ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

তানভীর সালেহীন ইমন পিপিএম

২৫ মার্চ ১৯৭১, সমরাস্ত্রে সুসজ্জিত পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নৃশংস বর্বরোচিত গণহত্যার প্রথম লক্ষ্যস্থল ছিলো রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্। অকুতোভয় বীর বাঙালি পুলিশ সদস্যরা দেশপ্রেমের দৃপ্ত শপথে, স্বাধীনতার স্বপ্নকে সার্থক করতে বুকের তাজা রক্তে রাজারবাগে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার দুঃসাহসী প্রতিরোধযুদ্ধের বিস্ময়কর অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।

২৫ মার্চ সকাল থেকেই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য আসতে থাকে। পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে টহল টিম পাঠানো হয় শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে। বিকেলে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী রাজারবাগের আশেপাশের রাস্তায় ট্রাকে করে রেকি করে যায়। সেদিন দুপুরের পর থেকেই পুরো ঢাকা শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিলো। সন্ধ্যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী জনাব হাজী গোলাম মোর্শেদ সাহেবের১ এর মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণের জন্যে বার্তা পাঠান। বঙ্গবন্ধুর আহ্বান দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্বের প্রতি অগাধ আস্থা ও অবিচল থেকে পুলিশ সদস্যরা দেশমাতৃকার স্বাধীনতার জন্যে নিজেদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও মুক্তির মন্ত্রে দীক্ষিত হয়েছিলেন।

পুলিশের পূণ্যভূমি রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্রে ২৫ মার্চ ঘটনাক্রমের সংক্ষিপ্তসার:

বেলা ১২:০০ টা : পুলিশের বিভিন্ন সোর্স থেকে অনিশ্চিত কিছু ঘটনা ঘটতে পারে মর্মে সংবাদ আসতে থাকে ফলে বাঙালি পুলিশ সদস্যরা নিজেদের মধ্যে শলা পরামর্শ এবং যোগাযোগ বৃদ্ধি করে।

দুপুর ২:০০ টা : পুলিশ কন্ট্রোল রুমে পুলিশের টহল টিমের সদস্যদের কাছ থেকে শহরের থমথমে অবস্থার সংবাদ আসা শুরু হয়। পাকিস্তানীদের সাথে সমঝোতার আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় সম্ভাব্য চূড়ান্ত আক্রমণ স্পষ্ট হতে থাকে।

বিকাল ৪:০০ টা : তেজগাঁও, মিরপুর এর শ্রমিক অধ্যুষিত অঞ্চল থেকে সংবাদ আসতে থাকে অবাঙালি শ্রমিকরা বিভিন্ন স্থানে আক্রমণাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সংক্ষুব্ধ অবস্থায় প্রতারক পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্যে প্রস্তুত হতে শুরু করে।

সন্ধ্যা ৭:০০ টা : রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্রে বিভিন্ন সূত্র থেকে সম্ভাব্য আক্রমনের সংবাদ আসতে থাকে। বাঙালি পুলিশ সদস্যরা সংক্ষুব্ধ হয়। নিজেদের মানসিকভাবে তীব্র প্রতিরোধ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী রাজারবাগে অস্ত্র সংগ্রহের জন্যে প্রবেশ করলে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাদের সাথে একাত্মতা পোষণ করেন।

রাত ৯:৩০টা : রাজারবাগে অবস্থানরত সার্জেন্ট মর্তুজার নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক পুলিশ সদস্যরা সালামি গার্ডের সামনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে স্যালুট দিয়ে জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানান।

ঐ রাতের প্রত্যক্ষদর্শী বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সদস্য আবু শামা বলেন “২৫ মার্চ রাত ৯.৩০ এর দিকে আমরা রাজারবাগ অস্ত্রাগারের সামনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করি। শ্লোগান দেই – বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।”

রাত ৯:৪৫ টা : স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর বীর বাঙালি পুলিশ সদস্যরা অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে তালাবন্ধ দেখে তৎকালীন রিজার্ভ ইন্সপেক্টর মফিজউদ্দিন এর বাসায় চাবি সংগ্রহের জন্যে গিয়ে তার বাসাও তালাবদ্ধ দেখতে পান। সংক্ষুব্ধ বাঙালি পুলিশ সদস্যরা সেন্ট্রির হাতের অস্ত্র দিয়ে গুলি ছুড়ে সম্পূর্ণ ভাঙতে না পেরে শাবল দিয়ে অস্ত্রাগারের প্রবেশমুখ ভেঙে চার শতাধিক অস্ত্র নিয়ে রাজারবাগের বিভিন্ন ভবন ও এর আশেপাশে অবস্থান নেন।

রাত ১০:০০ টা : তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় টহলরত পুলিশের টিম (চার্লি ৭) জানায়, “পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর একটি বড় কনভয় যুদ্ধসাজে শহরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।”

রাত ১০:৩০ টা: বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে পুলিশের পেট্রোল টহল টিম রেসকোর্স ময়দানের উত্তর, দক্ষিণ দিক দিয়ে সেনাবাহিনীর ৭০/৮০ টি সাঁজোয়া যান অপেক্ষারত মর্মে সংবাদ দেয়।

রাত ১১:০০ টা : হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে অবস্থানরত পুলিশের টহল টিম পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যান অত্র এলাকা অতিক্রমের সংবাদ দেয় এবং পুলিশের পেট্রোল কারটি রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্ েএসে পৌঁছে। পুলিশ সদস্যরা যে যার মতো প্রতিরোধ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে।

রাত ১১:২০ টা : পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্রে চারপাশে অবস্থান নেয়। নিশ্চিত আক্রমণ প্রতিরোধে মুক্তি ও স্বাধীনতার সুমহান ব্রতে বীর পুলিশ সদস্যগণ মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে প্রাণপণ লড়াই এর প্রস্তুতি নেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা কনস্টেবল আঃ আলী পাগলা ঘন্টা বাজালে পুলিশ সদস্যরা একত্রিত হন স্বাধীনতার অন্বেষায় প্রতিরোধ যুদ্ধের।

রাত ১১:৪০ : পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর কনভয় রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্রে মূল ফটকে পৌঁছে।

রাত ১১:৪৫: রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্রে দক্ষিণ ও দক্ষিণ- পূর্ব দিক থেকে গুলিবর্ষণ হয়। একই সময়ে প্যারেড গ্রাউন্ড, উত্তর পূর্ব দিকের শাহজাহানপুর ক্রসিং, মালিবাগ ক্রসিং থেকে গুলির শব্দ শোনা যায়।

রাত ১১:৫০ টা : রাজারবাগ পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ওয়ারলেস অপারেটর পুলিশ সদস্য শাহজাহান মিয়ার ভাষ্যমতে “রাত ১১.৫০ মিনিটের দিকে পাকিস্তানী বাহিনী চামেলীবাগে প্রথম পুলিশ ব্যারিকেডের মুখে পড়ে। সেখানেই দুই পাকিস্তানী সেনা পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

এটাই ছিলো স্বাধীনতার সংগ্রামে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রথম বুলেট।

তিনি আরও জানান – আমি এবং ওয়ারলেস অপারেটর মনির তখন ওয়ারলেস রুমে চলে যাই। সেখানে একটি ওয়ারলেস বার্তা লিখে ১৯ জেলা, ৩৬ সাব ডিভিশন ও সব পুলিশ লাইনসে্ ওয়ারলেসের মাধ্যমে জানিয়ে দেই। বার্তাটি ছিলো- Base, for all station of East Pakistan Police, We are already attacked by the Pak army, try to save yourself over”২

আমি বেশ কয়েকবার মেসেজটি ট্রান্সমিট করি। তাৎক্ষণিকভাবে পাঠানো এই বার্তা প্রচারের ফলে পাকিস্তানীদের বর্বরোচিত আক্রমণের সংবাদ সারাদেশে ছড়িয়ে যায়।”

প্রত্যক্ষদর্শী শাহীন রেজা নূর তাঁর স্মৃতিকথায় বলেছিলেন “পুলিশ সদস্যরা রাইফেল ও ওয়ারলেস নিয়ে চামেলীবাগে আসে, বিভিন্ন বাসায়। ব্যারিকেড দেয় রাস্তায়। শান্তিনগর, চামেলীবাগ ও মালিবাগ থেকে আক্রমণ করে পাকিস্তানীরা। রাজারবাগ পরিণত হয় ভয়ঙ্কর যুদ্ধক্ষেত্রে।”

রাত ১২:০০ টা : বাঙালি পুলিশ সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধে হতচকিত হয়ে যায় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী। সহস্র বুলেটের এলোপাথাড়ি গুলিতে থমকে যায় ক্ষণিকের জন্যে পাকিস্তানীদের আক্রমণ।

রাত ১২:৩০ টা : পুলিশ সদস্যরা গেরিলা পদ্ধতিতে পাকিস্তানী বাহিনীর উপর আক্রমণ চালায় এবং অনেককে হতাহত করে। পুলিশের একটি দল অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ মালিবাগ, চামেলীবাগ দিয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের এসব অনেক অস্ত্র ব্যবহার হয়েছে পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ শিবিরে ও সম্মুখযুদ্ধে।

রাত ৩:৩০: প্রায় সাড়ে ৬ ঘন্টার সশস্ত্র যুদ্ধে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর ভারি অস্ত্র, ট্যাংক, কামান আর মর্টারের আক্রমণ দুর্নিবার দাপটে প্রবল প্রতিরোধ করতে গিয়ে বাঙালি পুলিশ সদস্যদের গোলা বারুদ শেষ হয়ে আসে। অন্ধকারে পুলিশের অবস্থান খুঁজে পাওয়ার জন্যে আকাশে গ্যাস আর বুলেট, ম্যাগনেসিয়াম ফ্লেয়ার দিয়ে আলোকিত করে পুলিশ সদস্যদের অবস্থান শনাক্তের মাধ্যমে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করে।

‘শহিদ পুলিশের রক্তের ঋণ’ গ্রন্থে পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা লিখেছেন “সেদিন আটশ পাক সেনা পুলিশ লাইনস্ আক্রমণ করে। রাজারবাগের পুলিশেরা প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করে থ্রি নট থ্রি রাইফেল দিয়ে। এসময় পাকবাহিনী একটু থমকে গেলেও ট্যাংক, মর্টার, হেভি মেশিনগান নিয়ে গুলিবর্ষণ করে পুলিশ সদস্যদের হত্যা করতে থাকে।”

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনামতে সকাল হওয়ার আগেই পাকিস্তানী সেনাবাহিনী রাজারবাগ থেকে ট্রাকে করে লাশ সরিয়ে ফেলেছিলো। পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সেই রাতের ওয়ারলেস মেসেজের তথ্যানুযাযী জানা যায় তারা নিজেরাও হিসেব রাখতে পারেনি কতজন হত্যা করেছে!

Ò26 Rozer, The dead bodies cannot be counted at the moment and we let you know about the dead bodies of policeman laterÓ৩

রাজারবাগ থেকে অস্ত্র সরিয়ে নিতে পাকিস্তানীরা তিনটি ট্রাক নিয়ে আসে।  বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সদস্য আব্দুল আলী বলেন “২৬ মার্চ ভোরে পাকিস্তানী বাহিনী রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্রে ভিতরে প্রবেশ করে এবং দখল নেয়। আমরা অনেক পুলিশ সদস্যদের লাশ পড়ে থাকতে দেখি। বেশিরভাগ পুলিশ সদস্যই নিরাপদ আশ্রয়ে রাজারবাগ থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হই। ঐ রাতে কতজন হতাহত হয় সঠিক তথ্য জানা নেই। ২৮ মার্চ পর্যন্ত তাদের আটক করে রাখা হয়। আমাদের কোনো খাবার এমনকি পানি পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। এরপর ঢাকা জেলার তৎকালীন পুলিশ সুপার ই এ চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। আমাদের সেখান থেকে ছেড়ে দিয়ে একটা নির্দিষ্ট দিনে কাজে যোগ দিতে বলা হয় কিন্তু আমরা তা না করে পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেই।”

প্রত্যক্ষদর্শী বীর মুক্তিযোদ্ধা নাট্য অভিনেতা আলী যাকের তাঁর স্মৃতিচারণে বলেছিলেন “ভোর ৪. ৩০ মিনিটে বাসায় দুই পুলিশ সদস্য থ্রি নট থ্রি রাইফেল নিয়ে যায়। আমাদের গুলি ফুরিয়ে গেছে নাহলে যুদ্ধ চালিয়ে যেতাম। অস্ত্রগুলো যতœ করে রাখেন। দেশ স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে।” উল্লেখ্য ১৪০০০-এর বেশি পুলিশ সদস্য পাকিস্তান সরকারের আনুগত্য অস্বীকার করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

ঢাকা পৌরসভার সুইপার পরিদর্শক সাজেব আলী তার স্মৃতি কথায় লিখেছেন “২৬ মার্চ সকালে বাবুবাজার পুলিশ ফাঁড়ির প্রবেশ পথে পুলিশের ইউনিফর্ম পড়া ১০ টি লাশ পড়ে থাকতে দেখি।”

ডিআইজি হাবিবুর রহমান সম্পাদিত ‘মুক্তিযুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ’ গ্রন্থে সংক্রান্তে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত  ঘটনাপ্রবাহ সেই রাতের প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশিষ্টজনদের সাক্ষাৎকারসহ সুন্দরভাবে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

২৫ মার্চ অভিশপ্ত কালো রাতে বর্বর হানাদার বাহিনী রাজারবাগে পুলিশ, বাবুর্চি, সুইপার কাউকেই ছাড় দেয়নি। চারজন বাবুর্চিকেও তারা হত্যা করে। রিজার্ভ অফিসের সমস্ত কাগজ পুড়িয়ে দেয়। ফলে অনেক শহীদ দেশপ্রেমিক পুলিশ সদস্যদের স্বজনরা সনাক্ত করতে পারেননি প্রিয়জনদের। অনেকের ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি।

যাঁদের আত্মত্যাগে মুক্ত স্বদেশ সেই সকল শহীদ পুলিশ সদস্যের প্রকৃত তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুনের লেলিহান শিখায় ভস্মীভূত আর বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দেয়া বীর পুলিশ সদস্যদের রক্তের স্রোত মিশেছে ছাপ্পানো হাজার বর্গমাইলের প্রিয় ভূখন্ডের জলে-স্থলে ও বাতাসে।

রাজারবাগে পুলিশের এই অসম দুঃসাহসি প্রবল প্রতিরোধ যুদ্ধের সূচনা মহান মুক্তিযুদ্ধের পথ পরিক্রমায় উদ্দীপনা শক্তি হিসেবে কাজ করেছে।

(চলবে)

সূত্র : ১,২,৩ ঃ ডকুমেন্টারি থেকে নেওয়া।

  লেখক : অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *