ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

মোঃ আসাদুজ্জামান

লটারিতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের নাম উঠতেই মনে আনন্দের বন্যা বয়ে গেল। সারদার বছরব্যাপী কঠোর প্রশিক্ষণ এর মাঝে রেঞ্জ ভ্রমণ যে কতটা আনন্দদায়ক বলে বুঝানো যাবে না। যাদের এক বছরের ফোঁটা ফোঁটা স্বেদে সারদার উত্তপ্ত অঞ্চল প্রশান্তি লাভ করেছে শুধু তারাই জানে। আমরা চট্টগ্রাম রেঞ্জের বিভিন্ন জেলা ঘুরে এলাম মেঘের দেশে। যেখানে মেঘ আর রোদ খেলা করে। ছোটবেলা থেকেই আকাশ ভালোবাসতাম। ভালোবাসতাম মেঘ। ইচ্ছে হতো কখনও যদি মেঘের সঙ্গে উড়ে বেড়ানো যেত! শৈশবের সেই অধরা ইচ্ছেগুলো বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্ণহীন হতে শুরু করেছিল।

প্রথম প্রভাতেই কক্সবাজার হতে আমরা রওনা করলাম। গাড়ি ছুটলো বান্দরবানের দিকে। তখনও রাতের অন্ধকারে পথঘাট ঢেকে আছে। আমাদের মধ্যে অপেক্ষার আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে। আস্তে আস্তে দিনের আলো ফর্সা হতে লাগল। আড়াই ঘন্টা পর আমরা দেখা পেলাম উঁচু উঁচু পাহাড়ের। একেকটা উঁচু পাহাড় আর সেই পাহাড়ের কালো ছায়া দেখতে দেখতে বান্দরবান শহরে গিয়ে পৌঁছলাম। বান্দরবানের পুলিশ সুপার দেবদাস ভট্টাচার্য (বর্তমান ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জ) স্যারের উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হয়ে দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা সমাপান্তে ভালো মানের হোটেলে উঠে গেলাম।

বান্দরবানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ৯০ জন বাস করে। এ জেলায় মারমা, চাকমা, বম, মুরং, ত্রিপুরা, খেয়াং, খুমি, লুসাই প্রভৃতি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। বান্দরবান জেলার নামকরণ নিয়ে একটি কিংবদন্তি রয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের প্রচলিত রূপকথায় আছে, এ এলাকায় একসময় অসংখ্য বানর বাস করত। আর এই বানরগুলো শহরের প্রবেশমুখে ছড়ার পাড়ে পাহাড়ে প্রতিনিয়ত লবণ খেতে আসত। এক সময় অনবরত বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বানরের দল ছড়া পাড় হয়ে পাহাড়ে যেতে না পারায় এক অপকে ধরে ধরে সারিবদ্ধভাবে ছড়া পাড় হয়। বানরের ছড়া পারাপারের এই দৃশ্য দেখতে পায় এই জনপদের মানুষ। এই সময় থেকে এই জায়গাটি পরিচিতি লাভ করে ম্যাঅকছি ছড়া নামে অর্থাৎ মারমা ভাষায় ম্যাঅক অর্থ বানর আর ছি অর্থ বাঁধ। কালের প্রবাহে বাংলা ভাষাভাষির সাধারণ উচ্চারণে এই এলাকার নাম রূপ লাভ করে বান্দরবান হিসাবে। বর্তমানের সরকারি দলিল পত্রে বান্দরবান হিসাবে এই জেলার নাম স্থায়ী রূপ লাভ করেছে। তবে মারমা ভাষায় বান্দরবানের নাম হ্রদ ক্যওচি ম্রো।

বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রামের অংশ। এই অঞ্চলটি ১৫৫০ সালের প্রণীত বাংলার প্রথম মানচিত্রে বিদ্যমান ছিল। তবে এর প্রায় ৬০০ বছর আগে ৯৫৩ সালে আরাকানের রাজা এই অঞ্চল অধিকার করেন। ১২৪০ সালের দিকে ত্রিপুরার রাজা এই এলাকা দখল করেন। ১৫৭৫ সালে আরাকানের রাজা এই এলাকা পুনর্দখল করেন, এবং ১৬৬৬ সাল পর্যন্ত অধিকারে রাখেন। মুঘল সাম্রাজ্য ১৬৬৬ থেকে ১৭৬০ সাল পর্যন্ত এলাকাটি সুবা বাংলার অধীনে শাসন করে। ১৭৬০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই এলাকা নিজেদের আয়ত্তে আনে। ১৮৬০ সালে এটি ব্রিটিশ ভারতের অংশ হিসাবে যুক্ত হয়। ব্রিটিশরা এই এলাকার নাম দেয় চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস বা পার্বত্য চট্রগ্রাম। এটি চট্টগ্রাম জেলার অংশ হিসাবে বাংলা প্রদেশের অন্তর্গত ছিল। মূলত চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস রেগুলেসন ১৯০০ দ্বারা এই অঞ্চল আনুষ্ঠানিকভাবে আরাকান রাজ্যের অংশ থেকে তৎকালীন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আওতায় আসে এবং চাকমা সার্কেল, মং সার্কেল ও বোমাং সার্কেল প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রত্যেক সার্কেলে ‘সার্কেল’ চীফ বা রাজা নিযুক্ত করা হয়। বান্দরবান জেলা ছিল বোমাং সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত। বোমাং রাজ পরিবার ১৬ শতক থেকেই এই অঞ্চল শাসন করছিল। তাই এ জেলার আদি নাম বোমাং থং।

সবার চিন্তা কত দ্রুত দর্শনীয় স্থান ভ্রমণে বের হওয়া যায়। সবাই মিলে স্বর্ণমন্দিরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম। চান্দের গাড়ি নামক যানের সাথে আমাদের প্রথম পরিচয়। দুরু দুরু চিত্তে আঁকাবাকা পথ বেয়ে স্বর্ণমন্দিরের দিকে ছুটে চলা। স্বর্ণমন্দিরটা উঁচু পাহাড়ের চূড়ায়। সোনারঙে মোড়ানো মন্দিরটা দেখে চোখ জুড়িয়ে গেল। মন্দিরের ভেতরটা এত বেশি পরিপাটি কল্পনাই করা যায় না। এটি বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের একটি পবিত্র তীর্থস্থান। এখানে দেশ বিদেশ থেকে অনেক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী দেখতে এবং প্রার্থনা করতে আসেন। এর অপর নাম মহসুখ প্রার্থনা পূরক বুদ্ধধাতু চেতী। গৌতমবুদ্ধের সম-সাময়িক কালে নির্মিত বিশ্বের সেরা কয়েকটি বুদ্ধ মুর্তিগুলোর মধ্যে একটি এখানে রয়েছে। এই প্যাগোডাটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সেরাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

আর এর উপরে উঠে পুরো বান্দরবান শহর এবং এর আশপাশের সব সৌন্দর্য এক ঝলক দেখে নেয়া যায় খুব সহজেই। বিকালের সূর্যটা একবার কোন এক পাহাড় চূড়ার ফাঁকে পালাচ্ছে, আবার হয়তো আরেকটি পাহাড়ের দেয়াল ঘেঁষে উঁকি মারছে। আকাশ, পাহাড় আর টকটকে লাল সূর্যের এমন মাখামাখি বাংলাদেশের আর কোথাও দেখতে পাওয়া যায়না। এ সৌন্দর্যের কথা মুখে বলে অথবা শুধু লিখে বর্ণনা করা প্রায় অসম্ভব।

স্বর্ণমন্দির দেখা শেষ করে আমরা গেলাম মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রে। বান্দরবান শহরের প্রবেশদ্বার বান্দরবান কেরাণীহাট সড়কের পাশেই পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স অবস্থিত। পাহাড়ের খাদে বাঁধ নির্মাণ করে কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি করা হয়েছে। বেড়াতে আসা পর্যটকদের চিত্ত বিনোদনের জন্য এখানে রয়েছে শিশুপার্ক, নৌকা ভ্রমণের সুবিধা, ঝুলন্ত সেতুর মাধ্যমে চলাচলের ব্যবস্থা এবং সাময়িক অবস্থানের জন্য একটি রেস্টহাউস। এছাড়া আকর্ষণীয় একটি চিড়িয়াখানা এ কমপ্লেক্সের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে বহুগুণ। মেঘলায় ২টি ঝুলন্ত ব্রিজ রয়েছে। প্রতি বছর শীতের মৌসুমে সারা দেশ থেকে অসংখ্য পর্যটক বেড়াতে আসেন। নিরিবিলিতে সপরিবারে বেড়ানোর জন্য একটি আদর্শ জায়গা।

ছুটে চললাম নীলাচলের পানে। নীলাচল বান্দরবান জেলায় অন্যতম দর্শনীয় স্থান। টাইগারপাড়ার পাহাড়চূড়ায় গড়ে তোলা হয়েছে আকর্ষণীয় এই পর্যটন কেন্দ্র। নীলাচলকে বাংলার-দার্জিলিং বললে বোঝা যায় এর সৌন্দর্য। কমপ্লেক্সের মাঝে বাচ্চাদের খেলাধুলার ব্যবস্থা এবং বসার ব্যবস্থা রয়েছে। পাহাড়ের ঢালে ঢালে সাজানো হয়েছে এ জায়গাগুলো। ভিন্ন ভিন্ন জায়গা থেকে সামনের পাহাড়ের দৃশ্যও ভিন্ন ভিন্ন রকম। একটি থেকে আরেকটি একেবারেই আলাদা, স্বতন্ত্র। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে পায় ১৬শ’  ফুট উঁচু এই জায়গায় বর্ষা, শরৎ কি হেমন্ত-তিন ঋতুতে ছোঁয়া যায় মেঘ। নীলাচল থেকে সমগ্র বান্দরবান শহর একনজরে দেখা যায়। মেঘমুক্ত আকাশে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতের অপূর্ব দৃশ্য নীলাচল থেকে পর্যটকরা উপভোগ করতে পারেন। বান্দরবনের সূর্যাস্ত উপভোগ করলাম আমরা এখান থেকে।

নীলাচল দেখা শেষ করে আমরা গেলাম বান্দরবান শহরের বার্মিজ মার্কেটে। উপজাতি মেয়েরা দোকানে বেচাকেনা করছে। বান্দরবানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আরেকটা মূল অনুষঙ্গ হচ্ছে এই সব সুন্দরী ললনা। পুতুলের মতো মেয়েগুলো যেন বিধাতা পাহাড়ের দেশে পাঠিয়েছেন এ অঞ্চলের সৌন্দর্য আরও বেশি সমৃদ্ধ করতে। টুকটাক কেনাকাটা করার পর আমরা হোটেলে ফিরলাম। আগামীকাল যেহেতু নীলগিরি যাব, সেহেতু হান্নান স্যার গাড়ির বন্দোবস্ত করে রাখলেন। বান্দরবান থেকে চান্দেরগাড়িতে করে নীলগিরি এবং চিম্বুক যাওয়া যায়।

সকাল ৮টায় জিপ চলে এল। প্রয়োজনীয় খাবারের প্যাকেট, পানির বোতল নিয়ে আমরা রওয়ানা দিলাম মেঘের দেশের উদ্দেশ্যে। বান্দরবান শহর পার হতেই সবাই চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করল। এত এত পাহাড়। এত সবুজ। মুগ্ধতায় সবাই নিজেকে ভুলে যাচ্ছি। জিপের ড্রাইভার বলল, “এখনই অস্থির হবেন না, কেবল শুরু”। কিছুদূর গিয়ে একটি বেইলি ব্রীজের কাছে জিপ থামল। ড্রাইভার বলল, নামেন, নিচে গিয়ে দেখেন একটা কিছু। আমরা কৌতূহল নিয়ে নিচে গিয়ে দেখি অবিরাম জলের ধারা বয়ে যাচ্ছে পাহাড়ের গায়ে। বেশ প্রশস্ত একটা ফেনায়িত ঝর্নাধারা। এর নাম শৈলপ্রপাত। পাহাড়ের বুক থেকে নেমে আসছে, চলে যাচ্ছে অন্য কোথাও। ঝকঝকে এমন রুপালি জলধারা দু’হাত ছুঁয়ে দেখার জন্য আমরা নিচে নেমে গেলাম।

শৈলপ্রপাতের মুগ্ধতা দেখা শেষ করে পাহাড়ের আঁকাবাকা রাস্তা ধরে আমরা চললাম চিম্বুকের দিকে। উঁচু উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় উঠে যাচ্ছি, আবার নেমে যাচ্ছি একদম নিচের দিকে। সে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। চিম্বুক পাহাড় অনেক পুরোনো। পাহাড়ের দৃশ্যটি অত্যন্ত চমৎকার। এ পাহাড় থেকে সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের দৃশ্য যেকোনো পর্যটককে মূগ্ধ করবে চিম্বুকের উপর থেকে নিচে তাকালে মনে হবে আপনি মেঘে ভেসে আছেন। রৌদ্রোজ্জল আবহাওয়ায় পাহাড়ের উপর মেঘের দেখা পাবেন। এছাড়া পাহাড়ের উপর থেকে দিগন্তজুড়ে আঁকাবাকা পাহাড়কে আপনার কাছে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতোই মনে হবে।

সর্পিল পাহাড়ি আঁকাবাকা পথে চলছি। আদিবাসী গ্রামের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের অতি সাধারণ জীবনযাত্রা দেখে আপনি বাধ্য হবেন টিকে থাকার জন্য আমাদের পূর্বসূরীদের জীবন সংগ্রামকে স্মরণ করতে। গ্রামের এসব আদিবাসী প্রকৃতির মতই সরল ও সাধারণ। চিম্বুকের সৌন্দর্য চোখে মেখে নিয়ে আমরা ছুটলাম নীলগিরির দিকে। দুপুর ২টায় আমরা পৌছিলাম স্বপ্নের নীলগিরিতে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সুন্দর একটা রিসোর্ট তৈরি করা হয়েছে। নীলগিরির একদম চূড়ায় উঠে চোখ ছানাবড়া। খুব নিচেই মেঘ। আর সেই মেঘের ছায়া পড়ে আছে নিচের কোন পাহাড়ের ছাদে। এত কাছাকাছি মেঘের দেখা পেয়ে আমরা যখন হাত-পা ছুঁড়ে উল্লাস করছি, তখন একজন এসে বললেন আপনাদের কপাল ভালো থাকলে মেঘের উপরে দাঁড়িয়ে থাকতে পারতেন। এখানে আমাদের অনেক নিচ দিয়ে মেঘ উড়ে বেড়ায়। তার কথা শুনে আফসোস হল। এই কপাল নিয়ে কেন এলাম? মেঘ নাকি পাহাড়ের নিচে দিয়ে ঘুরে বেড়ায়। আষাঢ় মাসে কথাগুলো এক প্রকার আষাঢ়ে গল্পই মনে হল। ফেরার পথে কিছুদূর যেতেই আকাশ অন্ধকারে ছেয়ে গেল। দূরের পাহাড়গুলো যেন কুয়াশার মতো ধূসর হয়ে যাচ্ছে। ড্রাইভার রাস্তার পাশে গাড়ি থামাল। আমরা বললাম, তাড়াতাড়ি যেতে। আকাশের অবস্থা ভালো নয়। ড্রাইভার মুচকি হেসে বলল, এতক্ষণ যা দেখার জন্য কান্নাকাটি করলেন, এখন তা দেখবেন। দূরের যে কুয়াশা দেখেছিলাম। ওগুলো আসলে কুয়াশা নয়। সারি সারি মেঘ দৌড়ে আসছে। আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, তার নিচ দিয়ে উড়ে যাচ্ছে মেঘ। মেঘের উপরে দাঁড়িয়ে আমরা এই অবাক সৌন্দর্য দেখে বোবা হয়ে গেলাম। কারও মুখে কোন কথা নেই। আবেগে সবার চোখে জল চলে এসেছে। কি যে অপরূপ এই মেঘের ছোটাছুটি! কিছুক্ষণ পর সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। উড়ে যাওয়া মেঘগুলো আমাদের ছাপিয়ে, ভিজিয়ে চলে গেল দূরে কোথাও। এতক্ষণ যেন স্বপ্নের মধ্যেই ছিলাম। অবিশ্বাস্য মুহূর্তের ভালোলাগা সাথী করে যখন ফিরছি। তখন মনে হচ্ছিল অর্থ ব্যয় করে ভারতের দার্জিলিং যাওয়ার আগে অন্তত একবার নিজের দেশের এই অপার সৌন্দর্য দেখে যাওয়া দরকার।

হোটেলে ফিরলাম সৌন্দর্য উপভোগের একরাশ প্রশান্তি নিয়ে। পাশাপশি তাজিংডং, নাফাখুম জলপ্রপাত, সাকা  হাফং, বগা লেকসহ বাকি স্থানগুলো দেখতে না পারার আক্ষেপও রয়ে গেল। আমাদের যেতে হবে অন্য একটি জেলায়। রাতেই রওনা হলাম সবাই। জ্যোৎস্নাত রাতে চাঁদের আলোয় পাহাড়ের চূড়াগুলো আলোকিত। পাহাড়ের মাঝে মাঝে তুলাপিন্ড সদৃশ মেঘ পুঞ্জিভূত। দিনে রোদ খেলা করে মেঘের সাথে আর রাতে চাঁদ। কী অপার মহিমা স্রষ্টার!

লেখক : সহকারি পুলিশ সুপার,

সি-সার্কেল, গাইবান্ধা।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *