ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

মোঃ ইউসুফ আলী

পুলিশের অধস্তন কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের জন্য ২০২০ সাল হতে নতুন পদ্ধতিতে পুলিশ বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা চালু হয়েছে।

ডিটেকটিভ পত্রিকায় প্রতি সংখ্যায় বিভাগীয় পদোন্নতি সহায়ক হিসেবে লিখিত ও MCQ অনুশীলনী প্রকাশিত হচ্ছে। লিখিত এবং MCQ অনুশীলনের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীবৃন্দ উপকৃত হবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।এ সংখ্যায় প্রকাশিত হলো সাক্ষ্য আইন থেকে প্রশ্নোত্তর।

বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার

 গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও প্রশ্নোত্তর

সাক্ষ্য আইন

(উত্তর শেষ পাতায়)

০১। সাক্ষ্য আইন কোন সালের কত নম্বর আইন?

  (ক) জোরপূর্বক গমনে বাধ্য করা  (খ) ১৮৭২ সালের ৫ নং আইন

  (গ) ১৮৭২ সালের ১নং আইন       (ঘ) ১৯৭২ সালের ৫ নং আইন

০২। সাক্ষ্য আইনে মোট ধারা কয়টি?

  (ক) ৫৭ টি                (খ) ৬৭ টি

  (গ) ১৫৭ টি              (ঘ)  ১৬৭ টি

০৩। সাক্ষ্য আইন কোন্ প্রকৃতির আইন?

  (ক) মূল আইন                          (খ) পদ্ধতিগত আইন

  (গ) প্রাকৃতিক আইন  (ঘ) প্রথাসিদ্ধ আইন

০৪। সাক্ষ্য আইনের বৈশিষ্ট্য কোনটি?             

  (ক) বিধিবদ্ধ আইন                   (খ) পদ্ধতিগত আইন

  (গ) ‘ক’ ও ‘খ’ উভয়টি     (ঘ) কোনটি নহে

০৫। কে সাক্ষ্য আইন প্রণয়ন করেন?              

  (ক) Sir Henry Sumner                 (খ) Sir James Stephen

  (গ) Gladstone                  (ঘ) Shakespears 

০৬। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন নিম্নের কোন্ দেশে প্রচলিত আছে?

   (ক) বাংলাদেশ         (খ) ভারত

   (গ) পাকিস্তান          (ঘ) ক’, ‘খ’ ও ‘গ’-এ বর্ণিত সকল দেশে

০৭। যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি এইরূপ দাবি উত্থাপন করে যে অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থল হতে এত দূরে অবস্থান করেছিল যে তার পক্ষে এই অপরাধে অংশগ্রহণ সম্ভব নহে, এইরূপ আর্জিকে কি বলা হয়?

  (ক) Plea of Emmunity                 (খ) Plea of Alibi

  (গ) Plea of Credibilty                   (ঘ) কোনটিই নহে

০৮। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন কোন্ কোন্ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না?                      (ক) ১৯৫২ সালের সেনাবাহিনী আইন অনুসারে গঠিত সামরিক আদালতের ক্ষেত্রে   (খ) ১৫৩ সালের বিমান বাহিনী আইন অনুসারে গঠিত সামরিক আদালতের ক্ষেত্রে

 (গ) ১৯৬১ সালের নৌ-শৃঙ্খলা আইন অনুসারে গঠিত সামরিক আদালতের ক্ষেত্রে     (ঘ) ক’ বা ‘খ’ বা ‘গ’-এ বর্ণিত সকল আদালতের ক্ষেত্রে

০৯। ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সকল কিছুকে বলা হয়-

  (ক) ঘটনা (Facts)                 (খ) বিচার্য বিষয় (Facts in issue)

  (গ) প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant)       (ঘ) ইন্দ্রিয়াতীত

১০। যা প্রমাণিত নহে, আবার মিথ্যা প্রমাণিত নহে-তাকে বলা হয়-

  (ক) Proved                                       (খ) Disproved

  (গ) Not proved                               (ঘ) Conclusive proof

১১। বিচারকালে মৌখিক ও দালিলিক যে সকল বিষয় আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তাকে বলা হয়-

  (ক) সাক্ষী                                (খ) সাক্ষ্য (evidence)

  (গ) মৌখিক সাক্ষ্য     (ঘ) দালিলিক সাক্ষ্য

১২। সাক্ষ্য কত প্রকার?

  (ক) কোন প্রকারভেদ নাই           (খ) ২ প্রকার

  (গ) ৩ প্রকার                           (ঘ) ৪ প্রকার   

১৩। নিম্নের কোন্টি উত্তম সাক্ষ্য (Best evidence)?

  (ক) জনশ্রুত সাক্ষ্য    (খ) প্রাথমিক সাক্ষ্য

  (গ) গৌণ সাক্ষ্য                         (ঘ) অবগত সাক্ষ্য

১৪। কোনটি সাক্ষ্যের শ্রেণিবিভাগ?

  (ক) মৌখিক সাক্ষ্য                     (খ) দালিলিক সাক্ষ্য

  (গ) ক ও ‘খ’                       (ঘ) গৌণ সাক্ষ্য

১৫। সাক্ষ্যের শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কিত সাক্ষ্য আইনের ধারা কত?

  (ক) ৩ ধারা                             (খ) ৪ ধারা

  (গ) ৫ ধারা                              (ঘ) ৫৯ ধারা

১৬। মৌখিক সাক্ষ্য ও দালিলিক সাক্ষ্যের মধ্যে কোন্টি অগ্রাধিকার পাবে?

  (ক) মৌখিক সাক্ষ্য                     (খ) দালিলিক সাক্ষ্য

  (গ) ‘ক’ ও ‘খ’ উভয়টি     (ঘ) কোনটি নহে

১৭। প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct evidence) ও অবস্থাগত সাক্ষ্যের মধ্যে কোন্টি অগ্রাধিকার পাবে?

  (ক) প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য                      (খ) অবস্থাগত সাক্ষ্য

  (গ) ক’ ও ‘খ’ উভয়টি       (ঘ) কোনটি নহে

১৮। প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য ও জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্যের মধ্যে কোন্টি অগ্রাধিকার পাবে?

  (ক) প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য                      (খ) জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্য

  (গ) ক’ ও ‘খ’ উভয়টি       (ঘ) কোনটি নহে

১৯। প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary evidence) ও গৌণ সাক্ষ্যের মধ্যে কোন্টি অগ্রাধিকার পাবে?

  (ক) প্রাথমিক সাক্ষ্য                   (খ) গৌণ সাক্ষ্য

  (গ) ক’ ও ‘খ’ উভয়টি       (ঘ) কোনটি নহে

২০। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষী আদালতে যে বিবৃতি দেয়, তাকে বলা হয়-

  (ক) জনশ্রুত সাক্ষ্য    (খ) প্রাথমিক সাক্ষ্য

  (গ) মৌখিক সাক্ষ্য                     (ঘ) দালিলিক সাক্ষ্য

২১। যে সকল দলিল আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত হয়, তাকে বলা হয়-

  (ক) জনশ্রুত সাক্ষ্য    (খ) প্রাথমিক সাক্ষ্য

  (গ) মৌখিক সাক্ষ্য                     (ঘ) দালিলিক সাক্ষ্য

২২। প্রত্যক্ষ উত্তম সাক্ষ্য থাকিলে অগ্রাহ্য হবে-

  (ক) প্রাথমিক সাক্ষ্য   (খ) গৌণ সাক্ষ্য

  (গ) প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য           (ঘ) মূল দলিল

২৩। কোন্টি উত্তম সাক্ষ্য (Best evidence)?

  (ক) জনশ্রুত সাক্ষ্য    (খ) অবস্থাগত সাক্ষ্য 

  (গ) প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য           (ঘ) শুনা সাক্ষ্য

২৪। কোন্টি উত্তম সাক্ষ্য নহে?

  (ক) জনশ্রুত সাক্ষ্য    (খ) দলিলের বিষয়ে মূল দলিল

  (গ) প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য           (ঘ) প্রাথমিক সাক্ষ্য

২৫। মৌখিক সাক্ষ্য ও দালিলিক সাক্ষ্যের  মধ্যে কোনটি অগ্রাধিকার পাবে না?

  (ক) মৌখিক সাক্ষ্য                     (খ) দালিলিক সাক্ষ্য 

  (গ) ক’ ও ‘খ’                  (ঘ) ‘ক’ বা ‘খ’

২৬। প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct evidence) ও অবস্থাগত সাক্ষ্যের মধ্যে কোন্টি অগ্রাধিকার পাবে না?

  (ক) প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য                      (খ) অবস্থাগত সাক্ষ্য

  (গ) ক’ ও ‘খ’                  (ঘ) ‘ক’ বা ‘খ’

২৭। কোন কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যায়?

  (ক) বিচার্য বিষয়                     (খ) প্রাসঙ্গিক বিষয় 

  (গ) ক’ ও ‘খ’                  (ঘ) ক’ বা ‘খ’

২৮। ঘটনা (Fact), বিচার্য বিষয় (Facts in issue) এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনা (Relevant facts) এর সংজ্ঞা সম্পর্কিত সাক্ষ্য আইনের ধারা কত?

  (ক) ২ ধারা                              (খ) ৩ ধারা

  (গ) ৪ ধারা                              (ঘ) ৫ ধারা

২৯। একজন সাক্ষী কোন্ কোন্ বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারবে?

  (ক) বিচার্য বিষয়                     (খ) প্রাসঙ্গিক বিষয়

  (গ) ‘ক’ ও ‘খ’                                 (ঘ) যে কোন বিষয়ে

৩০। বাদী আরজিতে যে বিষয় দাবি করে এবং বিবাদী লিখিত জবাবে যা অস্বীকার করে, তাকে বলা হয়-

  (ক) বিচার্য বিষয়                     (খ) প্রাসঙ্গিক বিষয়

  (গ) দাবির বিষয়                      (ঘ) অস্বীকারের বিষয়

অনুশীলনমূলক প্রশ্নোত্তর

০১। প্রশ্নঃ  সাক্ষ্য কাকে বলে? সাক্ষ্য কত প্রকার ও কি কি?

০১ প্রশ্নের উত্তরঃ

সাক্ষ্য (Evidence)

                ১৮৭২ প্রণীত সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা মোতাবেক কোনো ব্যক্তি বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে কোনো বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ে বা বিচারাধীন বিষয়ে মৌখিক বা লিখিতভাবে যে বিবৃতি প্রদান করেন সেই বিবৃতিকে সাক্ষ্য বলে।                                                                                                                                                                                 সাক্ষ্য আইন ৩ ধারা।

সাক্ষ্য প্রধানত দুই প্রকারঃ

১। মৌখিক সাক্ষ্য (Oral evidence)

২। দালিলিক সাক্ষ্য (Documentar evidence)

মৌখিক সাক্ষ্য (Oral evidence)

                ১৮৭২ প্রণীত সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা মোতাবেক কোনো ব্যক্তি বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে কোনো বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মৌখিকভাবে যে বিবৃতি প্রদান করেন সেই বিবৃতিকে মৌখিক সাক্ষ্য বলে।                                                                                                                                                                              সাক্ষ্য আইন ৩ ধারা।

দালিলিক সাক্ষ্য (Documentar evidence)

                ১৮৭২ প্রণীত সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা মোতাবেক কোনো ব্যক্তি বিজ্ঞ আদালতে কোনো বিচার্য বিষয়ে বা কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ে নথি বা দলিল উপস্থাপন করে যে সাক্ষ্য প্রদান করেন সেই সাক্ষকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে।

সাক্ষ্য আইন ৩ ধারা।

দালিলিক সাক্ষ্য দুই প্রকার

১। প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence)

২। মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary evidence)

প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence)

                ১৮৭২ প্রণীত সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা মোতাবেক কোনো ব্যক্তি আদালতে কোনো বিচার্য বিষয়ে বা কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ে কোন দলিল বা নথির মূলকপি উপস্থাপন করে যে সাক্ষ্য প্রদান করেন সেই সাক্ষ্যকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে।

                                                      সাক্ষ্য আইন ৬২ ধারা।

মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary evidence)

                ১৮৭২ প্রণীত সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা মোতাবেক কোনো ব্যক্তি আদালতে কোনো বিচার্য বিষয়ে বা কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ে কোনো দলিল বা নথির ফটোকপি উপস্থাপন করে যে সাক্ষ্য প্রদান করেন সেই সাক্ষ্যকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলে।

সাক্ষ্য আইন ৬৩ ধারা

০২প্রশ্নঃ কোন কোন বিষয়ে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া যায়? কে কে সাক্ষ্য দিতে পারে?

০২ প্রশ্নের উত্তরঃ

যে যে বিষয়ে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া যায়

১. বিচার্য বিষয়ে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া যায়।

২. প্রাসঙ্গিক বিষয়ে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া য়ায।

সাক্ষ্য আইন ৫ ধারা।

যে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে

                সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতের প্রশ্ন বুঝে সেই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে পারেন এমন সকল ব্যক্তি আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

সাক্ষ্য আইন ১১৮ ধারা।

                সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা মোতাবেক একজন বোবা ব্যক্তি  বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে তার ইশারা ইঙ্গিত বা লিখনের মাধ্যমে আদালতের জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে সেই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে পারেন এমন বোবা ব্যক্তি আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

সাক্ষ্য আইন ১১৯ ধারা।

                সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা মোতাবেক  বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন কোনো বিষয় সর্ম্পকে একজন স্বামী তার  স্ত্রীর পক্ষে  এবং স্ত্রী তার স্বামীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

সাক্ষ্য আইন ১২০ ধারা।

০৩প্রশ্নঃ যোগ্য সাক্ষী কাকে বলে?

৩ প্রশ্নের উত্তরঃ

যোগ্য সাক্ষী

                সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতের প্রশ্ন বুঝে সেই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে পারেন এমন সকল ব্যক্তিকে যোগ্য সাক্ষি বলে।

সাক্ষ্য আইন ১১৮ ধারা।

                সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা মোতাবেক একজন বোবা ব্যক্তি  বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে তার ইশারা ইঙ্গিত বা লিখনের মাধ্যমে আদালতের জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে  সেই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে পারেন এমন বোবা ব্যক্তিকে যোগ্য সাক্ষী বলে।

সাক্ষ্য আইন ১১৯ ধারা।

০৪প্রশ্নঃ সাক্ষী কাকে বলে? কোন কোন সাক্ষীকে ডাকা যায় না? মৌখিক সাক্ষ্য কী পরোক্ষ হতে পারে?

০৪ নং প্রশ্নের উত্তরঃ

সাক্ষী (Witness)

                ১৮৭২ সালে প্রণীত সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি আদালতে হাজির হয়ে বিচারকের সামনে কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয়ে লিখিত বা মৌখিকভাবে যে বিবৃতি প্রদান করেন সেই বিবৃতি দাতাকে সাক্ষী বলে।

সাক্ষ্য আইন ৩ ধারা।

                ১৮৭২ সালে প্রণীত সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারা মোতাবেক যে সব সাক্ষীকে ডাকা যায় না তা নিম্নে আইন ও বিধি মোতাবেক আলোচনা করা হলো।

যে যে সাক্ষীকে ডাকা যায় না

                ১৮৭২ সালে প্রণীত সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারা মোতাবেক কোনো ব্যক্তি কোনো বিষয় এক বার জবানবন্দী বা সাক্ষী দেওয়ার পরে যদি হারিয়ে যায় বা পাগল হয়ে যায় বা মারা যায় বা বিবাদীপক্ষ যদি গোম করে রাখে বা বিদেশে অবস্থারত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ব্যয় বহুল হয়, তাহলে সেই সাক্ষীকে ডাকা যায় না।

সাক্ষ্য আইন ৩৩ ধারা।

মৌখিক সাক্ষ্য যখন পরোক্ষ হয়

                কোনো ব্যক্তি আদালতে হাজির হয়ে বিচারকের সামনে কোনো বির্চায বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় নিজে দেখেনাই অথচ শুনেছে সেই ব্যক্তি যখন বিজ্ঞ আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন তখনই মৌখিক সাক্ষ্য পরোক্ষ হতে পারে।

সাক্ষ্য আইন ৬০ ধারা

০৫প্রশ্নঃ সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা বলতে কি বুঝায়? কোনো অপরাধজনক ঘটনার প্রাক চরিত্র, পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী অজুহাত কিভাবে প্রাসঙ্গিকতা পায় তা আলোচনা করুন

০৫ নং প্রশ্নের উত্তরঃ

সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতাঃ

                ১৮৭২ সালে প্রণীত সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা মোতাবেক যে বিষয় গুলো সরাসরি বিচার্য বিষয় নয় অথচ যাদের সাহায্যে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে একটি সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় তাকেই সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা বলে।

সাক্ষ্য আইন  ৩ ধারা।

                সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা মোতাবেক কোনো অপরাধজনক ঘটনার প্রাক চরিত্র, পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী অজুহাত যে ভাবে প্রাসঙ্গিকতা পায় তা নিম্নে আইন ও বিধি মোতাবেক আলোচনা করা হলো-

পূর্ববর্তী পরবর্তী প্রাক চরিত্রের প্রাসঙ্গিকতাঃ

                সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা মোতাবেক কোনো ব্যক্তির পূর্বের এবং পরের আচরণ ও প্রাক চরিত্র ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।

সাক্ষ্য আইন ৫৩ ধারা।

                সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা মোতাবেক কোনো ব্যক্তির পূর্বের এবং পরের আচরণ ও প্রাক চরিত্র ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে খারাপ ইহা অপ্রাসঙ্গিক। তবে কেই যদি বলে তার চরিত্র ভালো তবে খারাপ হলেও তা আদালতে প্রাসঙ্গিক।

সাক্ষ্য আইন ৫৪ ধারা।

                সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারা মোতাবেক ঘটনার বর্ণিত দিন তারিখ আসামী অন্যত্র অবস্থান করেছিল এই মর্মে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য আসামির অজুহাত আদালতে প্রাসঙ্গিক।

ফৌঃকাঃ বিঃ ৩৪০ ধারা।

সাক্ষ্য আইন ১১ ধারা।

নোট

তবে উল্লেখ থাকে যে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা মোতাবেক কোনো ব্যক্তির পূর্বের এবং পরের আচারণ প্রাক চরিত্র দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক।

সাক্ষ্য আইন ৫২ ধারা।

  লেখক : সাব-ইন্সপেক্টর অব পুলিশ

  সংরক্ষণ অফিসার পরিবহন বিভাগ, ডিএমপি, ঢাকা।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *