ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

জহিরুল হক শামীম

মুজিববর্ষ বাংলাদেশের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের জন্য ঘোষিত বর্ষ। বাংলাদেশ সরকার ২০২০-২১ সালকে মুজিববর্ষ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত  এ বর্ষ উদযাপন করা হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ  ২০২১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার অর্ধ-শত বার্ষিকীতে পদার্পণ করবে।

বৈশ্বিক উদযাপন

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক অঙ্গসংগঠন ইউনেস্কোর ৪০তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে মুজিববর্ষ পালনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২০১৯ সালের ১২-২৭ নভেম্বরে প্যারিসে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ২৫ নভেম্বরে ইউনেস্কোর সকল সদস্যের উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

কর্মসূচী

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারের পাশাপাশি প্রতি বছরের মতই তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, জাতীয় শোক দিবস এবং জেল হত্যা দিবসও পালিত হবে। এছাড়াও বাংলাদেশ সরকার জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিব বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে বছরব্যাপী পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ। জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সমন্বয়ে নানা পরিকল্পনা করেছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যে ২৯৬টি পরিকল্পনার তালিকা করেছে ওই কমিটি। এর মধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিবস ঘিরে বড় পরিসরের কর্মসূচির পাশাপাশি পুরো বছরে থাকছে বিভিন্ন আয়োজন। থাকছে আনন্দ আয়োজন, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্রের পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা, বাংলা ও ইংরেজিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব জন্মশতবার্ষিকী স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ।

মুজিববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি’এবং ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’ নামে দুটি কমিটি গঠন করা হয়।

বাস্তবায়ন কমিটির অধীনে সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও আলোচনা সভা আয়োজন, আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী আয়োজন, প্রকাশনা ও সাহিত্য অনুষ্ঠান, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা ও অনুবাদ, ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন, মিডিয়া, প্রচার ও ডকুমেন্টেশন এবং চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র নামে আটটি উপকমিটিও কর্মসূচি নির্ধারণে কাজ করেছে।

জন্মশতবার্ষিকীর মূল আয়োজন শুরু হবে ১৭ মার্চ সূর্যোদয়ের ক্ষণ থেকেই। ওইদিন সকালে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনীর তোপধ্বনির মাধ্যমে শুরু হবে মূল অনুষ্ঠান। ঢাকা ও গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একই সঙ্গে অনুষ্ঠান শুরু হবে।

১৭ মার্চ ২০২০

সব সরকারি, বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, টুঙ্গীপাড়ায় জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দেশব্যাপী বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা আয়োজন করা হবে।

জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক আয়োজন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি সেদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা।

এদিন জেলা ও উপজেলায় বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন হবে। ওইদিন সকালে টুঙ্গিপাড়ায় থাকবে জাতীয় শিশু দিবস নিয়ে নানা আয়োজন। এরপর বিকালে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হবে মূল আয়োজন, যাতে প্রকাশ করা হবে জন্মশতবার্ষিকীর বিভিন্ন স্যুভেনির, স্মারক বক্তৃতা, দেশী-বিদেশী শিল্পীদের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আয়োজন করা হবে আনন্দ শোভাযাত্রা। রাজধানীসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সড়কদ্বীপকে সাজানো হবে রঙিন সাজে।

১৭ মার্চ অনুষ্ঠানের মূল পর্বে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান, বঙ্গবন্ধুর সমসাময়িক সময়ের রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত থাকবেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, ইউনেস্কোর সাবেক মহাসচিব ইরিনা বুকোভা ও আরব লিগের সাবেক মহাসচিব আমর মুসা এ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন। আমন্ত্রণের তালিকায় থাকা আন্তর্জাতিক নেতাদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, ভারতের কংগ্রেস পার্টির গুরুত্বপূর্ণ নেতা সোনিয়া গান্ধী, বিজেপির নেতা ও ভারতের সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী এলকে আদভানি, জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেল, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ প্রমুখ।

১৮ মার্চ জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন বসবে, যাতে উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন দেশ থেকে আসা আমন্ত্রিত অতিথিরা। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার দিবস ও ৭ জুন ছয় দফা দিবস উদযাপন নিয়ে থাকবে নানা আয়োজন।

২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রোজ গার্ডেনে হবে সেমিনার। এছাড়া ওইদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হবে সমাবেশ ও আনন্দ শোভাযাত্রা। এরপর জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আগস্টজুড়ে থাকছে আওয়ামী লীগ ও উদযাপন কমিটির উদ্যোগে নানা আয়োজন।

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সর্বপ্রথম বাংলায় ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। তাই এ বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ প্রদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য  নিয়ে আলোচনা হবে। একই দিন বাংলাদেশেও আলোচনা ও সেমিনার করা হবে। একই সঙ্গে দেশের সব স্থানে টিভি, রেডিও, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ভাষণ প্রচার করা হবে। জেল হত্যা দিবস ও বুদ্ধিজীবী দিবসে থাকবে আলোচনা সভা, সেমিনারসহ নানা আয়োজন। এ বছরের বিজয় দিবসও পালন করা হবে জাঁকজমকভাবে।

১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি জাতির পিতাকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেয়া হয়। ২০২১ সালের ওইদিনটিকে স্মরণীয়ভাবে পালন করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ওইদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। ২০২১ সালের ৭ মার্চ থেকে সাতদিনের কর্মসূচি ও জয় বাংলা কনসার্টের আয়োজন করা হবে।

বর্ষব্যাপী কর্মসূচি পালনে ২৯৬টি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে উদযাপন কমিটি। এর মধ্যে রয়েছে আনন্দ আয়োজন, সেবা ও উন্নয়নের বিষয়গুলো, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, প্রমাণ্যচিত্রের পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা, বঙ্গবন্ধুর নামে একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন, গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতিকৃতি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরণ, বাংলা ও ইংরেজিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব জন্মশতবার্ষিকী স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ। এছাড়া ইউনেস্কোয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নামে পুরস্কার প্রবর্তনের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিদেশে আরো পাঁচটি বঙ্গবন্ধু চেয়ার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজে বঙ্গবন্ধু সেন্টার স্থাপন, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউজ অব লর্ডসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান আয়োজন ও অনুষ্ঠানটিতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল, এমন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য দেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। লন্ডনে মাদাম তুসো জাদুঘর ও জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ভাস্কর্য স্থাপনের উদ্যোগের পাশাপাশি ব্রিটিশ মিউজিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জীবন ও আদর্শভিত্তিক চিত্রকর্ম এবং আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন মুজিব ফেলোশিপ অ্যান্ড ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম চালু করবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বিদেশ সফর নিয়ে একটি শর্টফিল্ম ও ছবিগুলো নিয়ে একটি স্টিলফিল্ম বা ভিডিও তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে সেমিনারের অডিও, ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনী। ভারতের ত্রিপুরা, মেঘালয়, আসাম ও শিলংয়ে নাগরিক মিলনমেলার আয়োজন থাকবে। এছাড়া এ বছর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশ্বের সব দেশে রোপণ করা হবে ১০০টি করে গাছের চারা। যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্টজনদের নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করা হবে। আগামী মে মাসে অনুষ্ঠিত হবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউটে ‘শেখ মুজিব ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক সেমিনার।

এছাড়া দেশের পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সেমিনার, আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হত্যাকান্ডের নির্মমতা ও সাক্ষীদের জবানবন্দি নিয়ে সেমিনার ও ওয়ার্কশপ এবং আলোচনা সভা করা হবে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২১ বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করা হবে। জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে নভেম্বরে ঢাকা আন্তর্জাতিক বইমেলা করা হবে।

যাত্রা ও লোকনাট্য, জেলা পর্যায়ে ৬৩টি নৃত্যানুষ্ঠান আয়োজন এবং দেশ ও বিদেশে চারুকলার প্রদর্শন রয়েছে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানসূচীতে। চারুকলা প্রদর্শনের জন্য ১০টি ঘটনার ওপর ভিত্তি করে বড় আকারের (৮ ফুট/২৪ ফুট) ১০টি বাস্তবধর্মী চিত্রকর্ম আঁকা হবে। নির্মাণ করা হবে ১০টি নতুন মঞ্চনাটক ও পথনাটক। ৬৪ জেলায় একটি নাটক ও একটি পথনাটকের প্রদর্শনী করা হবে। আটটি বিভাগে আটটি নাটক উৎসব আয়োজিত হবে। বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলমান ৫০টি নাটককে সহায়তা প্রদান, পাঁচটি শিশু নাটক নির্মাণ ও ২০টি প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে। দেশব্যাপী ও শতকণ্ঠে আমার পরিচয় কবিতা, বঙ্গবন্ধুর প্রিয় কবিতা ও তাঁকে নিয়ে রচিত কবিতা আবৃত্তি থাকবে আয়োজনের অংশ হিসেবে। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ থেকে ১ ঘণ্টার পান্ডুলিপি প্রযোজনা নিয়ে দুটি অনুষ্ঠান করা হবে।

আন্তর্জাতিক প্রকাশনা ও অনুবাদের মধ্যে রয়েছে ইংরেজিতে ছবি, স্কেচ ও আলোকচিত্র নিয়ে কফি টেবিল বই শেখ মুজিব লাইফ অ্যান্ড টাইমস এবং বায়োগ্রাফি অব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রকাশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের চীন সফর নিয়ে অনুবাদ গ্রন্থ প্রকাশ, বঙ্গবন্ধুর নির্বাচিত ভাষণ ইংরেজি ছাড়াও হিন্দি, উর্দু, ফরাসি, জার্মান, চাইনিজ, আরবি, ফার্সি, স্প্যানিশ, রুশ, ইতালিয়ান, কোরিয়ান ও জাপানি ভাষায় অনুবাদ করা হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীভিত্তিক অ্যালবাম, জীবন ও কর্মভিত্তিক ১০০টি প্রকাশনের লক্ষ্য রয়েছে।

বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী, মেলার আয়োজন করা হবে। এছাড়া সুবিধাজনক সময়ে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার বা সেন্ট্রাল পার্ক ও লন্ডনের রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে কনসার্ট আয়োজন করা হবে। ইউনেস্কোয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশেষ আন্তর্জাতিক স্কাউট জাম্বুরি আয়োজন করা হবে গাজীপুরের মৌচাকে।

এ বছরের ১৭ মার্চ থেকে আগামী বছরের ১৭ মার্চ জেলা ও থানা, দেশ ও বিদেশের বড় বড় শহরে ডিজিটাল স্ক্রিন স্থাপন করে নতুন নতুন কনটেন্ট সরবরাহ ও প্রচার করা হবে। সারা দেশে এক হাজার ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন করে প্রচার করা হবে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ওপর বিভিন্ন কনটেন্ট। প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে অডিও ভিজুয়াল প্রদর্শনীর আয়োজন থাকছে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা ২৫টি দেশের যেসব গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, তা সংগ্রহ ও প্রকাশ করা হবে। ইউটিউব, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয় আপলোড করা হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে নির্মিত কনটেন্ট। সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোয় জাতীয় সংবাদে গুরুত্বের সঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্বাচিত ভাষণের অংশবিশেষ ও জন্মশতবার্ষিকীর খবর প্রচার করা হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নামে একটি আর্কাইভ স্থাপন করা হবে, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে প্রকাশিত সব লেখা ও অডিও-ভিডিও প্রকাশনাগুলো সংগৃহীত থাকবে। দেশের সব লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার স্থাপন, ট্রেন ও জাহাজ জন্মশতবার্ষিকীর লোগো/ট্যাগ লাইন দিয়ে সজ্জিত করা হবে।  চালু করা হবে বিনা মূল্যে ভ্রমণের জন্য বিশেষ ট্রেনসেবা। হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মত্স্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হবে। জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আয়োজন ও সারা দেশে জেলা-উপজেলায় সপ্তাহব্যাপী মুজিব মেলার আয়োজন করা হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন ঘটনা ও স্থান নিয়ে ৬৪ জেলায় চিত্রায়ণপূর্বক ‘আমাদের বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে ৬৪টি অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করা হবে বছরব্যাপী এ উৎসবে।

উদযাপন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা বলেন, ব্যক্তিজীবনে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়ামোদী ছিলেন। তিনি নিজেও ফুটবল খেলতেন। ক্লাব পর্যায়ের ফুটবলও খেলেছেন তিনি। তাই মুজিব বর্ষে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলার ইভেন্ট আয়োজন করা হবে। এর মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ ফুটবল-২০২০, দুটি আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেট ম্যাচ, জাতির পিতার নামে আন্তর্জাতিক হকি টুর্নামেন্ট, আন্তর্জাতিক সাফ অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপ, বিশ্ব কাবাডি প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক ভলিবল প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক রোলবল গোল্ডকাপ, আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা, ইন্টারন্যাশনাল এয়ারগান চ্যাম্পিয়নশিপ, আন্তর্জাতিক বয়সভিত্তিক সাঁতার প্রতিযোগিতা, ইন্টারন্যাশনাল আরচারি চ্যাম্পিয়নশিপ, থ্রি অন থ্রি (বিচ) বাস্কেটবল চ্যাম্পিয়নশিপ, আন্তর্জাতিক মহিলা বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টারস দাবা প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস টুর্নামেন্ট, আন্তর্জাতিক টেনিস প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিকস প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা, মহা ঘুড়ি উৎসব, সাফ জুনিয়র বক্সিং টুর্নামেন্ট, আন্তর্জাতিক ইয়োগা প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক তায়কোয়ান্দো, আন্তর্জাতিক খো খো, আন্তর্জাতিক কারাতে প্রপতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক জুডো প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতা, সাউথ এশিয়ান ওয়েটলিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপ, আন্তর্জাতিক কিকবক্সিং প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিক ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট টুর্নামেন্টসহ জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্রীড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

২২-২৩ মার্চ ২০২০

মুজিববর্ষ উপলক্ষে সংসদের বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। ২২ মার্চ অধিবেশনের শুরুর আগে সব সংসদ সদস্য ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিশেষ অধিবেশনে যোগ দেবেন।

২৫ মার্চ ২০২০

গণহত্যা দিবস পালন।

২৬ মার্চ ২০২০

মুজিববর্ষের আবহে স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস পালন।

১৭ এপ্রিল ২০২০

মেহেরপুরের মুজিবনগর দিবস উদযাপন।

২৩ মে ২০২০

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জুলিও কুরি পদক প্রাপ্তি দিবস উদযাপন।

৭ জুন ২০২০

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস পালন।

২৩ জুন ২০২০

রোজ গার্ডেন বা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন।

৮ আগস্ট ২০২০

বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মদিন পালন।

১৫ আগস্ট ২০২০

জাতীয় শোক দিবস পালন।

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ প্রদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ক আলোচনা।

৩ নভেম্বর ২০২০

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও অন্যান্য স্থানে জেল হত্যা দিবস পালন।

১৪ ডিসেম্বর ২০২০

রায়েরবাজার বধ্যভূমিসহ সারা দেশের সকল বধ্যভূমিতে ও অন্যান্য স্থানে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন।

১৬ ডিসেম্বর ২০২০

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, জাতীয় প্যারেড স্কয়ার ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে বিজয় দিবস উদযাপন।

১০ জানুয়ারি ২০২১

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদ্যাপন

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপন।

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি প্রদানের বার্ষিকী উদযাপন।

৭ মার্চ ২০২১

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদ্যাপনে সাত দিনব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজন এবং আর্মি স্টেডিয়ামে জয় বাংলা কনসার্টের আয়োজন।

১৭ মার্চ ২০২১

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মুজিববর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন; রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন এবং টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠান।

৭৭টি দূতাবাসের বিশেষ আয়োজন

বঙ্গবন্ধুকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের ৭৭টি দূতাবাসে ২৬০টিরও বেশি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর মধ্যে রয়েছে- ব্রিটিশ পার্লামেন্ট, নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের সদর দপ্তর, জেনেভায় জাতিসংঘ দপ্তরের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায়, ব্রাসেলসে অবস্থিত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদর দপ্তর ও প্যারিসে অবস্থিত ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ব্যবস্থা নেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিদেশে আরো পাঁচটি বঙ্গবন্ধু চেয়ার এবং ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজে বঙ্গবন্ধু সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউজ অব লর্ডসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান আয়োজন এবং ওই অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল এ রকম গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।

লন্ডনে মাদাম তুসো জাদুঘর এবং জাতিসংঘ সদরদপ্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ভাস্কর্য স্থাপন এবং ব্রিটিশ মিউজিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জীবন ও আদর্শভিত্তিক চিত্রকর্ম ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী আয়োজন।

নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের মুজিব ফেলোশিপ অ্যান্ড ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম চালু এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের পিস-কিপিং সাফল্যকে উদযাপন করা হবে।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে সেমিনারের অডিও, ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনী।

ভারতের ত্রিপুরা, মেঘালয়, আসাম ও শিলংয়ে নাগরিক মিলনমেলার আয়োজন থাকবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশ্বের সব দেশে রোপণ করা হবে ১০০টি করে গাছের চারা।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্টজনদের নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার এবং আগামী মে মাসে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউটে ‘শেখ মুজিব ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করা হবে।

অমর একুশে বইমেলা ২০২১ বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করা হবে এবং চলতি বছরের নভেম্বরে জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২০ আয়োজন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে উৎসর্গ করা হবে।

বছরব্যাপী আয়োজনের মধ্যে থাকছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন এবং লাখ লাখ হাতে মানব প্রতিকৃতি তৈরির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতিকৃতি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড হিসাবে অন্তর্ভুক্তকরণের কর্মসূচি।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় স্থাপন করা হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মান মন্দির। বাস্তবায়ন কমিটি বলছে, ”কর্কটক্রান্তি ও দ্রাঘিমাংশের সংযোগস্থলের বিচারে এই স্থানটি ভৌগলিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ১২টি সংযোগস্থলের ১০টি সমুদ্রে ও ১টি সাহারা মরুভূমিতে পড়েছে যেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশগম্যতা নেই। শুধুমাত্র একটি স্থানাঙ্ক বাংলাদেশের ভাঙ্গা উপজেলায় পড়েছে।”

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্মরণে সারা দেশে এক কোটি বৃক্ষরোপণ করবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *