ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

ডিটেকটিভ ডেস্ক

১ অক্টোবর : ১. আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস : জাতিসংঘ আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি প্রতিবছরে ১ অক্টোবর পালনের সিদ্ধান্ত নেয় ১৯৯০ সালে। প্রবীণদের সুরক্ষা এবং অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি বার্ধক্যের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯১ সাল থেকে এ দিবসটি পালন করা শুরু হয়। 

২. বিশ্ব নিরামিষ দিবস : নিরামিষ বা শাক-সবজি জাতীয় খাদ্যের উপকারিতা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন ও উৎসাহিত করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালন করা হয়। ১৯৭৭ সালের ১ অক্টোবর থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়।

২ অক্টোবর : আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস : আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস প্রতিবছরে ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে পালিত হয়৷ এছাড়া ভারতে এই দিনটি গান্ধী জয়ন্তী হিসেবে পালিত হয় ৷ ২০০৪ সালের জানুয়ারি মাসে প্যারিসে ইরানি নোবেল বিজয়ী শিরিন এবাদী তার একজন হিন্দি শিক্ষকের কাছ থেকে দিবসটির ব্যাপারে একটি প্রস্তাবনা গ্রহণ করেন ৷ সিদ্ধান্তটি ধীরে ধীরে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের কিছু নেতাদের আকর্ষণ করতে থাকে ৷ ২০০৭ সালে সোনিয়া গান্ধী এবং ডেসমন্ড টিটু জাতিসংঘে সিদ্ধান্তটি পেশ করেন ৷

৫ অক্টোবর : বিশ্ব শিক্ষক দিবস : ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছরে ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে থাকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এই দিবসটি শিক্ষকদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য পালন করা হয়। ইউনেস্কোর মতে, বিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ পালন করা হয়।

বিশ্বের ১০০টি দেশে এই দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। এই দিবসটি পালনে এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল (Education International – EI) ও তার সহযোগী ৪০১টি সদস্য সংগঠন মূল ভূমিকা রাখে। দিবসটি উপলক্ষে ইআই প্রতি বছর একটি প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করে থাকে, যা জনসচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষকতা পেশার অবদানকেও স্মরণ করিয়ে দেয়।

৮ অক্টোবর : বিশ্ব দৃষ্টি দিবস : বিশ্ব দৃষ্টি দিবস প্রতি বছরে অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অন্ধত্ব এবং চোখের বিকলতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বিশ্বজুড়ে পালন করা হয়। ২০০০ সালে লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃক অনুষ্ঠিত সাইট-ফার্স্ট-ক্যাম্পেইনের ফলে এই দিবসের শুরু হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় আন্তর্জাতিক অন্ধতা দূরীকরণ সংস্থার পরিচালনায় এই দিবসটি বহুলভাবে প্রচারিত হয়ে ভিশন ২০২০ পর্যন্ত উন্নীত করা হয়েছে। ৯ অক্টোবর, ২০১৪ সালে বিশ্ব দৃষ্টি দিবসের বিষয়বস্তু ছিল- ‘আর নয় অবজ্ঞাপূর্ণ অন্ধতা’। এটা ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়।

৯ অক্টোবর : বিশ্ব ডিম দিবস : বিশ্ব ডিম দিবস প্রতিবছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার উদযাপিত হয়। ডিমকে বিশ্বে একটি উন্নতমানের ও সহজলভ্য আমিষজাতীয় খাদ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন (আইইসি) স্থাপিত হয় ১৯৬৪ সালে। বর্তমানে এই সংস্থার সদস্যসংখ্যা ৮০। সংস্থাটি প্রাণিজ আমিষের চাহদিা পূরণ, স্বাস্থ্যবান ও মেধাবী জাতি গঠন এবং সর্বোপরি ডিমের গুণাগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় প্রথম ‘বিশ্ব ডিম দিবস’ পালনের আয়োজন করে, যা পরবর্তী সময়ে প্রতিবছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার পালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত প্রভৃতি দেশসহ সারা বিশ্বের ৪০টি দেশে পালিত হয় ‘বিশ্ব ডিম দিবস’, যার পরিধি ও ব্যাপ্তি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশ্ব ডাক দিবস : বিশ্ব ডাক দিবস (World Post day) ১৮৭৪ সালের এই দিনে সুইজারল্যান্ডের বের্ন শহরে বিশ্ব ডাক সংস্থার (ইউপিইউ) প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীকে স্মরণ করে প্রতি বছরে ৯ অক্টোবর গোটা বিশ্বজুড়ে পালন করা হয়। বিশ্ব ডাক সংস্থা চিঠি লিখে তথ্য আদান-প্রদান এবং যোগাযোগের মাধ্যমে ডাক বিভাগে বৈশ্বিক বিপ্লবের সূচনা করে। ডাক সেবার প্রচার এবং প্রসার এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য। ১৯৬৯ সালে জাপানের টোকিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ডাক সংস্থার সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সদস্য, শ্রী আনন্দ মোহন কর্তৃক এই প্রস্তাব পেশ করা হয় এবং ৯ অক্টোবরকে বিশ্ব ডাক দিবস হিসেবে প্রথম ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে ডাক সেবার গুরুত্বের উপর আলোকপাত করে সারা বিশ্বে এই দিবস পালন করা হয়।

১০ অক্টোবর : বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস : বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস (১০ অক্টোবর) হলো পৃথিবীর সবার মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, সচেতনতার দিন। এটি ১৯৯২ সালে প্রথমবার পালন করা হয়েছিল। কিছু দেশে একে মানসিক রোগ সচেতনতা সপ্তাহের অংশ হিসেবে পালন করা হয়।

১১ অক্টোবর : আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস : আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস গোটা বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘ রাষ্ট্রগুলো প্রতিবছরে ১১ অক্টোবর তারিখে পালন করে। এই দিবসকে মেয়েদের দিনও বলা হয়। ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর তারিখে প্রথম এই দিবস পালন করা হয়েছিল। লিংগ বৈষম্য দূর করা এই দিবসের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলো হলো শিক্ষার অধিকার, পরিপুষ্টি, আইনি সহায়তা ও ন্যায় অধিকার, চিকিৎসা সুবিধা ও বৈষম্য থেকে সুরক্ষা, নারীর বিরুদ্ধে হিংসা ও বলপূর্বক তথা বাল্যবিবাহ। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল নামের বেসরকারি অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতাতে একটি প্রকল্প রূপে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবসের জন্ম হয়েছিল। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল ‘কারণ আমি একজন মেয়ে’ (Because I Am a Girl) নামক আন্দোলনের ফলে এই দিবসের ধারণা জাগ্রত হয়েছিল। এই আন্দোলনের মূল কার্যসূচি হলো গোটা বিশ্বজুড়ে কন্যার পরিপুষ্টি সম্পর্কে জন সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই সংস্থার কানাডার কর্মচারীরা সবাই এই আন্দোলনকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠা করতে কানাডা সরকারের সহায়তা নেয়।

১৪ অক্টোবর : বিশ্ব মান দিবস : বিশ্ব মান দিবস প্রতি বছরে ১৪ অক্টোবর আন্তর্জাতিকভাবে উদযাপিত একটি দিবস। পণ্যসেবা প্রভৃতির মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী কর্মরত বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের অবদানের প্রতি সম্মান জানানোর জন্যই এই দিনটির অবতারণা। এই দিনটি মূলত পণ্যসেবা প্রভৃতির মান উন্নয়ন ও বজায় রাখার প্রতি কর্তৃপক্ষ, উদ্যোক্তা এবং ভোক্তাদের সচেতন করার উদ্দেশ্যেই করা হয়। ১৯৪৬ সালের ১৪ অক্টোবর লন্ডনে বিশ্বের ২৫টি দেশের প্রতিনিধিরা বিশ্বব্যাপী পণ্যসেবার মান বজায় রাখার জন্য একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নির্ধারক সংস্থার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন, যা পরের বছর থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। ঐদিনকে স্মরণীয় করে রাখতেই এ দিবস বৈশ্বিকভাবে পালন করা হয়। ১৯৭০ সাল থেকে আইএসও এই দিনটি পালন করে আসছে। প্রত্যেক বছরই দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় চলমান বিষয়াদিকে ঘিরে নির্ধারণ করা হয়।

১৫ অক্টোবর : বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস : বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস বা বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা তৈরি ও উদ্বুদ্ধকরণের জন্য চালানো একটি প্রচারণামূলক দিবস। প্রতি বছরে ১৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী এটি পালিত হয়ে থাকে। জনসাধারণের মধ্যে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার মাধ্যমে রোগের বিস্তার রোধ করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করার উদ্দেশ্যে এই দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার বৈশ্বিক এবং স্থানীয় দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করার জন্য বিশ্ব হাত ধোয়া অংশীদার (GHP) (আগে নাম ছিল ‘হাত ধোয়ার জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব’ (PPPHW) ২০০৮ সালে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস চালু করে।

বিশ্ব ছাত্র দিবস : বিশ্ব ছাত্র দিবস প্রতি বছরে ১৫ অক্টোবর পালিত হয় এক অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনার্থে। সেই ব্যক্তিত্বটি হলেন ভারতের মহান মহাকাশ বিজ্ঞানী ও একাদশ রাষ্ট্রপতি (২০০২ – ২০০৭) এ. পি. জে. আবদুল কালাম ( ১৯৩১ – ২০১৫)।

১৬ অক্টোবর : বিশ্ব খাদ্য দিবস : বিশ্ব খাদ্য দিবস উদযাপন শুরু হয় ১৯৮১ সালের প্রথম আনুষ্ঠানিকতা আর প্রতিপাদ্য নিয়ে। ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা FAO (Food and Agricultural Organisation) প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বের মানুষের প্রয়োজনীয় খাদ্যের জোগান, দরিদ্র ও পুষ্টিহীনতা দূর করে ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে FAO তাদের কার্যক্রম শুরু করে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা অধ্যুষিত এ পৃথিবীর প্রায় ছয় দশমিক পাঁচ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে এখন প্রায় ৮৫০ মিলিয়ন মানুষ খাদ্যের অভাবে দরিদ্র্যের কষাঘাতে ধুঁকে মরছে। তাই তো FAO চেষ্টা চালাচ্ছে ২০১৫ সালের মধ্যে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে, খাদ্য মূল্য বৃদ্ধি , দরিদ্রতা, অসম খাদ্য বণ্টন ইত্যাদির কারণে এটি ২১৫০ সালের আগে অর্জিত হবে না বলে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান জানান।

১৭ অক্টোবর : আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য দূরীকরণ দিবস : সবার জন্য টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে পালিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য দূরীকরণ দিবস। দারিদ্র্য দূর করার জন্য ১৯৯৩ সাল থেকে প্রতি বছরে ১৭ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

১৮ অক্টোবর : বিশ্ব রজঃক্ষান্তি দিবস : প্রতিবছর জাতিসংঘের উদ্যোগে আয়োজিত হয় বিশ্ব শহর দিবস। এ দিবসটি সাধারণত নগরায়নের ‘সফলতার দিক বা উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ’ কে ঘিরে আবর্তিত হয়। এ বছর বিশ্বব্যাপী ৩১ অক্টোবর ‘যত্নে থাকুক কমিউনিটি ও শহর’ মূল প্রতিপাদ্য নিয়ে দিবসটি পালিত হবে। বিশ্ব শহর দিবসের এবারের উদ্দেশ্য এমন একটি টেকসই নগরায়নের পরিকল্পনা তৈরি করা, যা এই মহামারীর সময়ের জন্য উপযোগী হবে। ২০২০ সালে এ দিবস পালনের মাধ্যমে আমরা জানতে পারবো কীভাবে মেগাসিটিগুলো সাম্প্রতিক সময়ে উদ্ভূত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে এবং এ সম্পর্কে করণীয় কী।

২২ অক্টোবর : টাইপ রাইটার এবং কম্পিউটারে ক্যাপস লকের গুরুত্ব ও এর প্রতি গভীর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীরা প্রতি বছরের ২২ অক্টোবরকে ‘ক্যাপস্ লক ডে’ হিসেবে পালন করে থাকে।

৩০ অক্টোবর : বিশ্ব শহর দিবস : প্রতিবছর জাতিসংঘের উদ্যোগে আয়োজিত হয় বিশ্ব শহর দিবস। এ দিবসটি সাধারণত নগরায়ণের ‘সফলতার দিক বা উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ’ কে ঘিরে আবর্তিত হয়। এ বছর বিশ্বব্যাপী ৩১ অক্টোবর ‘যত্নে থাকুক কমিউনিটি ও শহর’ মূল প্রতিপাদ্য নিয়ে দিবসটি পালিত হবে। বিশ্ব শহর দিবসের এবারের উদ্দেশ্য এমন একটি টেকসই নগরায়ণের পরিকল্পনা তৈরি করা, যা এই মহামারির সময়ের জন্য উপযোগী হবে।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *