ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

মোঃ ইউসুফ আলী

কনস্টেবল/নায়েক হতে এএসআই (নিঃ) এবং এএসআই (নিঃ) হতে এসআই (নিঃ)

পুলিশের অধস্তন কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের জন্য ২০২০ সাল হতে নতুন পদ্ধতিতে পুলিশ বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা চালু হয়েছে।

ডিটেকটিভ পত্রিকায় প্রতি সংখ্যায় বিভাগীয় পদোন্নতি সহায়ক হিসেবে লিখিত ও গঈছ অনুশীলনী প্রকাশিত হচ্ছে। লিখিত এবং গঈছ অনুশীলনের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীবৃন্দ উপকৃত হবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। এ সংখ্যায় প্রকাশিত হলো পুলিশ আইন থেকে প্রশ্নোত্তর।

বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার

 গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও প্রশ্নোত্তর

পুলিশ আইন

(উত্তর শেষ পাতায়)

০১ । পুলিশ আইন কত সালে এবং কত নং আইন?

  (ক) ১৮৬০ সালের ৫ নং  (খ) ১৯৬১ সালের ৫ নং

  (গ) ১৮৬১ সালের ৫ নং   (ঘ) ১৮৮২ সালের ৫ নং

০২। কেন পুলিশ আইনকে পাঁচ আইন বলা হয়?

  (ক) ১৮৬০ সালের ৫ নং আইন হওয়ায় কারণে

  (খ) ১৮৬২ সালের ৫ নং হওয়ার কারণে

  (গ) ১৮৬১ সালের ৫ নং  আইন হওয়ার কারণে

  (ঘ) ১৮৮২ সালের ৫ নং হওয়ার কারণে

০৩। পুলিশ আইনে মোট কতটি ধারা সন্নিবেশিত আছে? 

  (ক) ৪৪ টি            (খ) ৪৫ টি

  (গ) ৪৬ টি            (ঘ) ৪৭ টি

০৪। পুলিশের আইজিপি মহোদয় দেশের সকল জেলায় ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতার প্রয়োগ করতে পারেন পুলিশ আইন কত ধারা?

  (ক) ১২ ধারা          (খ) ৫ ধারা

  (গ) ২৮ ধারা                   (ঘ) ৮ ধারায়

০৫। পুলিশের আইজিপি মহোদয় কখন ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতার প্রয়োগ করতে পারেন?  

  (ক) দাঙ্গা হাঙ্গামার জন্য         (খ) দেশের আইন শৃঙ্খলার জন্য

  (গ) বেআইনি সামাবেশ রক্ষার জন্য      (ঘ) ক,খ,গ ধারা

০৬। পুলিশের আইজিপি মহোদয় কার নির্দেশে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতার প্রয়োগ করতে পারেন?

  (ক) সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে প্রদত্ত আদেশ বলে

  (খ)  নিজ ক্ষমতাবলে

  (গ) নিজের ইচ্ছামতো     (ঘ) কোনোটিই নয়

০৭। কোন অযোগ্যতা, দোষ-ত্রুটি বা কর্তব্যে অবহেলার দরুন পুলিশ কর্মচারীকে কোন পদের পুলিশ অফিসার শাস্তি প্রদান করতে পারেন।

  (ক) ইন্সপেক্টর জেনারেল                   (খ) ডিআইজি

  (গ) সহকারী আইজি এবং পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট    (ঘ) সবগুলো

০৮। পুলিশের বিভাগীয় দ- কত প্রকার?

  (ক) ২ প্রকার                   (খ) ৪ প্রকার

  (গ) ৫ প্রকার                   (ঘ) ৭ প্রকার

০৯। গুরুদণ্ডের বিরুদ্ধে কি করতে হয়?

  (ক) আপিল করা যায়           (খ) আপিল করা যায় না

  (গ) আপিল করা চলে এবং ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিং করতে হয়

  (ঘ) প্রসিডিং করা যায় না

১০। লঘুদণ্ডের বিরুদ্ধে কি করতে হয়?

  (ক) আপিল নাই এবং ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিং করতে না                  (খ) প্রসিডিং করা যায় না       (গ) আপিল করা যায়

  (ঘ) আপিল করা যায় না

১১। সাসপেনশনকে কি বলা হয়?

  (ক) কর্ম হতে বিরত থাকা

  (খ) কিছু দিনের জন্য কর্মচ্যুতিকে বিশেষ দ- বলা হয়

  (গ) কর্মে যোগদান           (ঘ) কোন কাজ করা  বা না করা

১২। ডিসমিস্যাল হলে চাকরিতে নিয়োগ প্রদান করা যায় কি না?

  (ক) নিষিদ্ধ হয়               (খ) কোনটিই নয়

  (গ) নিষিদ্ধ হয় না            (ঘ) পেতে পারেন

১৩। প্রত্যেক পুলিশ কর্মচারী চাকরিতে নিযুক্ত হলে একটি নিয়োগপত্র পাবেন, পুলিশ আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?

  (ক) ৭ ধারায়                    (খ) ৮ ধারায়

  (গ) ৯ ধারায়          (ঘ) ১০ ধারায়

১৪। পুলিশের চাকরি ইস্তফা দিতে হলে উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসের নিকট কত মাস পূর্বে লিখিত নোটিশ দিতে হবে?

  (ক) ৩ মাস পূর্বে              (খ) ৩ মাস পরে

  (গ) ২ মাস পরে               (ঘ) ২ মাস পূর্বে

১৫। কার লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোনো পুলিশ কর্মচারী অন্য কোনো চাকরি বা ব্যবসা করতে পারবে না?

  (ক) এআইজি                 (খ) আইজিপি

  (গ) পুলিশ সুপার             (ঘ) ডিআইজি

১৬। অতিরিক্ত পুলিশ কার নির্দেশে মোতায়েন করা হয়?

  (ক) আইজিপি                (খ) অফিসার ইনচার্জের

  (গ) গণ্যমান্য কোনো ব্যক্তির      (ঘ) ম্যাজিস্ট্রেট ও আইজিপি

১৭। অতিরিক্ত পুলিশের ব্যয়ভার বহন করবেন কে?

  (ক) আবেদনকারী                     (খ) পুলিশ সুপার 

  (গ) সরকার           (ঘ) অফিসার ইনচার্জ

১৮। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার পর উঠিয়ে নেওয়ার জন্য কয় মাস আগে আবেদনের মাধ্যমে জানাতে হবে?

  (ক) ১ মাস আগে             (খ) ২ মাস আগে

  (গ) ৩ মাস আগে             (ঘ) ২৫ দিন আগে

১৯। পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল সরকারের অনুমোদনক্রমে এবং গেজেটে প্রকাশিত আদেশবলে রেলওয়ে রক্ষী বাহিনীকে পুলিশ বাহিনীতে রূপান্তরিত করতে পারেন, পুলিশ আইন কত ধারায় বলা আছে।

  (ক) ১২ ধারায়                  (খ) ১৫ ধারায়

  (গ) ১৩ ধারায়                  (ঘ) ১৪-ক ধারায়

২০। অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনীকে সাধারণ ভাষায় কি বলে?

  (ক)punativa police     (খ)punitive police

  (গ)positive police       (ঘ) কোনোটিই নয়

২১। পিটুনী কর কোন পুলিশ আদায় করে।

  (ক)  অতিরিক্ত ব্যক্তি        (খ) অতিরিক্ত যে দায়িত্বে থাকে

  (গ) অতিরিক্ত পুলিশ        (ঘ) বিশেষ পুলিশ

২২। পিটুনী কর কার কাছ থেকে আদায় করা হয়।

  (ক) সেই এলাকার অধিবাসীগণের নিকট হতে

  (খ) কোনো সরকারি ব্যক্তির থেকে  (গ) জনগণের কাছ থেকে

  (ঘ) সাধারণ ব্যক্তির থেকে

২৩। উপদ্রুত অঞ্চল দুর্বৃত্তগণের দুষ্কর্মের ফরে যদি কার মৃত্যু ঘটে এবং সম্পত্তির ক্ষতি হয়, তবে সেইরূপ ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ জন্য আবেদন করবেন।

  (ক) দুই মাসের মধ্যে        (খ) নির্ধারিত স্বল্প সময়ের মধ্যে 

  (গ) ক্ষতির তারিখ হতে এক  মাসের মধ্যে        (ঘ)  খ ও গ

২৪। উপদ্রুত অঞ্চল দুর্বৃত্তগণের দুষ্কর্মের ফরে যদি কার মৃত্যু ঘটে এবং সম্পত্তির ক্ষতি হয়, তবে সেইরূপ ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ জন্য কার নিকট আবেদন করবেন।

  (ক) আইজিপির নিকট     (খ) জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে

  (গ) ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট (ঘ) পুলিশ সুপারের নিকট

২৫। উপদ্রুত অঞ্চল দুর্বৃত্তগণের দুষ্কর্মের ফলে যদি কার মৃত্যু ঘটে এবং সম্পত্তির ক্ষতি হয়, পুলিশ আইনে কত ধারায় বলা আছে।

  (ক) ১৫ ধারায়                 (খ) ১৫-ক ধারায়

  (গ) ১৬ ধারায়                  (ঘ) ১৭ ধারায়

২৬। স্পেশাল পুলিশকে নিয়োগ করেন?

  (ক) পুলিশ সুপার             (খ) অফিসার ইনচার্জ

  (গ) ম্যাজিস্ট্রেট               (ঘ) আইজিপি

২৭। কোনো স্থানে বেআইনি জনতা বা দাঙ্গা হাঙ্গামা অথবা ব্যাপক শান্তিভঙ্গ ঘটলে অথবা চোরাচালান আইনে কোনো অপরাধ ঘটলে ইন্সপেক্টর অথবা উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মচারী কার নিকট আবেদন করবেন।

  (ক) পুলিশ সুপার             (খ) অফিসার ইনচার্জ 

  (গ) আইজিপি                 (ঘ) ম্যাজিস্ট্রেট

২৮। স্পেশাল পুলিশ কার আবেদনের প্রেক্ষিতে নিয়োগ করা হয়।

  (ক) পুলিশ অফিসার        (খ) আনসার

  (গ) জনগণের                 (ঘ) কোনোটিই নয়

২৯। স্পেশাল পুলিশ কোন এলাকার মধ্যে হতে নিয়োগ দেওয়া হয়।

  (ক) যে কোনো এলাকার জনগণের মধ্যে হতে

  (খ) সাধারণ জনগণের মধ্য হতে

  (গ) স্থানীয় আদীবাসীগণের মধ্য হতে নিদিষ্ট সংখ্যক ব্যক্তিকে                     (ঘ) কোনোটিই নয়

৩০। স্পেশাল পুলিশ কর্মকর্তাগণের নামের তালিকা তৎক্ষণাৎ কোন পুলিশ

অফিসারের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

  (ক) জেলা পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্টের      (খ) অফিসার ইনচার্জ

  (গ) আইজিপি                           (ঘ) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট

অনুশীলনমূলক প্রশ্নোত্তর

০১। প্রশ্নঃ পুলিশ আইন অনুযায়ী পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলো কি কি আলোচনা করুন?

০১ প্রশ্নের উত্তরঃ

          ১৮৬১ সালে প্রণীত পুলিশ আইনের ২৩ ধারা মোতাবেক পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলো নিম্নে আইন ও বিধি মোতাবেক আলোচনা করা হলো।

পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

১.       কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ দ্রুত পালন করা।

২.       কর্তৃপক্ষের বৈধ পরোয়ানা জারি করা।

৩.      অপরাধের সংবাদ সংগ্রহ করা এবং উর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে জানানো।

৪.       জনগণের বিরক্তিকর কার্য নিবারণ করা।

৫.      অপরাধের প্রকৃত তথ্য উদ্্ঘাটন করা।

৬.      অপরাধীকে আদালতে প্রেরণ করা।

৭.       আইন সঙ্গতভাবে গ্রেফতার যোগ্য সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা।

পুলিশ আইন ২৩ ধারা।

পিআরবি ১১৮ বিধি।

ডিএমপি ১৫, ১৬, ১৭ ধারা।

পুলিশ আইনের ২৪ ধারা মোতাবেক পুলিশ অফিসার যে কোনো অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটেকে সংবাদ দিবেন ইহা পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

পুলিশ আইন ২৪ ধারা।

পিআরবি ২১৩ বিধি।

          পুলিশ অফিসার কোনো সন্দিগ্ধ সম্পত্তি বা বেওয়ারিশ সম্পত্তি পেলে নিজ হেফাজতে নিয়ে এর একটি জব্দ তালিকা তৈরি করে তালিকাসহ পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করা পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

পুলিশ আইন ২৫, ২৬, ২৭ ধারা।

          পুলিশ আইনের ৩১ ধারা মোতাবেক রাজপথে বা জনসাধারণের চলাচলের স্থলে, রাস্তা-ঘাট, হাট বাজারে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে বিবেচিত হবে।

                                             পুলিশ আইন ৩১ ধারা।

পিআরবি ১১৪ বিধি।

          কোনো পৌর এলাকায় যদি কেহ আমলের অযোগ্য অপরাধ করে বা কালো বাজারে উচ্চ মূল্যে কোনো বিনোদনের টিকেট বিক্রি করে তা হলে পুলিশ অফিসার তাকে বিনাপরোয়ানায় গ্রেফতার করা পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

পুলিশ আইন ৩৪, ৩৪(ক) ধারা।

পিআরবি ৩১৬ বিধি।

          কোনো থানা এলাকার সু-সংবাদ বা দুঃসংবাদ এবং পুলিশের দৈনন্দিন কার্যকলাপ জেনারেল ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করা পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

পুলিশ আইন ৪৪ ধারা।

পিআরবি ৩৭৭ বিধি।

নোটঃ

          তবে উল্লেখ থাকে যে, পুলিশ অফিসারের সামনে যদি কোনো আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠিত হয় তা হলে ফৌঃকাঃ বিঃ ১৪৯, ১৫০, ১৫১ ধারা মোতাবেক তা নিবারণ করা পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

ফৌঃকাঃ বিঃ ১৪৯, ১৫০, ১৫১ ধারা।

পিআরবি ১১৮বিধি।

০২। প্রশ্নঃ পুলিশ আইন অনুযায়ী পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব ও কর্তব্য অবহেলার দায়ে কি কি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় আলোচনা করুন।

০২ নং প্রশ্নের উত্তরঃ

          ১৮৬১ সালে প্রণীত পুলিশ আইনের ২৯ ধারা মোতাবেক যে সকল অপরাধের জন্য পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান আছে তা নি¤েœ আলোচনা করা হল।

          ১. নিয়ম রেগুলেশন অমান্য করা।

          ২. কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করা।

          ৩. অত্র আইনের ৯ ধারার বিধান অমান্য করা।

          ৪. ছুটিতে গিয়ে অতিবাস করা।

          ৫. অত্র আইনের ১০ ধারার বিধান অমান্য করা।

          ৬. ভীরুতার অপরাধে অপরাধী হওয়া।

          ৭. পুলিশ হেফাজতে আসামিকে মারধর করা।            

          উপরোক্ত কার্যের জন্য কোন পুলিশ অফিসার দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে বিচার করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে প্রেরণ করা যাবে।

পুলিশ আইন ২৯ ধারা।

পিআরবি ৪৩৪ বিধি।

ডিএমপি অধ্যাদেশ ৪৮ ধারা।

          এছাড়াও পুলিশ আইনের ৭ ধারা মোতাবেক উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারগণ অধঃস্তন পুলিশ কর্মচারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অবহেলার দায়ে ২ (দুই) ধরনের শাস্তি দিয়ে থাকেন।

১. গুরুদ-। ২. লঘুদ-।

গুরুদন্ডঃ

১. চাকরি হতে বরখাস্তকরণ। ২. অপসারণ।  ৩. পদাবনতি।

৪. বেতন বৃদ্ধি স্থগিতকরণ। ৫. পদোন্নতি স্থগিতকরণ।

পুলিশ আইন ৭ ধারা।

ডিএমপি অধ্যাদেশ ১২ ধারা।

লঘুদ-ঃ

১. সতর্ককরণ। ২. তিরস্কার। ৩. অতিরিক্ত ড্রিল।

৪. ফেটিগ ডিউটি। ৫. আটক বা নজরবন্দী।

পুলিশ আইন ৭ ধারা।

পিআরবি ৮৫৭ বিধি।

০৩। প্রশ্নঃ পুলিশ আইন অনুযায়ী কোন কোন অধর্তব্য অপরাধের কারণে পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন এবং কোন কোন পদের পুলিশ অফিসার গ্রেফতারের জন্য ক্ষমতাবান আলোচনা করুন।

০৩ নং প্রশ্নের উত্তরঃ

          ১৮৬১ সালে প্রণীত পুলিশ আইনের ৩৪ ধারা মোতাবেক কোন পৌর এলাকায় অধর্তব্য অপরাধীকে পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন তা নিম্নে আইন ও বিধি মোতাবেক আলোচনা করা হলো।

যে ক্ষেত্রে গ্রেফতার করতে পারেনঃ

১.       অনাবৃত জায়গায় গবাদি পশু জবাই করলে।

২.       নিষ্ঠুরভাবে কোন জীব জন্তুকে মারধর করলে।

৩.      জনগণের অসুবিধা সৃষ্টি করে রাস্তায় গাড়ি ঘোড়া দাঁড় করে রাখলে।

৪.       খোলা জায়গায় বিক্রয়ের জন্য মালামাল ফেলে রাখলে।

৫.      রাস্তায় ময়লা আবর্জনা ফেলে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করলে।

৬.      মাতাল অবস্থায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ালে।

৭.       রাস্তায় মলমূত্র ত্যাগ করলে বা কুৎসিত ব্যধি প্রদর্শন করলে।

৮.      পুকুর-কুয়া বা বিপদ জনক জায়গা না ঘিরে খোলা অবস্থায় রাখলে।

পুলিশ আইন ৩৪ ধারা।

পিআরবি ৩১৬ বিধি।

          পুলিশ আইনের ৩৪(ক) ধারা মোতাবেক কালো বাজারে উচ্চ মূল্যে কোনো বিনোদনের টিকেট বিক্রি করলে পুলিশ অফিসার তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন।

পুলিশ আইন ৩৪(ক) ধারা।

পিআরবি ৩১৬ বিধি।

যে যে পদের পুলিশ অফিসার গ্রেফতার করতে পারেনঃ

          ১৮৯৬১ সালে প্রণীত পুলিশ আইনের ৩৪(ক) ধারা মোতাবেক সাব-ইন্সপেক্টর/সার্জেন্ট পদ হতে উধ্বর্তন পদের পুলিশ অফিসারের সামনে যদি কোনো ব্যক্তি চিত্তবিনোদ স্থলের টিকিট নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করলে উক্ত পুলিশ অফিসারগণ এরূপ অপরাধীকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন।

পুলিশ আইন ৩৪ (ক) ধারা।

 ডিএমপি ৯৩(ক), ১০০ ধারা।                                                                                             পিআরবি ২৫৪,৩১৬ বিধি।

-উত্তর-

১। উত্তর: (গ) ২। উত্তর: (খ) ৩। উত্তর: (ঘ)  ৪। উত্তর: (খ) ৫। উত্তর: (ঘ) ৬। উত্তর: (ক) ৭। উত্তর: (ঘ) ৮। উত্তর: (ক) ৯। উত্তর: (গ) ১০। উত্তর: (ক) ১১। উত্তর: (খ) ১২। উত্তর: (ক) ১৩। উত্তর: (খ) ১৪। উত্তর: (ঘ) ১৫। উত্তর: (খ) ১৬। উত্তর: (ঘ) ১৭। উত্তর: (ক) ১৮। উত্তর: (ক) ১৯। উত্তর: (ঘ) ২০। উত্তর: (খ)  ২১। উত্তর: (গ) ২২। উত্তর: (ক) ২৩। উত্তর: (ঘ) ২৪। উত্তর: (গ) ২৫। উত্তর: (খ) ২৬। উত্তর: (গ) ২৭। উত্তর: (ঘ) ২৮। উত্তর: (ক) ২৯। উত্তর: (গ)  ৩০। উত্তর: (গ)

    লেখক : সাব-ইন্সপেক্টর অব পুলিশ

    সংরক্ষণ অফিসার পরিবহন বিভাগ, ডিএমপি, ঢাকা

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *