বাতেন ছাড়া এই কাজ আর কেউ করতে পারে না। হোস্টেল সুপার বজলু স্যার রেগে ছটফট করছেন, শিক্ষকদের সকলের সন্দেহের তীরও আমার দিকে। বজলু স্যার ইতোমধ্যে তদন্ত কাজ শুরু করে দিয়েছেন, তদন্ত শেষে ফলাফলও তিনি পেয়ে গেছেন, আমার নেতৃত্বেই এই কাজ হয়েছে, তিনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন আমাকে আজই বোর্ডিং ছাড়তে হবে, এমন বাজে ছেলেকে বোডিং-এ রাখা সমীচীন নয়। বজলু স্যার সবার সামনে কড়া ভাষায় আমাকে বলে গেলেন তোর বিছানাপত্র গুছিয়ে নে, আজ বিকালের মধ্যে বোর্ডিং ছেড়ে চলে যেতে হবে। এই আদেশে বোর্ডিং এর সকল ছাত্রের চোখে-মুখে শোকের ছায়া নেমে এলো, কেউই তা মানতে পারছে না, সবার মুখ মলিন কিন্তু কারোর প্রতিবাদ করার সাহস নাই। ভাবতে লাগলাম অকাজ করলাম সবাই মিলে আর দায়ভার শুধু আমার একার। কান্নায় দু’চোখ ভিঁজে আসছিল- সহপাঠীদের সামনে তা আর লুকানো গেল না, এমন পরিস্থিতিতে কি করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। উপায় অন্তর না দেখে আমি চলে গেলাম হেডস্যারের রুমে, ঢুকেই হেড স্যারকে কান্না ভেজা কন্ঠে বললাম, স্যার আমি হোস্টেল ছেড়ে চলে যাচ্ছি। হেডস্যারের প্রশ্ন, তোর কি সমস্যা হয়েছে খুলে বল শুনি? বজলু স্যারের আদেশ আজ বিকালের মধ্যেই আমাকে বোর্ডিং ছাড়তে হবে, আমি নাকি হোস্টেলের বাকি সব ছাত্রদের নষ্ট করে ফেলছি। বিছানাপত্র গুছিয়ে আপনার কাছে শেষ বিদায় নিতে এলাম, আপনার অনুমতি পেলেই চলে যাব। হেডস্যারতো অবাক, বলিস কি? সর্বশক্তি প্রয়োগ করে কলিংবেল চাপলেন ঢংঢং করে বিকট শব্দ, দপ্তরি হন্ত-দন্ত করে এসে হাজির। এক্ষণি বজলু মাস্টারকে আমার রুমে আসতে বল, বজলু স্যার এসে হাজির, ঢুকেই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগনামা সবটুকু পাঠ করে শুনালেন হেডস্যারকে। অভিযোগনামা শুনে হেডস্যার যে বাক্যগুলো বজলু স্যারকে বললেন তা হলো- ‘মাথায় প্রচ- ব্যথা হলে ওষুধ খাইয়ে মাথা ব্যথা সারাতে হয়, মাথা কেটে ফেলা যায় না, বুঝলেন বজলু সাহেব। আমি বীর দর্পে মনের আনন্দে বোর্ডিং এর সামনে আসতেই ছাত্ররা আমাকে ঘিরে ধরল। কি-রে সিদ্ধান্ত কি হলো? তুই থাকছিস, নাকি বিদায়! সিদ্ধান্ত শুনে ছাত্রদের মনে আনন্দের আর সীমা রইল না, সকলের চোখে-মুখে আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের অভিব্যক্তি, আর আমি দেখেছি সবার চোখে আমার প্রতি ভালোবাসা যা মনে করে আজও অনেক আনন্দ পাই।

  লেখক : ডিআইজি, রাজশাহী রেঞ্জ

Share and Spread the Love

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *