ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, এআইজি (পিঅ্যান্ডআর-২), বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা

একেএম মোশাররফ হোসেন মিয়াজী, এআইজি (ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট), বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা

মোঃ হাসানুল বাসার, উপ-পুলিশ পরিদর্শক, প্ল্যানিং অ্যান্ড রিসার্চ-২ শাখা, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা

ভূমিকা

বাংলাদেশে আলোচিত মর্মস্পর্শী ঘটনাগুলোর অন্যতম হলো সড়ক দুর্ঘটনা। প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে হাজারও মানুষ অকালে প্রাণ হারায়; পঙ্গুত্ববরণ করেন অনেকে। নষ্ট হয় কোটি কোটি টাকার সম্পদ। দেশের জনগোষ্ঠীর অন্যান্য অংশের তুলনায় কাজের বিশেষ ধরনের জন্যই পুলিশ সদস্যরা বেশি হারে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে থাকেন, যা তাদের সার্বিক কর্মক্ষমতার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। প্রতি বছর প্রতি এক লাখ সাধারণ মানুষের বিপরীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যেখানে মৃত্যুবরণ করে ৩.২ জন, পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রে এ হার প্রতি লাখে প্রায় ৩০ জন। পুলিশ সদস্যদের ব্যক্তি ও পেশাগত জীবনে গতিশীলতা আনয়ন, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি করতে পুলিশ সদস্যদের অধিক হারে সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার কারণ খুঁজে বের করে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার লক্ষে একটি গবেষণা পরিচালনা করা তাই অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত।

গবেষণা পদ্ধতি

গবেষণাটির জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সকল ইউনিট থেকে তিন বছরে (২০১৮-২০২০) সড়ক দুর্ঘটনার শিকার পুলিশ সদস্যদের সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ছকে তথ্য আহ্বান করা হয়। পুলিশ ইউনিটগুলোর পুলিশ সদস্যদের সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে কিছু কিছু ইউনিট থেকে প্রাপ্ত কিছু কিছু তথ্য পরিপূর্ণ না হওয়া সেগুলো বিশ্লেষণ থেকে বাদ দেয়া হয়। সর্বশেষে ৫২৯টি সড়ক দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ডেটা এসপিএসএস এ বিশ্লেষণের জন্য ইনপুট দেওয়া হয়। গবেষণার পরিমাণগত অংশটুকু মূলত এসব তথ্যের উপর ভিত্তি করেই প্রস্তুত করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের পোস্টিং, পদায়ন ইত্যাদি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও দুর্ঘটনায় পতিত পুলিশ সদস্যদের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী, বিশেষ করে একই দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে বেঁচে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের শনাক্ত করতে পুলিশ পার্সোন্যাল ইনফর্মেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (পিআইএমএস) এর সহায়তা গ্রহণ করা হয়েছে।

গবেষণার গুণগত অংশটুকু প্রস্তুত করা হয়েছে দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া পুলিশ সদস্যরা, দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য, তাদের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী, পুলিশের নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনায় থাকা ঊর্ধ্বতন অফিসাররা ও বিশেষজ্ঞদের কেআইআই, এফজিডি ও কেইস স্টাডির মাধ্যমে। গুণগত ও পরিমাণগত উভয় পদ্ধতিতে সংগ্রহকৃত করা ডেটা এসপিএসএস এবং এক্সেল সফ্টওয়ারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হয়।

সাংখ্যিক উপাত্ত বিশ্লেষণ

দুর্ঘটনার শিকার পুলিশ সদস্যদের ৯৯ শতাংশই পুরুষ, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে অংশগ্রহণ তাদের ঝুঁকি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী পুলিশ সদস্যরা সবেচেয়ে বেশি হারে দুর্ঘটনায় পতিত হন (৬৬.০%)। সম্মুখ সারিতে দায়িত্বপালনকারী এসব সদস্যরাই সড়ক দুর্ঘটনার বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হবার ক্ষেত্রে কনস্টেবল পদবীর পুলিশ সদস্যদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি (৫৮%)। অন্য সদস্যদের মধ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ করা এসআই, এএসআই, সার্জেন্টদের ঝুঁকিও সংখ্যার অনুপাতও বেশি। সদ্য চাকরিতে যোগ দেওয়া পুলিশ সদস্য, বিশেষ করে যাদের চাকরির মেয়াদ ১০ বছরের কম, সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার ঝুঁকি তাদেরই বেশি (৪০%)।

টেবিল-১ (সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হওয়া পুলিশ সদস্যদের পদবি)

নিজ জেলার পার্শ্ববর্তী ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি হয়। গবেষণার ৬১.১২% দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যগণ তাদের নিজ জেলার পাশর্^র্তী জেলায় কর্মরত ছিলেন। ৬৪.৮ শতাংশ ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যগণ দিনের বেলায় (সকাল ৬টা থেকে সন্ধা ৬টা) সড়ক দুর্ঘটনায় বেশি পতিত হয়েছেন। মাস হিসেবে বছরের শেষের দিকে বিশেষ করে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে সড়ক দুর্ঘটনা বেশি ঘটে, যা সর্বোচ্চ ১১% হয় ডিসেম্বর মাসে।

দুর্ঘটনাকালীন পুলিশ সদস্যগণ যে যানবাহনের চালক বা যাত্রী ছিলেন সেসব যানবাহনকে ‘ভিকটিম যান’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যরা মোটরসাইকেলের চালক বা যাত্রী হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৬২.৯ শতাংশ ক্ষেত্রে সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হয়। যে সব যানবাহনের ধাক্কায় বা চাপায় পুলিশ সদস্যরা দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছিলেন সেসব যান বাহনকে ‘অপরাধী যান’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, রাস্তায় ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ সদস্যদের দুর্ঘটনায় শিকার হওয়ার হার সবচেয়ে বেশি (২২.৫%)। তবে সবচেয়ে লক্ষণীয় হলো যে, ২৫.৯% দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যগণ কোনো প্রকার যানবাহন (অপরাধী যান) ছাড়াই সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছেন।

টেবিল নং-২ (ভিকটিম যান, অপরাধী যান এর বিপরীতে সড়ক দুর্ঘটনার হার)

রাস্তা হিসেবে স্থানীয় রাস্তা এবং জাতীয় মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনার হার সমান ৩১%। রিপোর্ট হওয়া সড়ক দুর্ঘটনার মধ্যে ৩২% ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যগণ মৃত্যুবরণ করেছিলেন। তবে সব দুর্ঘটনা রিপোর্ট না হওয়ার কারণে ছোট ছোট কম মারাত্মক আঘাতসম্পন্ন দুর্ঘটনাগুলো গবেষণায় উঠে আসেনি।

(বিভিন্ন শ্রেণির সড়কে দুর্ঘটনার হার)

গুণগত উপাত্ত বিশ্লেষণ

পুলিশ সদস্যদের সাধারণ জনগণের তুলনায় অধিকহারে সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার কারণ ও সেগুলো দূর করার উপায় অনুসন্ধানের জন্যই মূলত গুণগত উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়। গুণগত উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের বেশি হারে সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার পেছনে নিম্নলিখিত কারণগুলো শনাক্ত করা হয়েছে।

প্রথমত, পুলিশ সদস্যগণ সড়কে চলাচলকালে নিজেদের অন্যদের তুলনায় ক্ষমতাবান মনে করেন। ক্ষমতা প্রদর্শন করার প্রবণতা তাদের যথাযথ ট্রাফিক আইন মানা, গাড়ির ফিটনেস চেক রাখা কিংবা যথাযথ কাগজপত্র সঙ্গে রাখা থেকে দূরে থাকে।

দ্বিতীয়ত, রাস্তায় চলাচলকালে পুলিশ সদস্যরা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী মনে করে। সহকর্মীর থেকে আইনি সহায়তা পাবার বিষয়টি তাদের সড়কে অনেক ঝুঁকি নিতে উৎসাহিত করে।

তৃতীয়ত, কাজের ধরনের জন্য অনেক সময় বেপরোয়া যান মোকাবিলা করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে ট্রাফিক ডিউটি পালনকালে এ ধরনের দুর্ঘটনা বেশি ঘটে।

চতুর্থত, গাড়ি চালনাকালে মানসিক চাপের দরুন অন্যমনস্কতা পুলিশ সদস্যদের দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ। ৩২% ক্ষেত্রে কোনো পুলিশ সদস্যরা অন্য কোনো যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষ ছাড়া একা একা দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। ক্লান্তি নিয়ে গাড়ি চালনা এর অন্যতম প্রধান একটি কারণ।

পঞ্চমত, নিম্নপদস্থ পুলিশের সদস্যদের বেশিরভাগ ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে। তাদের অনেকে বৈধ কাগজপত্র ব্যতীত কম ফিটনেস বিহীন মোটরসাইকেল ব্যবহার করে থাকে। বেশিরভাগ পুলিশ সদস্যদের থাকে না ড্রাইভিং লাইসেন্স। মোটরসাইকেল ব্যবহারে যথাযথ সতর্কতা ব্যবস্থা না থাকা পুলিশ সদস্যদের দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার প্রধান কারণ।

ষষ্ঠত, ছুটিতে অবেলায় সিসি দেওয়া কিংবা বাড়ির পাশে কর্মস্থল হলে পুলিশ সদস্যরা রাতে ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলে দীর্ঘপথ পাড়ি দেয়। দীর্ঘপথে ক্লান্তি নিয়ে মোটরসাইকেলে ভ্রমণ সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান একটি কারণ।

অন্যান্য কারণগুলোর মধ্যে ১. সরকারি গাড়ির অভাবে স্থানীয়ভাবে নির্মিত গাড়িতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করা, ২. অতিরিক্ত মালামালসহ গাড়ি চালনা, ৩. চালক হিসেবে পুলিশ সদস্যদের অদক্ষতা ও অমনোযোগিতা, ৪. মহাসড়কে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলে দীর্ঘ ভ্রমণ করা, ৫. পথচারী/অন্যান্য যানবাহনের ট্রাফিক আইন মান্য না করার প্রবণতা, ৬. রাস্তায় বেওয়ারিশ পশু, পাগল, মালামাল ফেলে রাখা এবং ৭. যথাযথ উপায়ে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ গ্রহণ না করাকে শনাক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ সদস্যদের সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে করণীয়

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে বিশেষজ্ঞরা পুলিশ সদস্যদের যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিয়োগের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোয় পর্যাপ্ত যানবাহন ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করার কথা বলেছেন। এছাড়া তাদের দেওয়া সুপারিশগুলো হলো,

প্রথমত, নিয়মিতভাবে পুলিশ সদস্যদের জন্য গাড়ি প্রশিক্ষণ, ব্রিফিং ও মোটিভেশনের ব্যবস্থা করা।

দ্বিতীয়ত, পুলিশ সদস্যদের মোটরসাইকেল ব্যবহারে সতর্কতা বৃদ্ধি করা। যানবাহন চালনাকালে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।

তৃতীয়ত, প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা। নির্দিষ্ট সময় পরপর তাদের ড্রাইভিং দক্ষতা যাচাই করা।

চতুর্থত, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দক্ষ চালকদের প্রাধান্য দেওয়া। প্রয়োজনে তাদের জন্য কোটা ব্যবস্থা চালু করা।

পঞ্চমত, নিজ জেলার পার্শ্ববর্তী ইউনিটে পদায়নে নিরুৎসাহিত করা। অনুমতি ছাড়া নিজ ইউনিটের সীমানা অতিক্রম করার বিষয়টিকে নিষিদ্ধ করা।

ষষ্ঠত, পুলিশ যানবাহনের সুষ্ঠু সরবরাহ ও বন্টন নিশ্চিত করা।

সপ্তমত, সব ধরনের সড়ক ব্যবহার ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিষয়টি পুলিশ প্রশিক্ষণের মডিউলে অন্তর্ভুক্ত করা।

অষ্টমত, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দূরবর্তী স্থানে যাতায়াতে বাসের ব্যবস্থা করা।

এছাড়া অন্য সুপারিশগুলো হলো, ১. ডাক বিতরণ ডিজিটাইজড করা যাতে পুলিশ সদস্যদের শারীরিকভাবে ভ্রমণ করে ডাক বিতরণ করতে না হয়, ২. যাত্রাপথে যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রিফ্লোক্সিং ভেস্ট বিতরণ ও ব্যবহার নিশ্চিত করা, ৩. কর্মস্থলে পরিবার নেই এমন পুলিশ সদস্যদের মাসে অন্ততপক্ষে একবার পরিবারের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা, ৪. ছুটির সিসি অফিস শুরুর প্রথমার্ধে কিংবা ছুটির দিন সকালে দেওয়া, ৫. পুলিশ সদস্যদের পতিত হওয়া প্রতিটি সড়ক দুর্ঘটনার বিভাগীয় তদন্ত করা এবং শৃঙ্খলা ও বিধি ভঙ্গকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, ৬. ছুটিতে থাকা পুলিশ সদস্যদের উপর বিভাগীয় তদারকি বৃদ্ধি করা, ৭. পুলিশ সদস্যদের সড়ক দুর্ঘটনা সমন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, ৮. চেকপোস্ট ডিউটির সময় যথাযথ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি যথেষ্ট সতর্ক থাকা।

উপসংহার

পুলিশ সদস্যদের সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুমাত্রিক। দায়িত্ব পালনের বিশেষ ধরনের জন্যই তারা অধিক মাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে থাকলেও ঝুঁকি কমানোর পক্ষে কেবল বিভাগীয় ব্যবস্থাই যথেষ্ট নয়। এজন্য দেশের পুরো সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন আবশ্যক। এ গবেষণায় বিশ্লেষণকৃত তথ্যগুলোর কালিক ব্যাপ্তি মাত্র তিন বছর। অধিকন্তু পুলিশ ইউনিটের সব ঘটনা যেমন প্রতিবেদনে আসেনি তেমনি সব ঘটনা বিশ্লেষণ করাও সম্ভব হয়নি। তাই এ সম্পর্কে আরো বিস্তৃত সময় নিয়ে পূর্ণাঙ্গ গবেষণা পরিচালনা করা বাঞ্ছনীয়।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *