ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

মোঃ এনায়েত করিম

পুলিশের অধস্তন কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের জন্য ২০২০ সাল হতে নতুন পদ্ধতিতে পুলিশ বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা চালু হয়েছে।

ডিটেকটিভ পত্রিকায় প্রতি সংখ্যায় বিভাগীয় পদোন্নতি সহায়ক হিসেবে লিখিত ও MCQ অনুশীলনী প্রকাশিত হচ্ছে। লিখিত এবং MCQ অনুশীলনের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীবৃন্দ উপকৃত হবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। এ সংখ্যায় প্রকাশিত হলো দন্ডবিধি থেকে প্রশ্নোত্তর।

দন্ডবিধি

[১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন]

অনুশীলনমূলক MCQ

(উত্তর শেষ পাতায়)

১। অপহরণ বলতে-

  (ক) জোরপূর্বক গমনে বাধ্য করা  (খ) প্রতারণার মাধ্যমে গমনে প্রলুব্ধ করা

  (গ) ক ও খ                 (ঘ) কোনটাই না

২। কোনটি আশ্রয় দানের ক্ষেত্রে নেই?

  (ক) বাসস্থান প্রদান করা          (খ) যানবাহনের মাধ্যমে সাহায্য করা

  (গ) অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সাহায্য করা            (ঘ) স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে আশ্রয়দান

৩। দন্ডের মেয়াদসমূহের ভগ্নাংশসমূহ হিসাব করবার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদন্ডকে কত বছর মেয়াদী ধরা হয়-

  (ক) ১৫ বছর               (খ) ২০ বছর

  (গ) ২৫ বছর               (ঘ) ৩০ বছর

৪। নিম্নের কোন কাজটি গণউপদ্রবের অন্তর্ভুক্ত?

  (ক) খাদ্য ও পানীয়তে ভেজাল দেয়া    (খ) বেপরোয়া গাড়ী চালান

  (গ) জনগণের যাতায়াতের বাধা সৃষ্টি করা        (ঘ) সবগুলি

৫। নিম্নের কোন আঘাতকে গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য করা হয়?

  (ক) পুরুষত্বহীনকরণ  (খ) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন

  (গ) ২০ দিনের অতিরিক্ত তীব্র যন্ত্রণা প্রদায়ী আঘাত    (ঘ) সবগুলি

৬। দেহের প্রতিরক্ষার অধিকার আরম্ভ হয়-

   (ক) প্রতিপক্ষ ষড়যন্ত্র করলে  (খ) প্রতিপক্ষের সাথে দেখা হলে

   (গ) দেহ বিপন্নকারী যুক্তিযুক্ত আতঙ্ক সৃষ্টি হলে    (ঘ) কোনটাই না

৭। অপরাধ অনুষ্ঠানে সহায়তাকারী উপস্থিত থাকলে অপরাধ হয়-

  (ক) ১০৯ ধারায়                      (খ) ৩৪০ ধারায়

  (গ) ১১৪ ধারা              (ঘ) ৩৮০ ধারা

৮। অবৈধ লাভের সংজ্ঞা দ-বিধির-

  (ক) ২৩ ধারা               (খ) ৩২ ধারা

  (গ) ৩৪ ধারা               (ঘ) ২১ ধারা

৯। কোনটি স্থানীয় আইন?

  (ক) ডিএমপি অর্ডিন্যান্স             (খ) পুলিশ আইন

  (গ) মানব পাচার প্রতিরোধ আইন  (ঘ) খেয়া আইন

১০। ক্ষতি বলতে বুঝায়-

  (ক) দেহের ক্ষতি করা (খ) মনের ক্ষতি করা

  (গ) ক ও খ                 (ঘ) কোনটাই ঠিক না

১১। কোন ক্ষেত্রে জনগণ সরকারী কর্মচারীকে সাহায্য করতে বাধ্য নয়?

  (ক) দাঙ্গা দমনে                     (খ) সরকারি কর্মচারীর ব্যক্তিগত কাজে

  (গ) পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতারে   (ঘ) আইনানুগ প্রহরা হতে পলাতককে গ্রেফতারে

১২। শিশু কর্তৃক কৃত কোন কিছুই অপরাধ নয়, যদি শিশুর বয়স হয়-

  (ক) ১০ বছরের নিচে   (খ) ১১ বছরের নিচে

  (গ) ৯ বছরের নিচে                 (ঘ) ১৬ বছরের নিচে

১৩। জনগণ বলতে কি বুঝায়-

  (ক) রাষ্ট্রের কর্মচারী                (খ) যারা রাষ্ট্রের কর্মচারী নন

  (গ) কোন বিশেষ শ্রেণীর জনগণ বা সম্প্রদায়   (ঘ) যে কোন শ্রেণীর জনগণ বা সম্প্রদায়

১৪। দন্ডবিধি ১৮৯২ সালে কত তারিখে কার্যকর হয়-

  (ক) ১লা জানুয়ারি                   (খ) ৫ জানুয়ারি

  (গ) ১ এপ্রিল               (ঘ) ১৮ এপ্রিল

১৫। দস্যুতার ক্ষেত্রে অপরাধী

  (ক) কমপক্ষে ৫ জন  (খ) ৫ জনের অধিক

  (গ) ৪/৫ জন              (ঘ) ১-৪ জন

১৬। ‘সাধারণ ব্যতিক্রম’ অনুসারে কোন কার্যটি অপরাধ নয়?

  (ক) পূর্ব পরিকল্পিত খুন           (খ) আত্মরক্ষার অধিকার ব্যতীত খুন

  (গ) সংঘবদ্ধ ডাকাতি  (ঘ) মৃত্যুর হুমকিতে কৃত কাজ

১৭। কোন সম্পত্তির পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে অসাধুভাবে সেই সম্পত্তি আত্মসাৎ করলে?

  (ক) অপরাধজনক বিশ^াস ভঙ্গ হয় (খ) চুরি হয়

  (গ) প্রতারণা হয়                                 (ঘ) কোনটিই নয়

১৮। বে-আইনী সমাবেশে প্রত্যেকের-

  (ক) সাধারণ উদ্দেশ্যে থাকে                (খ) ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্য থাকে

  (গ) সাধারণ উদ্দেশ্যে থাকে না                        (ঘ) কোনটিই নয়

১৯। এএসআই শিমুল সক্রিয় ফোর্সসহ টহল ডিউটি করাকালে গ্রেফতারী পরোয়ানার আসামী জলিলকে পেয়েও গ্রেফতার করে নাই। এএসআই কবির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?

  (ক) ২২০ ধারা                        (খ) ২২১ ধারা

  (গ) ২৩৩ ধারা                        (ঘ) ২৫১ ধারা

২০। দ-বিধি প্রণীত হয় ১৮৬০ সনের-

  (ক) ৫ নং আইনে                    (খ) ৪৫ নং আইনে

  (গ) ৪০ নং আইনে                  (ঘ) ৮নং আইনে

২১। আত্মহত্যায় সহায়তাকরার শাস্তি-

  (ক) ৩০৫ ধারা                        (খ) ৩০৬ ধারা

  (গ) ৩০৮ ধারা                        (ঘ) ৩০৯ ধারা

২২। দন্ডবিধি অনুসারে নিম্নোক্ত কোন কাজটি চুরির অন্তর্ভুক্ত নয়?

  (ক) দখল হইতে                      (খ) অস্থাবর সম্পত্তি

  (গ) অসাধুভাবে                      (ঘ) সম্মতি সহকারে

২৩। যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, পীড়া বা বৈকল্য ঘটায় সে ব্যক্তির কর্ম গণ্য হবে-

  (ক) বল প্রয়োগ হিসেবে          (খ) আঘাত হিসাবে

  (গ) সাধারণ আক্রমণ হিসেবে (ঘ) গুরুতর জখম হিসেবে

২৪। দন্ড কত প্রকার?

  (ক) ৪                         (খ) ৫

  (গ) ৬                         (ঘ) কোনটি না

২৫। গুরুতর আঘাত গণ্য হলে ন্যূনতম কত দিন হাসপাতালে থাকতে হবে?

  (ক) ২১ দিন                (খ) ২০ দিন

  (গ) ৭ দিন                  (ঘ) ১৫ দিন

২৬। ‘ক’ ‘খ’ এর জমি হতে অসাধুভাবে গাছ নেয়ার জন্য গাছ কেটে ফেলে কিন্তু লোক এসে পড়ায় গাছটি নিতে পারে না। ‘ক’ এর অপরাধ-

  (ক) ক্ষতিসাধন                       (খ) অনধিকার প্রবেশ

  (গ) ক ও খ                 (ঘ) কোনটাই না

২৭। ‘ক’ যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত আসামি। সে পুনরায় খুন করলে তার সাজা হবে কোন ধারায়-

  (ক) ৩০০                    (খ) ৩০২

  (গ) ৩০৩                    (ঘ) ৩০৪

২৮। দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে ঝগড়া করে গণ শান্তি ভঙ্গ করলে তা গণ্য হবে-

  (ক) বেআইনী সমাবেশ                       (খ) মারামারি

  (গ) দাঙ্গা                                (ঘ) কোনটিই নয়

২৯। অপরাধের উপাদান-

  (ক) ইচ্ছা                                (খ) প্রস্তুতি

  (গ) চেষ্টা                                 (ঘ) সবগুলো

৩০। বেআইনী সমাবেশে ন্যূনতম কতজন উপস্থিত থাকতে হয়?

  (ক) ন্যূনতম ২                                    (খ) ন্যূনতম ৫

  (গ) সংখ্যা নির্দিষ্ট নেই             (ঘ) ন্যূনতম ৪

অনুশীলনমূলক প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ঃ চুরি বলতে কি বুঝেন? চুরির জন্য কী কী শর্ত আবশ্যক?

উত্তর ঃ যদি কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির দখল হতে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতিরেকে অসাধুভাবে এক স্থান হতে অন্য স্থানে সরায় বা স্থানান্তর করে তাকেই চুরি বলে। [দ. বি. আইনের ৩৭৮ ধারা]

চুরির শর্ত বা বৈশিষ্ট্যসমূহ :

১. কারো দখলভুক্ত হতে হবে।

২. অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে।

৩. মালিকের সম্মতি ব্যতিরেকে।

৪. অসৎ উদ্দেশ্য গ্রহণ করতে হবে।

৫. সম্পত্তিটি স্থানান্তর করতে হবে।

প্রশ্ন ঃ চুরি কখন দস্যুতা এবং দস্যুতা কখন ডাকাতি বলিয়া গণ্য হয়?

উত্তর ঃ দস্যুতা ঃ চুরি অপরাধ করার জন্য, চুরি অপরাধ করা বলে, চুরি করার পরে চোরাইমাল লইয়া যাইবার সময় বা চুরির মাল লইয়া পালাইয়া যাইবার সময় (এই ৪ পর্যায়) চোর যদি ইচ্ছাপূর্বক কোনো ব্যক্তির মৃত্যু, জখম বা অন্যায় নিয়ন্ত্রণ ঘটায় বা চেষ্টা করে তাহা হইলে চুরি দস্যুতার সামিল হইবে।

[দন্ডবিধি ৩৯০ ও ৩৯২ ধারা]

ডাকাতি ঃ যদি ৫ (পাঁচ) বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রে দস্যুতার অপরাধ করে বা দস্যুতার চেষ্টা করে কিংবা উক্ত অপরাধ করিবার সময় তাহাদের সংখ্যা ৫ (পাঁচ) বা তাহার বেশি হয় তাহা হইলে এইরূপ দস্যুতা বা দস্যুতার চেষ্টাকারী প্রত্যেকেই ডাকাতি করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

[দন্ডবিধি ৩৯১ ও ৩৯৫ ধারা]

প্রশ্ন ঃ বেআইনি সমাবেশ কাহাকে বলে? বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নিয়মাবলী বর্ণনা কর।

উত্তর ঃ দন্ডবিধি ১৪১ ধারা মোতাবেক পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে বেআইনি সমাবেশ বলা হয়, যখন উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ উদ্দেশ্য হয় নিম্নরূপ:

(১) বাংলাদেশ সরকার কিংবা আইনসভাকে কিংবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে অপরাধজনক বলপ্রয়োগ কিংবা অপরাধজনক বলপ্রয়োগের হুমকি দ্বারা ভীতি প্রদর্শন করা; অথবা

(২) কোন আইনের কিংবা আইনগত ব্যবস্থা কার্যকরকরণে ব্যাঘাত সৃষ্টি করা; অথবা

(৩) কোন অনিষ্টকর কার্য বা অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ কিংবা অন্য অপরাধ সংঘটন করা; অথবা

(৪) কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করিয়া বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগের হুমকি দ্বারা ভীতি প্রদর্শন করিয়া কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা কিংবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা কিংবা পানি ব্যবহারের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা কিংবা তাহাকে তাহার দখলে অবস্থিত কোন অশরীরি অধিকার হইতে বঞ্চিত করা কিংবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধকার প্রতিষ্ঠিত করা; অথবা

(৫) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করিয়া বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগের হুমকি দ্বারা ভীতি প্রদর্শন করিয়া যে কাজ করিতে সে আইনতঃ বাধ্য নহে তাহা করা হইতে বিরত রাখা বা যে কাজ করিতে আইনতঃ বাধ্য নয় সে কাজ করিতে বাধ্য করা।

বেআইনি সমাবেশে ছত্রভঙ্গ ঃ যখন কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয় তখন উক্ত বেআইনি সমাবেশে যোগদান ব্যক্তিদের ছত্রভঙ্গ করিতে সতর্কবাণী প্রদান করিতে হয়।

[পিআরবি ২৫২ নিয়ম, পুলিশ আইন ৩০-ক(১), ফৌজদারী কার্যবিধি ১২৭ ধারা, পিআরবি ১৪২-১৪৩ নিয়ম]

সতর্ক বাণীসমূহ ঃ (১) আপনারা ছত্রভঙ্গ হইয়া যান নতুবা আমাদের কাছে লাঠি আছে, লাঠি চার্জ করিব;

(২) আপনারা ছত্রভঙ্গ হইয়া যান নতুবা আমাদের কাছে গ্যাস আছে, গ্যাস ব্যবহার করিব।

(৩) আপনারা অবৈধ জনতা এরপরও যদি আপনারা ছত্রভঙ্গ না হন তবে আমরা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করিতে বাধ্য হইব।

উপরোক্ত সতর্কবাণী প্রদান করিবার পরও বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ না হয় তবে তাহাদেরকে ছত্রভঙ্গ করিতে লাঠিচার্জ, গ্যাস চার্জ কিংবা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা যাইবে।

[ফৌজদারী কার্যবিধি ১২৮, পুলিশ আইনের ৩০-ক (২) ধারা, পিআরবি ১৫৩, ১৫৪, ১৫৬ নিয়ম]

নোট ঃ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের পূর্বে নিশ্চিত হইতে হইবে যে, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হইয়াছে যে, ইহা ব্যতীত অন্য পন্থা নাই।

নোট ঃ এইরূপ ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি ৪৬, ৪৭, ৪৮, ও ৪৯ ধারা, পিআরবি ৩১৬ নিয়মানুযায়ী তাহাদের গ্রেফতারকরতঃ বিচারের জন্য আদালতে প্রেরণ করা যাইবে।

ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা, পিআরবি ১৩৪ নিয়ম ঃ বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করিতে উক্ত এলাকায় ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারির জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করিতে হইবে। প্রয়োজনে পুলিশ কমিশনার সামরিক শক্তি আহ্বান করিয়া উহা ছত্রভঙ্গ করিবেন [ফৌজদারী কার্যবিধি ১২৯ ধারা]। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সশস্ত্র পুলিশ দল মোতায়েন করিয়া বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করিবেন।

[পিআরবি ১৪৫ প্রবিধান]

প্রয়োজনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্য হইতে বিশেষ পুলিশ বাহিনী নিয়োগ করিয়া বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা যাইবে।

[পিআরবি ৬৭৪, ৬৭৫ ও ৬৭৬ প্রবিধান, পুলিশ আইন ১৭ ধারা, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা মহানগর অধ্যাদেশ ১০ ধারা]

ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা এলাকায় বেআইনি সমাবেশ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হইলে পুলিশ কমিশনার বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার উহা নিয়ন্ত্রণ, নিষিদ্ধ ও ছত্রভঙ্গ করিতে পারিবেন।

[ঢাকা মহানগর অধ্যাদেশ ২৭, ২৮, ২৯, ৩২ ধারা, চট্টগ্রাম মহানগর অধ্যাদেশ ২৮, ২৯, ৩০, ৩৪ ধারা, রাজশাহী মহানগর অধ্যাদেশ ২৮, ২৯, ৩০, ৩৪ ধারা, খুলনা মহানগর অধ্যাদেশ ২৮, ২৯, ৩০, ৩৪ ধারা]

তথ্যসূত্র : ১. দন্ডবিধি, ফৌজদারী কার্যবিধি, পিআরবি ও পুলিশ আইন

            ২. পুলিশ পদোন্নতি, বি এল দাস

            ৩. ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, মহানগর অধ্যাদেশ

    লেখক : সহকারী পুলিশ সুপার, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি’র কার্যালয়

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *