ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

মোছাঃ ফরিদা ইয়াসমিন

নৃশংসতার আসল কাজই হচ্ছে আতঙ্ক তৈরি করা। ব্যক্তি, গোষ্ঠি, জাতি বা রাষ্ট্র যেই করুক না কেন, আসল লক্ষ্য হলো মানুষকে ভীত- সস্ত্রস্ত করে তোলা, ভীত মানুষেরা দুর্বল হয়। ভীত মানুষেরা নীরবে অন্যায়কে মেনে নেয় আর তা স্থিতিবস্থার অনুকূলেই যায়। ইতিহাসের দিকে তাকালেই তার অসংখ্য উদাহরণ পাওয়া যাবে। যেমন- জার্মানির নাৎসীদের মাইনক্যাম্পে পুড়ে মারার অত্যাচার, মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে উচ্ছেদ, কম্বোডিয়ায় খেমারুজদের অত্যাচার, সার্বিয়ানদের বশনিয়ার মুসলিমদের উপর mass killing, সিরিয়া ও আফগানিস্তানে আইএস-এর সন্ত্রাসী কার্যক্রম ইত্যাদি। যে দেশে, যে সমাজে ভয়ের আবহ তৈরি করা গেছে, সেখানেই আমরা দেখেছি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া মানুষের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে; অন্যায়কারীদের বিজয় সেখানেই। যেমন সাম্প্রতিক সময়ের আফগানিস্তানে তালেবান কর্তৃক অবস্থান। এভাবে যুগে যুগে আমরা নৃশংসতার মাধ্যমে মানবজাতি, সভ্যতা, দেশ ধ্বংস হতে দেখেছি। শক্তিশালীদের নিরীহদের প্রতি আগ্রাসী মনোভাব ও আচরণে তার বহিঃপ্রকাশ বিভিন্নভাবে প্রকাশ পায়। অস্বীকার করার উপায় নেই মানবজাতির মানবতার মর্যাদার আইনগত স্বীকৃতি মিলেছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনে মানবতার ডঙ্কা বাজছে এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সম-অধিকার স্বীকৃত রয়েছে। কিন্তু আইন প্রতিপালন না হলে সে আইন বড় জোর একটুকরা কাগজ, তার বেশি কিছু নয়। আমাদের মতো দেশে এখনো যে অহরহ মানবতার উপর সহিংসতা চলছে তার কারণ- নৃশংসতার বিরুদ্ধে আইন থাকলেও সে আইনের প্রতিফলন মাঝে মাঝে নানাবিধ কারনে মুখ। পুলিশ নৃশংসতাকারীকে গ্রেফতার করে বিচারের দ্বারগোড়ায় নিয়ে গেলেও অনেক সময় স্বাক্ষী সাবুদের দুর্বলতায় অপরাক্ষীরা পার পেয়ে যায়। আরাকানে রোহিঙ্গাদের উপর রাষ্ট্রীয় হামলা, তাদের নিজভূমিতে থাকতে না দেয়া, নাইজেরিয়ায় একটি উগ্র ধর্মীয় দল (বোকা হারাম) কর্তৃক প্রায় ৩০০ স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ, পাকিস্তানে ভালোবেসে পালিয়ে বিয়ে করা সন্তান-সম্ভবা প্রাপ্তবয়ষ্ক কন্যাকে বাবা-ভাই-চাচা কর্তৃক পাথর ছুড়ে মেরে ফেলা (honour  killing), ভারতের উত্তর প্রদেশে দুই জ্ঞাতি বোনকে ধর্ষণ করে হত্যা ও গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখা চরম নৃশংসতা।

কেন একজন মানুষ নির্যাতনকারী হয়, তা বুঝতে হলে প্রথমে বোঝা দরকার কেন নির্যাতন করে। আর এ বিষয়ে মনোবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানীদের মধ্যে Sigmund Freud, Satherland, Carl Rarson, Rogers, Eric Berne, Fritz কেউ বলেন কিছু মানুষের শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যই নির্ধারণ করে দেয় সে নির্যাতনকারী হবে কিনা, আবার কেউ বলেন, না এটা ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের ধরন, যা কখনো পরিবর্তন করা যায় না। আবার নারীবাদীরা বিশ্বাস করেন পুরুষতান্ত্রিক সমাজ বলেই এমন হয়, তারা সমাজ থেকেই শিক্ষা পেয়ে যায় যে দুর্বলের উপর অত্যাচার করা যায় বিশেষত নারী ও শিশুদের।

সেই ষাটের দশক থেকে এখন পর্যন্ত মনোবিজ্ঞানী আলবার্ট বান্ডুরা এবং তার সহযোগী মনোবিজ্ঞানীগণ মানুষের অভ্যাস নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন। মানুষের মধ্যে কোনো একটি অভ্যাস কীভাবে গড়ে উঠে তা বিশ্লেষণ করাই তাদের কাজ। তারা কোনো একটি আচরণ ক্রমাগত একই ধারায় করা হলে তাকে অভ্যাস বলে গণ্য করেন। সেই সূত্র ধরেই তারা বলেন মানুষকে নিপীড়ন করাও একধরনের অভ্যাস যা মূলত অন্যের আচরণ দেখে কোনো ব্যক্তি শিখে এবং এর মাধ্যমে ব্যক্তি চাপ ও অন্যান্য প্রতিকূলতার সঙ্গে মোকাবিলা করে।

এখন দেখা যাক নির্যাতন করার এই অভ্যাসটা কীভাবে গড়ে উঠে। যে কোনো আচরণ অভ্যাসে পরিণত হতে গেলে তিনটি পর্যায় অতিক্রম করতে হয়। এই পর্যায়গুলো হলোÑ

১.         অভ্যাসের বা নির্যাতনের উৎস।

২.        কোনো ঘটনা, যা নির্যাতনের আচরণকে তীব্র করে দেয়।

৩.        নির্যাতনের আচরণের প্রতি বাহ্যিক প্রতিক্রিয়া।

নির্যাতনের অভ্যাসটা শুরুই হয় এমন কোনো পরিস্থিতি থেকে, যেখানে হয় আমরা অন্য কাউকে সরাসরি নির্যাতন করতে দেখি বা কোনোদিন কাউকে আঘাত করে কিংবা নির্যাতন করে পুরস্কার পাই। এক্ষেত্রে যেটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো কোনো শিশু যদি নির্যাতনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায় অর্থাৎ সে নিজে নির্যাতিত হয় বা কাউকে নির্যাতিত হতে দেখে তাদের কারো কারো মধ্যে নির্যাতন করার প্রবণতা গড়ে উঠতে পারে। আমরা হয়তো অনেক সময় শিশুর উপস্থিতিকে গুরুত্ব দিই না, যার ফলে শিশুর সামনেই এমন কোনো আচরণ করে ফেলি, যা মোটেও কাম্য না। অনেক মা-বাবাই আছেন, যারা তাদের বাচ্চার সামনেই হয়তো ঘরের কাজের মানুষটিকে নির্যাতন করে বা অন্য কাউকে নির্যাতন করে। আবার এমনও হয় যে, অনেক মা তার ছোট শিশুটিকে অন্য কাউকে মারতে দেখে মজা পান এবং হেসে ফেলেন। এতে করে শিশু কিন্তু বোঝে না যে তার আচরণটি ঠিক কি ঠিক না এবং মা-কে মজা পেতে দেখে সে তখন আচরণটি বারবার করতে থাকে। আর এভাবেই কোনো একটি অভ্যাস তার উৎস পেয়ে যায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, যারা নির্যাতনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায় তাদের সবার মধ্যে কেন এই প্রবণতা গড়ে উঠে না বা তাদের সবাই কেন পরবর্তী জীবনে নির্যাতনকারী হয় না। এর ব্যাখ্যা হলো, কেউ কেউ নির্যাতনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেলে ও পরবর্তীতে তার জীবনের সুখের বা ইতিবাচক ঘটনা নির্যাতনের অভিজ্ঞতাকে ম্লান করে দিতে পারে। মনোবিজ্ঞানীরা তাই মনে করেন যে, এই পর্যায়ে শিশু কেবল নির্যাতন করার সামর্থ্য লাভ করে বা পরবর্তী জীবনে আরো তীব্র হতে পারে বা না ও হতে পারে। এই পর্যায়ে শিশু এমন কিছু পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়, যা তার মধ্যে বিদ্যমান নির্যাতন করার সামর্থ্যকে আরো জোরালো করে দেয়। এ ধরনের কিছু পরিস্থিতি হলো কোনো নেতিবাচক আচরণের প্রতি ক্রমাগত প্রশংসা বা পুরস্কার পাওয়া, অনুকরণীয় ব্যক্তিকে বার বার নির্যাতন করতে দেখা, নির্যাতনের ঘটনা বার বার প্রত্যক্ষ করা, প্রতিকূল বা অস্বস্তিকর পরিবেশে মানিয়ে চলার জন্য পূর্বে দেখা কোনো আচরণ-ব্যবহার করা এবং এর ফলে ইতিবাচক ফল পাওয়া। ধরা যাক, কোনো বাচ্চাকে যদি মোটা হওয়ার কারণে করে ফেলতে পারে সেই পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য। তৃতীয় পর্যায়ে যখন ব্যক্তির মধ্যে নির্যাতন করার সামর্থ্যটি আরো একটু জোরালো হয় তখন তার সেই আচরণের প্রতি বাহ্যিক প্রতিক্রিয়া আচরণটিকে অভ্যাসে পরিণত করতে গুরুত্বর্পূণ হয়ে উঠে। এক্ষেত্রে সাধারণত দুটি বিষয় ঘটেÑ ব্যক্তি যখন তার আচরণের জন্য কোনো শাস্তি পায় না বরং পুরুস্ককৃত হয় সে তার চাপ মোকাবিলা করতে পারে, তখন সেটাই তাকে পরবর্তীতে নির্যাতন করতে উৎসাহিত করে, যাকে প্রকৃত পক্ষে নির্যাতনের অভ্যাস বলেই পরিগণিত করা যায়।

বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য সংকট

বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে ১০ অক্টোবর বিশ^ মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালন হচ্ছে। ফ্যামিলি কাউন্সেলিং, প্রিম্যারিটাল কাউন্সেলিং, ট্রমা ফোকাস্ড্ কননিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি, পারস্পরিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের উপর কিশোর-কিশোরীদের প্রশিক্ষণ, অ্যাঙ্গার ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণ, সমস্যা সমাধান প্রশিক্ষণ, সামাজিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ, যোগাযোগ বা কমিউনিকেশন প্রশিক্ষণ, শিশু প্রতিপালনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সহিংসতা কমানো যায়। নৃশংসতা একটিমাত্র কারণে হয় না, এর সমাধানও বহুমাত্রিক।

প্রতিটি মানুষের যেমন দৈহিক স্বাস্থ্য আছে, তেমনি মনেরও স্বাস্থ্য আছে। বাস্তব জীবনে ইতিবাচক আবেগীয় অবস্থা ও মানসিক তৃপ্তি লাভের মধ্য দিয়ে মানসিক সুস্থতা বজায় রাখা সম্ভব হয়। আমাদের দেশে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতার অভাব রয়েছে, তাই প্রত্যেক মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। পৃথিবীর সবার মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, সচেতনতার দিন হিসেবে ১৯৯২ সাল থেকে প্রতি বছরের ১০ অক্টোবর পালিত হয় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। এবারের মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘অসম বিশ্বে মানসিক স্বাস্থ্য’। মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতামূলক বিশে^র কথা বলা হয় যার মূল কথা হলো নিপীড়ন-নির্যাতন-বৈষম্য-অবহেলা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মানসিক স্বাস্থ্যকে ব্যাখ্যা করে মানসিক সুস্বাস্থ্য হিসেবে মত দিয়েছে যে, মানসিকভাবে স্বাস্থ্যবান একজন মানুষ তার নিজের ক্ষমতা বুঝতে পারে, জীবনের স্বভাবিক চাপগুলোর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে এবং সমাজের সর্বস্তরে অবদান রাখতে পারে। মানুষ যে কোনো সময় শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। শরীরের সঙ্গে মনের একটি আন্তঃসম্পর্ক রয়েছে। শরীর ভালো না থাকলে মনও ভালো থাকে না। পরিবেশের বিভিন্ন উদ্দীপকের সঙ্গে ক্রিয়া-পতিক্রিয়ার ফলে আমাদের মন কখনো কখনো উৎফুল্ল এবং কখনো দুঃখ-ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ে। তাই সব সময় মানসিক দিক থেকে পুরোপুরি সুস্থ মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।

মানসিক রোগকে বিভিন্ন উপায়ে ভাগ করা যায়। মনোবিকার নামক মানসিক রোগে চিন্তাশক্তি, অনুভূতি ও আচরণের সুস্পষ্ট অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হয়। এ ধরনের অসুস্থতা একজন ব্যক্তিকে সমাজে কাজ করার অনুপযোগী করে তোলে। মনোবিকারগ্রস্ত রোগীর ক্ষেত্রে অন্তর্দুষ্টি কাজ করে না এবং বাস্তব সমস্যা উপলব্ধি করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। সিজোফ্রেনিয়া ও চিত্তবৈকল্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রিয়ামূলক মনোবিকার। সিজোফ্রেনিয়া শব্দটি গ্রিক ভাষা থেকে এসেছে। এর অর্থ মন ভেঙে যাওয়া। অর্থাৎ, সম্পূর্ণ স্বাভাবিক মানসিক কাজকর্মের বিশৃঙ্খলতা বা যোগাযোগহীনতা। ভ্রান্তি, মতিভ্রম, অসংলগ্ন কথা-বার্তা, অসংলগ্ন আচরণ, নেতিবাচক ধারণা ইত্যাদি সিজোফ্রেনিয়াগ্রস্ত রোগীদের মধ্যে দেখা যায়। বাংলাদেশের মানসিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সব রোগীর মধ্যে প্রায় পাঁচ ভাগের একভাগ সিজোফ্রেনিয়া রোগে আক্রান্ত। নিউরোসিস বা স্নায়ুবিকার আবেগজনিত জটিলতা, যা প্রাথমিকভাবে দুশ্চিন্তার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। স্নায়ুবিকার মনোবিকারের তুলনায় কম মারাত্মক। স্নায়ুবিকারগ্রস্ত ব্যক্তির সামাজিক সম্পর্ক ও কর্মদক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অবাস্তব ও অসঙ্গত ভীতি বা দুশ্চিন্তা এ ধরনের জটিলতার প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত।

ব্যক্তিত্বজনিত জটিলতা হলো দীর্ঘস্থায়ী অনমনীয়, অসংলগ্ন অভ্যন্তরীণ অভিজ্ঞতা ও আচরণ, যা সামাজিক অথবা পেশাগত কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ব্যক্তিত্বজনিত জটিলতা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুরুষদের মধ্যে দেখা যায় এবং এই জটিলতা যুবক ও অল্প বয়স্কদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। উপরিউক্ত প্রতিটির মানসিক সংকটাপন্নের মূলে রয়েছে নিন্দনীয় নিপীড়নের ইতিহাস।

বাংলাদেশে মানসিকভাবে অসুস্থ অনেক রোগীই ধর্মীয় ও সনাতন পদ্ধতিতে চিকিৎসা গ্রহণ করে। এছাড়া ফকির, কবিরাজ এবং জাদুকরের কাছেও চিকিৎসার জন্য গিয়ে থাকে। এদের অধিকাংশই রোগীদের অসংলগ্ন চিকিৎসা দেয় এবং শোষণ করে। বাংলাদেশে মানসিক অসুস্থতা সম্পর্কে জ্ঞান ও সচেতনতা এখন পর্যন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং মানসিক রোগীদের পুনর্বাসনের জন্য কোনো উন্নত কেন্দ্র নেই। আবার মানসিক চিকিৎসার নামে সনাতন পদ্ধতি ও নির্যাতন-নিপীড়ন করে মানসিক সংকটাপন্ন ব্যক্তিতে পরিণত করা হচ্ছে।

(চলবে)

লেখক: উপ-পুলিশ কমিশনার

(প্রফেশনাল স্ট্যান্ডার্ড এন্ড ইন্টারনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন)

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *