ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

ডিটেকটিভ ডেস্ক

নৌপথে মানুষের আস্থার প্রতীক নৌ পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশের এক বিশেষায়িত ইউনিট। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে নৌ পুলিশ গঠনের ধারণা দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর নৌ পুলিশের সৃষ্টি হয়। নৌ পুলিশের প্রশাসনিক ও অপারেশনাল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার লক্ষ্যে ১১টি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। এ সব অঞ্চলের অধীনে রয়েছে মোট ১৪টি নৌ থানা ও ১০৩টি নৌ ফাঁড়ি। এর সদরদপ্তর ঢাকায় অবস্থিত। এক জন অতিরিক্ত আইজিপি, তিন জন অতিরিক্ত ডিআইজি, ১৪ জন পুলিশ সুপার সহ পুলিশের এ ইউনিটে মোট মঞ্জুরীকৃত জনবলের বর্তমান সংখ্যা দুই হাজার ৪৩৫ জন। নৌ পুলিশে বর্তমানে কর্মরত মোট জনবলের সংখ্যা এক হাজার ৯৯৬ জন।

লজিস্টিকস্ : নৌ পুলিশে সর্বমোট জলযানের সংখ্যা ৮৬টি এবং মটরযানের সংখ্যা ১৩৭টি। এছাড়া বর্ধিত চাহিদার ভিত্তিতে যানবাহন বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নৌ পুলিশের কার্যাবলি

নৌ পুলিশ বিধিমালা ২০২০ এর বিধি ৭ অনুযায়ী নৌ পুলিশের কার্যাবলি নিম্নরূপ-

(ক) অধিক্ষেত্রে নৌচলাচল, মালামাল পরিবহন, যাত্রী চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আমদানি-রপ্তানির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ; 

(খ) অধিক্ষেত্রে চলাচলকারী সব ধরনের নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী বহন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং কোনো নৌ স্থাপনা বা নৌযানে অবৈধ টোল আদায় বন্ধের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট আইনে দেওয়া ক্ষমতার আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(গ)       ফেরি এবং ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট, লঞ্চ টার্মিনাল, নৌ টার্মিনাল ও নোঙ্গর ঘাটসহ (berthing) সংশ্লিষ্ট যাত্রী বিরতি স্থানের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ;

(ঘ) অধিক্ষেত্রে চোরাচালান, মাদক পাচার, মানব পাচার, অবৈধ অস্ত্র এবং অন্যান্য সংঘবদ্ধ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের (Transnational organized crime) বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ;

(ঙ)       নদীর গতিপথ বাধাগ্রস্তকরণ, নাব্য নৌপথে বিঘ্ন সৃষ্টি, নাব্য নৌপথের নাব্যতা পরিবর্তন, অবৈধ খনন, অবৈধভাবে বালি উত্তোলন, অবৈধ দখল ও ভরাট সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন বা লঙ্ঘনের চেষ্টার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইনের অধীন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(চ) নৌযানের রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসসহ অন্য কোনো অনিয়মের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইনের অধীন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(ছ) অধিক্ষেত্রের মধ্যে সুষ্ঠু নৌ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ;

(জ) নৌ দুর্ঘটনা রোধকল্পে নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ;

(ঝ) অধিক্ষেত্রে মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইনে দেওয়া ক্ষমতার আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(ঞ) অধিক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ;

(ট) অপরাধ প্রতিরোধকরণের লক্ষ্যে অধিক্ষেত্রে সংঘটিত অপরাধজনক ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং পুলিশের সংশ্লিষ্ট অন্য ইউনিটগুলোর সঙ্গে ওই তথ্যাদি বিনিময়; এবং

(ঠ) আইন, এই বিধিমালা, মহাপুলিশ পরিদর্শক বা সরকার কর্তৃক, সময় সময়, অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন।

অপারেশনাল কার্যক্রম

নৌ পুলিশ নৌ চলাচলে শৃঙ্খলা আনা, নদীদূষণ ও দখলরোধ, মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও সংরক্ষণ, নদী পথে চাঁদাবাজি বন্ধসহ নদীর পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন কাজ করে আসছে।

মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও সংরক্ষণ মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও সংরক্ষণে নৌ পুলিশ নানামুখী অভিযান পরিচালনা করে থাকে। তন্মধ্যে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে অভিযান, কারেন্ট জালের উৎসে অভিযান, বানা/ঝোপ অপসারণ অভিযান, ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান, সমুদ্রসীমায় অভিযান, হালদা নদীতে অভিযান, কাপ্তাই লেকে অভিযান ও সুন্দরবনে অভিযান উল্লেখযোগ্য। এ সব অভিযান পরিচালনার ফলে মাছের প্রাকৃতিক উৎসে উল্লেখযোগ্য হারে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

মা ইলিশ সংরক্ষণে নৌ পুলিশের অভিযানের

২০১৯-২০২০ অর্থবছরে জিডিপিতে দেশজ মাছের অবদান ৩ দশমিক ৫ শতাংশ, যার মূল্যমান আনুমানিক ৮২ হাজার ৪৫৭ কোটি  টাকা, যার মধ্যে ইলিশের অবদান ১ শতাংশের অধিক; যার মূল্যমান আনুমানিক ২৪ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা। গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে উৎপাদিত ইলিশের পরিমাণ আনুমানিক ৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্টিক টন, যার মূল্যমান ২৪ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা এবং ২০২০-২০২১ অর্থবছরে নৌ পুলিশ অবৈধ জালের উৎসে অভিযান পরিচালনাসহ নিষিদ্ধকালীন সময়ে নদীতে মাছ ধরা বন্ধে অধিক তৎপরতা, জেলেদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও সরকারি বিভিন্ন কর্ম পরিকল্পনার বাস্তবায়নের ফলে ছয় লাখ মেট্টিক টন মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে; যার আনুমানিক মূল্য দাঁড়াবে ২৭ হাজার কোটি টাকা।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও কার্যক্রম

নৌ পুলিশ নৌপথে নৌচলাচল, মালামাল পরিবহন, যাত্রী চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আমদানি-রপ্তানির নিরাপত্তা দেওয়াসহ ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট, লঞ্চ টার্মিনাল, নৌ টার্মিনাল, নোঙ্গর ঘাট এবং লঞ্চ, ফেরি ও যাত্রী বিরতির স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে। এছাড়া নৌ পুলিশের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে নদীপথে দৃশ্যমান চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি কমে গেছে এবং নৌঘাট ও টার্মিনালগুলো অপরাধ মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

সাল      মামলা সংখ্যা

২০১৯   ১২০টি

২০২০  ৫২৬টি

২০২১   ৪১০টি

বানা/ঝোপ অপসারণ

নৌ পুলিশ মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে স্থানীয়ভাবে মাছ শিকারের ক্ষতিকর পদ্ধতি বানা/ঝোপ অপসারণে নিয়মিতভাবে অভিযান করে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত নৌ পুলিশের অভিযানে মোট ২৯৭টি বানা/ঝোপ অপসারণ করা হয়েছে।

জলদস্যুতারোধে অভিযান

নৌ পুলিশ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে গঠিত সিন্ডিকেটের উপরে কঠোর নজরদারিসহ নতুন করে যেন জলদস্যুতার উত্থান না ঘটে, সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

সুন্দরবনের জীব বৈচিত্র্য রক্ষা ও বিষ দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে অভিযান

সুন্দরবনের জীব বৈচিত্র্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হলো বিষ দিয়ে মাছ শিকার করা। বিষ দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে সুন্দরবনের প্রবেশ এলাকাগুলোর নৌ পুলিশের ৯টি স্টেশন কাজ করছে। আরো চারটি নৌ পুলিশ স্টেশন সুন্দরবনের অভ্যন্তরে স্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান।

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান

নৌ পুলিশ বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০-এর অধীনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা ও মামলা দেওয়ার কারণে বর্তমানে অনেক নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

পরিবেশদূষণ রোধে অভিযান

পরিবেশ দূষণরোধে নৌ পুলিশ কার্যক্রম শুরু করেছে। ২০২০ সালে নদী দখল ও দূষণ এবং নদীর অনিষ্টসাধনে মোট ১৫টি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।

বিপন্নপ্রায় ডলফিনের আবাস নিরাপদকরণ 

নৌ পুলিশ নদীর বিপন্নপ্রায় গাঙ্গেয় ডলফিন সংরক্ষণের জন্য চোরা জাল স্থাপন, ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন ও বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা এবং নদীর গুরুত্বপূর্ণ অংশে সিসিটিভি স্থাপন করার ফলে হালদায় মা ডলফিন ও বাচ্চা ডলফিনের বিচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

নৌ ট্রাফিক ও নৌযান ব্যবস্থাপনা

নৌ পথে শৃংঙ্খলা আনয়নের লক্ষ্যে নৌ পুলিশ প্রতিটি নৌযানের রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস যাচাই, নৌযান পরিচালনাকারীদের বিভিন্ন অনিয়মের (অতিরিক্ত যাত্রী বহন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং নৌ স্থাপনা ও নৌযানে অবৈধ টোল আদায়) বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। নৌ পথে নৌ পুলিশর নিয়মিত টহলের ফলে রাত্রীকালীন বাল্কহেড চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নৌ দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে এসেছে।

পর্যটক/নৌযাত্রী/মৃতদেহ/অপহৃত ব্যক্তি/নিখোঁজ শিক্ষার্থী উদ্ধার

২০২০ সালে নৌ পুলিশ ২৪৬টি মৃতদেহ, ৯৯৯ থেকে কল পেয়ে ৫৯ জন যাত্রী এবং ৫৩ জন শিক্ষার্থী, দুর্ঘটনা কবলিত জাহাজ থেকে ১,১৩০ জন যাত্রী এবং ৪৬ জন পর্যটক উদ্ধার করে প্রথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের আত্মীয়-স্বজন-এর কাছে হস্থান্তর করে।

দুর্যোগ মোকাবেলা

নৌ পুলিশ প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং ঘূর্ণিঝড়-পূর্ব সময়ে জনসাধারণকে সতর্ক এবং নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে সাহায্য করে। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে উপকূলবর্তী মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত বাসস্থান মেরামত, ভেঙে যাওয়া বাঁধসংস্কার এবং রাস্তাঘাট থেকে গাছের ডালপালা অপসারণ করা ও জনগণের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিতকরণে নৌ পুলিশ কাজ করে থাকে। বিগত ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবেলায় নৌ পুলিশ বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়াও করোনা মহামারি প্রতিরোধে নৌ পুলিশ সদরঘাটসহ বিভিন্ন লঞ্চ টার্মিনালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ, অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে।

ওয়েলফেয়ার কো-ওপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড গঠন

বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান ইন্সপেক্টর জেনারেল ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার)-এর দিকনির্দেশনা ও প্রণোদনায় ২০২১ সালে নৌ পুলিশ ওয়েলফেয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নৌ পুলিশের এ ওয়েলফেয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের অধীন একটি সুবিশাল আধুনিক জাহাজ ও একটি লঞ্চ সংযোজন করা হয়েছে।

ইনোভেশন অ্যান্ড বেস্ট প্রেকটিস 

জীব বৈচিত্র্য রক্ষা এবং সংবেদনশীল এলাকা ও উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান এলাকাগুলো সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে মনিটরিং করার জন্য নৌ পুলিশ সদরদপ্তরে একটি অত্যাধুনিক কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে। নৌ পথে চলাচলরত যেকোনো দুর্যোগ/দুর্ঘটনা মোকাবেলায় সব নৌ যানে চ্যানেল-১৬-এর মাধ্যমে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে।

ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা

– নৌ পুলিশের সব স্টেশনকে আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পন্ন নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করা,

– নিজস্ব ডকইয়ার্ড ও Berthing Station নির্মাণ করা,

– নৌ পুলিশের প্রত্যেকটি স্টেশনকে আধুনিক লজিস্টিকস্ সক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিটে রূপান্তর করা,

– Jack of All Trades & Master of One -এ নীতিকে সামনে রেখে নৌ পুলিশের সব সদস্যকে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একাধিক বিষয়ে পারদর্শী করা,

– UNODC এর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতায় নৌ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে লজিস্টিক সার্পোটগুলো দ্রুততম সময়ে নৌ পুলিশে অন্তর্ভুক্ত করা।

– বাগেরহাটের রামপালে নির্মাণাধীন আধুনিক ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

উপসংহার

নৌ পুলিশ ২০১৩ সালে গঠনের পর থেকে নদী রক্ষায় ও নদীর সম্পদ সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। জীববৈচিত্র্য রক্ষায়, নৌ পথের নিরাপত্তা, নৌযান ব্যবস্থাপনাসহ অবৈধভাবে নদী দখল, অবকাঠামো নির্মাণ ও বালু উত্তোলনে নৌ পুলিশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখতে নৌ পুলিশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *