ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

মোছাঃ ফরিদা ইয়াসমিন

(পূর্বে প্রকাশের পর)

২.

নৃশংসতার বৈশি^ক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট

আমরা দেখি যে নৃশংসতা সমাজ-সভ্যতার আদিকাল থেকেই চলে আসছে এবং জীবনযাত্রার পটপরিবর্তনের সঙ্গে এর ধরনে এসেছে পরিবর্তন। কাউকে হত্যা করা, শারীরিক নির্যাতন করা, ভয় দেখানো বা অন্য কোনো ধরনের মানসিক নির্যাতন করা, আত্মহত্যা বা আত্মহত্যার চেষ্টা ও প্ররোচনা, নিজেকে শারীরিকভাবে আহত করা এবং শিশুকে নির্যাতন করা বা তার মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণে অবহেলা করা, বৃদ্ধদের নির্যাতন করা বা তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে অবহেলা করা এসবই নৃশংসতার নমুনা। রাজনৈতিক সহিংসতা, ধর্মীয় সংঘাত, বর্ণবাদ, জাতিগত নিপীড়ন, যুদ্ধ, সন্ত্রাসী হামলা, আত্মঘাতী বোমা হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, ধর্ষণ, গুপ্তবাহিনী কর্তৃক আইনবহির্ভূত হত্যাকান্ড ও নির্যাতন এসবের উদাহরণ। পৃথিবীব্যাপী বছরে প্রায় দুই মিলিয়ন মানুষ নৃশংসতায় মৃত্যুবরণ করে; এর মধ্যে ৩০ শতাংশের বেশি আত্মহত্যা করেন, ৪৫ শতাংশ নরহত্যার শিকার হন, ১৮ শতাংশ যুদ্ধ বা এধরনের সংঘাতে মারা যান। বাংলাদেশেও নৃশংসতার নমুনা জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রায়ই প্রতিদিন দেখা যায়; তবে এবিষয়ে সঠিক গবেষণালদ্ধ পরিসংখ্যানের অভাব আছে। বিশেষ করে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ও তার দোসরদের নৃশংসতার ইতিহাস ন্যক্কারজনক। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের প্রতি নৃশংসতার উদাহরণ বাঙালির ইতিহাসে সবচেয়ে কলংকময় অধ্যায়। আবার এই নৃশংসতার ইতিহাস দীর্ঘদিন ধামাচাপা দিয়ে বাঙালির স্বাধীন চেতনার উপর আরো একটি নৃশংসতা চালানো হয়েছিল।

নৃশংসতার পরিণতি কী হবে, তা নির্ভর করে ব্যক্তি কী ধরনের নৃশংসতায় শিকার হন এবং ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব ও নৃশংসতা পরবর্তী অভিজ্ঞতার উপর। নৃশংসতার পরিণতিতে মৃত্যু, আহত হওয়া, পঙ্গু হওয়া ইত্যাদির পাশাপাশি জীবনব্যাপী গভীর ক্ষতের মানসিক প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে উৎকণ্ঠা, বিষন্নতা, post tramatic stress disorder, মাদকাসক্তি, অ্যালকোহলে আসক্তি, ধূমপানে আসক্তিসহ নানা ধরণের ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। এমনকি নির্যাতিত ব্যক্তি নিজেই একজন সহিংস ব্যক্তিতে পরিণত হতে পারেন। এধরনের ঘটনার শিকার ব্যক্তির স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যায়; যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি বিকল, ক্রণিক মাথাব্যথা, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও এইচআইভিএর মতো ঝুঁকিতে বেশি থাকেন।

মানসিক স্বাস্থ্য সামাজিক ও পরিবেশগত বিভিন্ন উপাদানের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়। আর সামাজিক ও পরিবেশগত উপাদানের মধ্যে নৃশংসতা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব বিস্তার করে। সাম্প্রতিককালে নৃশংসতা একটি সামাজিক বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা ক্ষমতার অপব্যবহারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, উদাহরণস্বরূপ অপেক্ষাকৃত প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক দুর্বলদের নিয়ন্ত্রণ করা।

সকল ধরনের নৃশংসতাকে চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়- শারীরিক, মানসিক, যৌন সহিংসতা ও অবহেলা। যেমন-

কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করাই হলো শারীরিক নৃশংসতা। শারীরিক নির্যাতনের ফলে ব্যক্তির মধ্যে মানসিক ও আচরণগত সমস্যা দেখা যেতে পারে। এ ছাড়াও আক্রমণাত্মক ও ভীতিমূলক আচরণ দেখা যেতে পারে। এসবের মধ্যে রয়েছে কাউকে এসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া, ঘুষি দেয়া, ছ্যাকা দেয়া, লাথি দেয়া, কোনো কিছু দিয়ে মারা ইত্যাদি।

আবেগীয় নির্যাতনকে ভাষাগত নির্যাতন, মানসিক নির্যাতন ও দুর্ব্যবহার হিসেবে গণ্য করা হয়। এ ধরনের নির্যাতনের ফলে ব্যক্তির আচারণগত, জ্ঞানীয় ও আবেগীয় মানসিক সমস্যা হতে পারে। কোনো কারণে কাউকে তুচ্ছ করা কিংবা কাছে আসতে নিষেধ করা অথবা ব্যক্তি সম্পর্কে নেতিবাচক শব্দ ব্যবহার করা, কোনো উপনামে ডাকো, তাকে দোষারোপ করা ইত্যাদি আবেগীয় নির্যাতনের অন্তর্ভুক্ত। আবেগীয় নির্যাতনের ফলে ব্যক্তির মধ্যে বহুরূপী ব্যক্তিত্ব সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়াও  উদ্বেগ, বিষণœতা ও অস্বাভাবিক আচরণগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে অবুঝ শিশুদের প্রতি এরূপ আচরণ করলে সে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। তার সব ধরনের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

একজন ব্যক্তি যখন অন্য একজন বিপরীত বা সমলিঙ্গের ব্যক্তির ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তবে তা যৌন সহিংসতা। আর যখন সাধারণভাবে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক বা শিশুর চেয়ে বয়সে বড় এমন কেউ শিশুর সঙ্গে যৌন কাজে লিপ্ত হয়, তাকে যৌন নির্যাতন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই অন্য ব্যক্তিটি কৌশলের মাধ্যমে কিংবা কোনো কিছু দেয়ার কথা বলে কাউকে যৌন কাজে নিয়োজিত করে। যৌন নির্যাতনের ফলে ব্যক্তির মধ্যে অভিযোজনমূলক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার অপরাধবোধ, নিজ আত্ম-সম্মানবোধ, বিচ্ছিন্নতাবোধ দেখা দিতে পারে। কাউকে তার মৌলিক চাহিদা পূরণ  করা থেকে বঞ্চিত করাই হচ্ছে অবহেলা। ব্যক্তির প্রতি অবহেলা শারীরিক, শিক্ষামূলক ও আবেগীয়ভাবে হতে পারে। পর্যাপ্ত খাদ্য, পোশাক না দেয়া, সঠিক স্বাস্থ্য সেবা না দেয়া, যথাযথ তত্ত্বাবধান না করা ইত্যাদি হলো শারীরিক অবহেলা, সঠিকভাবে বিদ্যালয়ের উপকরণ না প্রদান করা, বিশেষ শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজন হলে তা না দেয়া উত্যাদি হলো শিক্ষামূলক অবহেলা, আবেগীয় সমর্থন ও ভালবাসা প্রদান না করা, কাউকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ না করা, স্বামী-স্ত্রীর বিবাদের কারণে শিশুর যতœ না দেওয়া ইত্যাদি হলো আবেগীয় অবহেলা। অবহেলার ফলে ব্যক্তি নিজেকে অসহায় বোধ করতে পারে, মানসিক দূরত্ব তৈরি করতে পারে, দুর্বল আত্ম-মর্যাদাবোধ জন্ম নিতে পারে, এমনকি আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। এগুলোকে নৃশংসতার অদৃশ্য ধরন বলা যেতে পারে।

মানুষ কেন নৃশংসতাকারী

মানুষ নানা কারণে দলগত ও ব্যক্তিগতভাবে নৃশংসতাকারী হয়। প্রায় সব প্রাণীর মধ্যে সহিংসতার প্রবণতা আছে এবং তা টিকে থাকার জন্য, সম্পদ ও খাদ্যের জন্য, প্রভাববিস্তারের জন্য, যৌন সঙ্গীর/সঙ্গিনীর উপর কর্তৃত্ব বজায় রাখার জন্য, নিজের ঔরসজাত সন্তানের টিকে থাকাটা নিশ্চিত করার জন্য। অন্যান্য প্রাণীর মতো মানুষও সহিংসতা করে আধিপত্য বিস্তার, ক্ষমতার দম্ভ, সম্পদ কুক্ষিগত, মারাত্মক লোভ-লালসা, অপরিণামদর্শিতা, উন্মত্ততা ইত্যাদি, যা কখনো ঠান্ডা মাথায় করে থাকে আবার কখনো খেয়ালের বশে করে থাকে। আবার মস্তিষ্কে আঘাত, প্রাপ্তি, কিছু নিউরোলজিক্যাল রোগ, সাইকোসিস (সিজোফ্রেনিয়া ও ম্যানিয়া ইত্যাদি), ব্যক্তিত্বের রোগ, মাদকাসক্তি ও অ্যালকোহলে আসক্তির কারণেও সহিংসতা ঘটে। অতীতে ধ্বংসপ্রবণতার ইতিহাস থাকলে, রাগী মানুষ ও সহিংসতার শিকার মানুষ, ক্রমাগত সহিংসতা দেখেছে এমন মানুষদের মধ্যে, যাদের আত্মীয়-বন্ধুরা সহিংসতা সমর্থন করে তাদের মধ্যে, সহিংসতা সহায়ক চিন্তা যাদের মধ্যে আছে (যারা বিশ্বাস করে যে সহিংসতা সুবিধা পাবার ভালো উপায় বা আগ্রাসী আচরণ পৌরুষের লক্ষণ, আক্রমণই সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষা, মহিলাদের না মারলে তারা নিয়ন্ত্রণে থাকে না) তাদের মধ্যে সহিংসতা ঘটার আশঙ্কা বেশি থাকে। বৈবাহিক দ্বন্দ, পারস্পরিক সম্পর্কের তিক্ততা, সামাজিক দক্ষতার অভাব এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতার অভাব থাকলে, সহিংসতার শিকার হলে বা সহিংসতা দেখলে ব্যক্তির মধ্যে সহিংসতার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। স্রষ্টার সৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ হচ্ছে মানবকুল, যার মধ্যে বিবেক বা হিতাহিত জ্ঞান দিয়ে এই ধরাতলে পাঠানো হয়েছে। আর এই জ্ঞানকে শাণিত করার জন্য জীবনমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা আছে যাতে, মানবকুল বংশ-পরম্পরায় অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শিক্ষন পদ্ধতির মাধ্যমে নিজের অবস্থানকে পরিশুদ্ধ করে সমাজ-সভ্যতাকে ধাপে ধাপে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু প্রজাতিগতভাবে মানুষের মধ্যে নৃশংসতার প্রবণতা আছে। অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে চাহিদার পরিসমাপ্তি ঘটলে ক্ষান্ত দেয়; কিন্তু মনুষ্য প্রজাতির একটা চাহিদা পরিপূর্ণ হলে অন্যটা নতুন করে জাগ্রত হয়। নতুন নতুন চাহিদার জন্ম হতে হতে লোভ, হিংসা-বিদ্বেষ, স্বার্থপরতা, ধ্বংসাত্মকতা জন্ম নেয়। পার্থিব সব আশা, স্বাদ, গন্ধ, ভোগের পর তার মধ্যে অশরীরী বা অতিপ্রাকৃত আশা জাগে। এমনও আছে- সে যে কি চায় কিছু বুঝে উঠতে পারে না। ‘হেথা নয় হোথা অন্য কোথাও; সব আশা বা প্রত্যাশার পরিসমাপ্তিতে গভীর obsession-এ ভুগে। তারপর সাইবার জগৎ, ক্রণিক হেরোইন, আইস এর মতো মাদকের হাতছানি বা জঙ্গিবাদের মতো আত্মঘাতী নেশায় ব্যুঁদ হয়ে নিজের ধ্বংসের সঙ্গে সঙ্গে অন্য মানুষের বা দেশ-জাতির ধ্বংসে লিপ্ত হয়। সমমর্যাদার মানুষের মধ্যে ঈর্ষার কারণে এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যও সহিংতা ঘটতে পারে। আমরা লক্ষ্য করেছি গণমাধ্যমে প্রকাশিত নৃশংস ধর্ষণ বা ধর্ষণ জনিত হত্যা, খুন, আত্মহত্যা, সন্ত্রাসী ঘটনা, আগুন সন্ত্রাস, পেট্রোল বোমা, অপহরণ, গুম ইত্যাদি একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি একটা সময়জুড়ে চলমান থাকে। আর একটা ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে অন্য আরেকটি নৃশংস নতুন ঘটনার জন্ম হয়। চরম দারিদ্র্য, ঘনবসতি, অর্থনৈতিক বৈষম্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য, সামাজিক সংগঠনের স্থিতিশীলতার অভাব, দারিদ্র্য বিমোচনের অভাব থাকলে, সুশাসনের অভাব থাকলে, বিচারহীনতার সংষ্কৃতি থাকলে, মাদক ব্যবসায়ী চক্র শক্তিশালী হলে, সমাজে অপরাধের গ্রহণযোগ্যতা থাকলে, জাতিগত, ধর্মীয় ও বর্ণবাদী নিপীড়ন থাকলে, অস্ত্র সহজলভ্য হলে প্রাতিষ্ঠানিক অস্থিতিশীলতা সমাজে নৃশংসতার প্রসার ঘটতে পারে। উদাহরণস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অস্ত্রের সহজলভ্যতার জন্য বিকাশগ্রস্ত প্রাপ্তবয়ষ্ক আপন দুই ভাই, বাবা-মাসহ পরিবারের সবাইকে হত্যার পর নিজেরা আত্মহত্যা করে।

বর্তমানে মাদকের হলাহল, বিকলাঙ্গ তারুণ্য, কিশোর গ্যাং, সাইবার অপরাধ, পর্ণগ্রাফি, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের মাধ্যমে দাম্পত্য বা পারিবারিক কলহ ও হিংস্রতা, শিশু হত্যা, নিকটজন কর্তৃক নৃশংসতা, খুন, বর্বরতা প্রায় নিত্য ঘটনা। আবার অর্থনৈতিক ও বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির সঙ্গে মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা, আধিক্য, বিলাসিতা, লোভ, ব্যক্তি স্বাধীনতা, স্বকীয়তা, নৈর্ব্যক্তিকতা, আত্মশ্লাঘা, মাত্রাতিরিক্ত ঔদার্য, ঔদাসিন্য, ব্যক্তি কেন্দ্রিকতা, প্রত্যাশার ও প্রাপ্তির গোলযোগ, সমমর্যাদার মানুষের মধ্যে ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্ব, হীনমন্যতা, পরচর্চা, অনৈতিকতা, শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই, কর্তৃত্ববাদীতা বা নিয়ন্ত্রণের ষড়যন্ত্র, রিফুইজি/উদ্বাস্তু, নদীভাঙন, বাস্তুচ্যুত, খরা, বন্যা, মহামারী প্রাকৃতিক বা মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগ ইত্যাদি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে একটা তটস্থের মধ্যে রাখে।  এরূপ ব্যক্তিগত অস্থিরতা পরিবারের মতো সবচেয়ে ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানের গন্ডির সীমা ছাড়িয়ে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যপ্তি লাভ করে। যেমন ধর্মীয় জঙ্গিবাদ ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, মাদক সাম্রাজ্য, সাইবার অপরাধ, ethnic cleansing, genocide ইত্যাদি।

বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী আচিন ভানায়িক বলেছেন, যে কোনো Violence আসলে এক ধরনের থিয়েটার। থিয়েটার এই অর্থে যে এই Violence এর প্রত্যক্ষ শিকার যিনি হলেন, তিনিই কেবল-এর শিকার হন এবং তিনিই Violence এর একমাত্র লক্ষ্যবস্তু নয়। যারা একে প্রত্যক্ষ করলেন, তারাও এর শিকার। এর মাধ্যমে অন্যদেরও তাদের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে জানান দেওয়া হয়। প্রতিটি সহিংসতার ঘটনাই একটা বার্তা।

(চলবে)

লেখক: উপ-পুলিশ কমিশনার

(প্রফেশনাল স্ট্যান্ডার্ড এন্ড ইন্টারনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন)

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *