ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

ডিটেকটিভ ডেস্ক

আপনি যদি ফেসবুক মেসেঞ্জারের ব্যবহারকারীর একজন হন, তাহলে আপনি ঝুঁকিতে রয়েছেন। যদিও সাম্প্রতিক খবরে বলা হচ্ছে- এই প্ল্যাটফর্মটি নতুন করে সুরক্ষার বিষয় যোগ করছে।

কল্পনার চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে এই প্ল্যাটফর্ম। ফলে ফেসবুক এবং এর নিরাপত্তা বিষয়ক সিস্টেমগুলো সম্পর্কে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

অ্যাপলের বিতর্কিত সিএসএএম আপডেটের বিষয়টি শিরোনামে উঠে এসেছে। তবে, ফেসবুক চুপিসারে মেসেঞ্জারে একটি বিশাল পরিবর্তন করে ফেলেছে; অ্যাপল যা করেছে তার তুলনায় এটি আপনার নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তার ক্ষেত্রে আরো গুরুতর প্রভাব ফেলছে।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেসেঞ্জারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো- সবসময় ডিফল্ট এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের অভাব। কয়েক বছর বিলম্ব করে এবং হতাশা দেখে ফেসবুক এখন বলছে যে, তারা দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিষয়টির কার্যকারিতা পরীক্ষা করছে। কিন্তু সেখানে দুটি বিশাল সমস্যা গোপন রয়েছে; যার উভয়টিই আপনাকে জানতে হবে, যদি আপনি অ্যাপটি ব্যবহার করা অব্যাহত রাখতে চান।

ফেসবুক তথ্য সংগ্রহের ব্যবসা করে- আমরা সবাই এটা জানি। ব্যবহারকারী সংগ্রহের ব্যবসাও আছে ফেসবুকের। শুধু সংখ্যার দিকে তাকান। ফেসবুকের চারটি অ্যাপ রয়েছে; যা তিন বিলিয়নের বেশি ইন্সটল করেছে। সেটা হলো- ফেসবুক নিজেই, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রাম। এর বাইরে কেবল টিকটক এই সংখ্যা ছুঁয়েছে।

কিন্তু এইসব প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারকারী কিন্তু এক রকম নয়। সেখানে হোয়াটসঅ্যাপ একেবারেই আলাদা। আপনাকে এই প্ল্যাটফর্মে টেনে নিয়ে আসার জন্য কোনো অ্যালগরিদমিক বিষয়বস্তু নেই। এখানে স্ক্রল করার সময়সীমা নেই, শুধু কারো সঙ্গে কিংবা গ্রুপে চ্যাট করা যায়; যেখানে ব্যবহারকারীরা একে অপরকে গোপনীয়ভাবে বার্তা পাঠায়। ফেসবুক বিজ্ঞাপন দেখায় এবং ব্যবসায়িক পরিষেবাগুলোকে প্রমোট করে। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপ আলাদা।

বহু নামকরা নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ বলছেন, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন সবখানে হওয়া উচিত। ইন্টারনেট সিকিউরিটি কম্পানি ইএসইটি’র জ্যাক মোরে বলেছেন, মেসেঞ্জার সব ধরনের যোগাযোগের ক্ষেত্রে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের গুরুত্বকে ডিফল্ট করার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিঃসন্দেহে এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্মের প্রতি আস্থা বাড়াবে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বন্ধ হয়ে গেছে।

ফেসবুক বলেছে, মেসেঞ্জার এনক্রিপশন এই প্ল্যাটফর্মে শিশু নির্যাতনের বিষয়টি চিহ্নিত করার ক্ষমতা কমিয়ে ফেলবে না। এ বছরের শুরুর দিকে, ফেসবুকের গ্লোবাল পলিসি ম্যানেজমেন্টের প্রধানের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল- শিশু নির্যাতনের রিপোর্ট করা ঘটনাগুলো এনক্রিপশনসহ ‘অদৃশ্য’ বা মুছে ফেলা হবে কি না।

সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, আমি আশা করি এই সংখ্যা কমে যাবে। যদি কন্টেন্ট শেয়ার করা হয় এবং সেই কন্টেন্টে যদি আমাদের প্রবেশাধিকার না থাকে, তাহলে আমরা তা দেখতেও পারবো না এবং রিপোর্টও করতে পারবো না।

এরই অংশ হিসেবে, ফেসবুক এখন বলছে যে, তারা ব্যবহারকারীদের কিছু অধিকার দেবে; যা দ্বারা ব্যবহারকারী ঠিক করবে- কে তার ইনবক্সে পৌঁছাতে পারে, তার রিক্যুয়েস্ট ফোল্ডারে কে যাবে এবং কে তাকে মোটেও বার্তা দিতে পারবে না- এসব নির্ধারণ করার সক্ষমতা দেবে। ফলে ব্যবহারকারীরা অবাঞ্ছিত মিথস্ক্রিয়া থামাতে পারবে। সূত্র : ফোর্বস।

চীনা নভোচারীরা তাদের সবচেয়ে দীর্ঘ মহাকাশ মিশন শেষে পৃথিবীতে ফিরেছেন

চীন সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য তিনজন নভোচারীকে মহাকাশ মিশনে পাঠানোর পর তারা আবার পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন।

চীনের এই সফল মহাকাশ অভিযান চীনের মহাকাশ কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে এবং মহাকাশ গবেষণার দৌড়ে চীন আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ায় তাদের আস্থাও বেড়েছে।

তিনজন নভোচারী পৃথিবীর ৩৮০ কিলোমিটার (২৪০ মাইল) উপরে চীনের তৈরি মহাকাশ স্টেশনে তিয়ানহে মডিউলে ৯০ দিন সময় অতিবাহিত করেন।

তারা স্পেস স্টেশন থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে, শেনঝু-১২ নামের নভোচারী-চালিত মহাকাশযানে ওঠেন।

নিই হাইশেং, লিউ বোমিং এবং টাং হনবো স্থানীয় সময় বেলা একটা ৩৫ মিনিটে মঙ্গোলিয়ার গোবি মরুভূমিতে অবতরণ করেন।

তারা মহাকাশে যাত্রা করেন ১৭ই জুন এবং গোবি মরুভূমি থেকেই তাদের নিয়ে নভোযান রওয়ানা হয়।

চীনের গ্লোবাল টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, মহাকাশ স্টেশনে থাকাকালীন তিন নভোচারী নানা ধরনের কাজ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে পৃথিবীতে বিভিন্ন রকম তথ্য পাঠানো এবং বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে মহাকাশে হাঁটা।

মহাকাশ স্টেশনের মূল যে মডিউলের মধ্যে নভোচারীরা ছিলেন, সেখানে প্রত্যেক নভোচারীর থাকার জন্য আলাদা কক্ষ দেয়া হয়েছিল বলে বলা হয়েছে।

চীনের এয়ারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিস করপোরেশনকে উদ্ধৃত করে গ্লোবাল টাইমস জানাচ্ছে, সেখানে মহাকাশে ব্যবহারের উপযুক্ত জিম ছিল, যেখানে নভোচারীদের ব্যায়ামের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা ট্রেডমিল এবং বাইসাইকেল দেয়া হয়েছিল।

সাম্প্রতিক কয়েক বছরে চীন মহাকাশ গবেষণায় উচ্চাকাক্সক্ষী বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। ২০১৯ সালে চীন ছিল বিশ্বের প্রথম দেশ, যারা চাঁদের সবচেয়ে দূরের অংশে রোবট পরিচালিত রোভারযান পাঠিয়েছিল।

কিন্তু চীনকে মহাকাশে তাদের নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তৈরি করতে হয়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন প্রকল্পে চীনকে অংশ নিতে দেয়া হয়নি।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র প্রকল্পে নেতৃত্ব দিচ্ছে আমেরিকা এবং এই প্রকল্পে তারা রাশিয়া, ইউরোপ, জাপান এবং কানাডার সঙ্গে একযোগে কাজ করছে।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *