ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

মোঃ আপেল মাহমুদ

বিগত দশ বছরের বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রেক্ষাপট যদি আমরা দেখি তাহলে দেখা যায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে প্রতিটি অধ্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থান চোখে পড়ার মতো। শিক্ষা, দারিদ্র্য বিমোচন, যাতায়াত ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়ন প্রতিটা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নের রোল মডেলের দিকে নিয়ে ধাবিত করেছে। যার প্রেক্ষাপটে ২০২১ সালে এসে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটি উন্নয়নশীল বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশ যখন এই অদম্য উন্নয়নের প্রেক্ষাপটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক এই সময়েই একটি গোত্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এবং সৃষ্টি করছে অরাজকতা, তা-ব ও ভাঙচুর। যা আমরা হাটহাজারী বিবাড়ীয়া জেলাসহ বিভিন্ন জায়গায় দেখছি। এই আলোকে সোজা ভাষায় নির্দ্বিধায় বলা যায় মৌলবাদী শক্তি নিজেদের অবস্থান জানানোর জন্য এবং নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য অথবা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাওয়ার লিপ্সায় অথবা যে শক্তি ৭১ এর পরাজিত শক্তি তাদের ইন্ধনে অথবা দীর্ঘদিন ধরে যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নেই তাদের প্ররোচনায় সাম্প্রদায়িক অরাজকতা তৈরি করছে। যদিও এই ক্ষেত্রে একটি কথা আসছে যে, মৌলবাদ আর উগ্রবাদ এবং সাম্প্রদায়িক অরাজকতা এক বিষয় নয়। এই আলোকে একজন রাষ্ট্র বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে আমাকে বলতে হচ্ছে মৌলবাদ বিষয়টি কি এবং এই বিষয়টির সাথে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক অরাজকতা এবং উগ্রবাদের সম্পর্ক  কি এবং এই আলোকে আরেকটি বিষয় এসে যায় মৌলবাদ শব্দটি কেন নেতিবাচক হয়ে গেল। এই প্রেক্ষিতে বলা যায়, যেহেতু ইসলাম ধর্মের মূল ভিত্তি হচ্ছে কোরআন এবং সুন্নাহ এবং এই আলোকে ইসলাম প্রচার করাই হচ্ছে মৌলবাদের বিষয় এবং এই মৌলবাদ উগ্রবাদের সাথে সম্পৃক্ত নয়। তাদের এই আলোচনার উত্তরে বলা যায় যারা ধর্ম প্রচারের স্বাভাবিক এবং সত্যিকারের তথা নিঃস্বার্থ ও হিংসা বিদ্বেষমুক্ত হয়ে ধর্ম প্রচার করে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু এই শব্দটি নেতিবাচক নয়। কিন্তু ধর্ম প্রচারের মূল ধারায় অবস্থান করে যারা কুসংস্কারে জড়িয়ে পড়েছেন এবং ধর্মান্ধতায় নিজেদের নিমজ্জিত করে ফেলেছেন এবং নিজেদের বিভিন্ন দলে উপ-দলে বিভক্ত করে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করছেন তথা সমাজে ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন এবং তাদের ক্ষেত্রে এই মূল ধারা ধর্ম প্রচার এবং হিংসাত্মক কার্যকলাপের প্রেক্ষাপটে এই মৌলবাদ শব্দটি কিন্তু সম্পূর্ণভাবে নেতিবাচক এবং তাদেরকেই এই প্রেক্ষাপটেই মৌলবাদী শক্তি বলা হয়ে থাকে। এই আলোকে এই শক্তি যখন নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের ইন্ধনে নিজেরা বিভিন্ন ধরনের ধংসাত্মক কার্যকলাপের সাথে জড়িয়ে পড়েন তখন কিন্তু বিষযটি আরেক এক ধাপ এগিয়ে উগ্রবাদে রূপান্তরিত হয়। ঠিক একইভাবে বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে এই মৌলবাদী চক্র নিজেদের কার্যকলাপের মাধ্যমে উগ্রবাদে রুপান্তরিত হয়েছে। যারা কিনা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বা কোনো না কোনোভাবে মুক্তিযুদ্বের চেতনাবিরোধী চক্রের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষিতে তাদের বেলায় বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে উঠেছে যে তারা মাদ্রাসার কোমলমতি ছাত্রদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে এবং তাদেরকে দিয়ে করাচ্ছে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ।

যার প্রেক্ষিতে কিছু কিছু ধর্মীয় নেতা ধর্ম প্রচারের নামে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার জন্য এবং অত্যন্ত সুকৌশলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার লিপ্সায় সাম্প্রদায়িক সমস্যা সৃষ্টি করেছে এবং রাষ্ট্রীয় নিয়ম শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। যার প্রেক্ষিতে স্পষ্ট ভাষায় বলা যায় তারা উগ্রবাদী কার্যকলাপে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং কোমলমতি মাদ্রাসার ছাত্রদেরকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে উগ্রবাদী কার্যকলাপের জন্য উস্কানি ও প্ররোচিত করছেন। অর্থাৎ কোরআন সুন্নাহভিত্তিক ধর্মীয় কার্যকলাপ থেকে সরে এসে নেতিবাচক কার্যকলাপের দিকে ধাবিত হয়েছেন। আর এই কারণেই তাদের এই কার্যকলাপকে মৌলবাদী কার্যকলাপ বলা হয় যা কিনা প্রকারন্তরে সাম্প্রদায়িক ও উগ্র অপশক্তির উত্থান বলা যায়। আর এই কারণেই বর্তমান প্রেক্ষাপটে যারা বিভিন্ন অহেতুক ইস্যুতে ভাঙচুর, জালাও পোড়াও কার্যকলাপে জড়িয়েছে এবং প্ররোচনা এবং উস্কানি দিচ্ছেন তাদেরকে উগ্রবাদী বলতে কোনো দ্বিধা নেই। তাদের মূল ধারা থেকে ধর্ম প্রচারের ক্ষেত্রটি বর্তমানে হয়ে ওঠেছে উগ্রবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। আর এই কারণেই বলা যায় এই ধরনের মৌলবাদী শক্তি সাম্প্রদায়িক শক্তি ও উগ্রবাদী শক্তি এবং স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী শক্তি এই বিষয়গুলো একই সূত্রে গাঁথা। তারাই রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা রক্ষা করা, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় বলীয়ান সরকারের যেমন রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব তেমনিভাবে নৈতিক দায়িত্ব হয়ে পড়েছে। আমরা যারা এই দেশকে ভালোবাসি, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং মহান বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ভালোবাসি, লালন করি একাত্তরের শহিদদের আত্মার প্রতি আমরা যারা ঋণী তারা মনে করি যে কোনো পরিস্থিতির বিনিময়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং যারা ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের সাথে জড়িত তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া এখনই মুখ্য সময়। নতুবা ৭১ এর পরাজিত শক্তি বার বার নিজেদের অবস্থান শক্ত করার জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কার্যকলাপ করে যাবে এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখবে। বর্তমান বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ধরে রাখার জন্য, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার জন্য, বহিঃর্বিশ্বে বাংলাদেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার জন্য উগ্রবাদী কার্যকলাপের সাথে জড়িত ধর্মকে ব্যবহার করে নিজেদের ফায়দা হাসিলকারী ধর্মীয় লেবাশধারী চক্রকে দমন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। কেননা এই বাংলাদেশে সকল ধর্মের সকলের সমান অধিকার ও সমান মর্যাদা বিদ্যমান। কেননা এই বাংলাদেশ ইসলাম ধর্মকে মর্যাদা প্রদান ভিত্তিক একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। এখানে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক শক্তি থাকবেনা। এখানে থাকবে না ধর্মীয় উগ্রবাদী কার্যকলাপ এবং থাকবে না কোনো জঙ্গিবাদের কার্যকলাপ, এটাই সকলের প্রত্যাশা। কেননা এই বাংলাদেশ লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ। কেননা এই বাংলাদেশ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি নিজের জীবন উৎসর্গকারী স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার মানুষের সোনার বাংলাদেশ।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন সংগ্রাম করেছেন বাংলার মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য, লড়াই করেছেন মানুষের সামগ্রিক অধিকার আদায়ের জন্য অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন সহ্য করে সক্ষম হয়েছিলেন একটি জাতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে। আজকের উন্নত বাংলাদেশ বিশে^র দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্র চিন্তার ফসল। যে রাষ্ট্র চিন্তায় স্থান পেয়েছিল ধর্মনিরপেক্ষতা। বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষতা রাষ্ট্র দর্শনকে ছোট করে নেবার সুযোগ নেই। সুযোগ নেই এই দর্শনকে নিয়ে সমালোচনা করার। কারণ এর রয়েছে বিশাল অর্থ। আর এর বিশাল অর্থ রয়েছে বলেই বঙ্গবন্ধু মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন অধিকার আদায়ের সংগ্রাম তথা স্বাধীনতার যুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করেছে। তাছাড়া সংস্কৃতি ইতিহাস ও ঐতিহ্যগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ জনগণের ভিন্নধর্মী চিন্তা চেতনা মনমানসিকতা বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। সর্বোপরি তিনি মনেপ্রাণে উপলব্ধি করতেন, আল্লাহতালা শুধু মুসলমানদের নন, তিনি রাব্বুল আলামীন। তিনি সব কিছুর স্রষ্টা। তিনি হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন এদেশ ধর্মনিরপেক্ষ হলে এটাই হবে সকলের জন্য মঙ্গল। এটাই হবে উন্নয়নের ধারক এবং ধর্মীয় সংকীর্ণতার উর্ধ্বে ওঠে বৃহৎ মানব সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ হবে সহজ। কারণ তিনি যে বঙ্গবন্ধু। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান বাংলার আপামর জনগণের বন্ধু।

বঙ্গবন্ধুর এই রাষ্ট্র দর্শন বিশ্লেষণ করলে যে সদা সত্য কথাটি স্বার্থক হয়ে ফুটে উঠে তা হল, ‘সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।’ আর যারা ধর্মকে পুঁজি করে ধর্মকে স্ব স্ব বক্তৃতায় কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় আসার কথা চিন্তা করে তারাই বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষতার সমালোচক। ইসলাম ধর্মকে বঙ্গবন্ধু কতটা ভালোবাসতেন, কতটা চিন্তা করতেন মুসলমানদের নিয়ে তা বিশ্ব ইজতেমা মাঠের দিকে তাকালেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাই বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষতার দর্শন যে ইসলাম ধর্মকে খাটো করে দেখা বা মুসলমানদের খাটো করে দেখা নয়, এটা বলার আর প্রয়োজন হয় না। এই দর্শন ছিল সর্বস্তরের সকল ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ। কোনো ব্যক্তি যাতে কোনো প্রকার ধর্মীয় বৈষম্যের স্বীকার না হন তারই বহিঃপ্রকাশ। তারই ভাবনা। দল মত ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে এক সাথে দেশ গড়ার মহান রাষ্ট্রদর্শন। যেখানে রয়েছে সকলের অধিকার নিশ্চিত করার একটি পবিত্র মানসিকতা। সমালোচকরা বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষতার সৃজনশীল রাষ্ট্রদর্শনকে সমালোচনা করে শুধু ইসলাম ধর্মকেই খাটো করেন না, নিজেদের স্বীয় স্বার্থে খাটো করেন, নিজেদের ধর্মীয় ভাবনাকেও খাটো করে দেখেন সর্বস্তরের জনগণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজকে। আর উসকাতে পছন্দ করেন জঙ্গিবাদকে। এই সমালোচনা কোনো উন্নত রাষ্ট্রের ভাবনা হতে পারে না। যার মাধ্যমে কল্পনা করা যায় না যে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত রাষ্ট্রকে বিশে^র দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো সম্ভব হবে। অথচ বঙ্গবন্ধুই একমাত্র এই একটি মাত্র রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষতার রাষ্ট্রকে অগ্রে তুলে ধরে বাংলাদেশ সৃষ্টির পর একটি শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হয়েছিলেন। বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে একমাত্র বঙ্গবন্ধুই বাঙালিত্বের সীমানা ছাড়িয়ে ইতিহাসের পাতায় মহৎ এবং বৃহৎ হয়ে উঠেছিলেন। তাই তিনি মানুষের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকবেন।

বঙ্গবন্ধুর এই পবিত্র চিন্তা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় জীবনধর্ম ছিল তার রাজনীতি ও দেশপ্রেম। বঙ্গবন্ধুর এই দর্শন ছিল মানবধর্মী দর্শন। মানুষের জন্য আত্মবিসর্জনের দর্শন। আর এই মহান দর্শনের ফলেই একজন বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মানুষের জন্য আত্মবিসর্জনের প্রবল ইচ্ছা থেকে সাড়ে সাত কোটি সংখ্যায় পরিণত হয়েছিলেন। তাইতো বলা হয় “বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, বাংলার মানুষের স্বাধীনতা।

  লেখক : একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান

  পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশ, চট্টগ্রাম রিজিয়ন

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

1 Comment

MD Bashirul islam · June 18, 2021 at 4:34 pm

অনেক তথ্য সমৃদ্ধ পড়ে ভাল লাগলো, ধন্যবাদ স্যার

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *