ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

অমিতাভ চোধুরী

অপরাধের ধরন পাল্টে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতারণার ভয়াবহ জাল। চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, এমএলএল ব্যবসার আড়ালে প্রতারণা, পে-অর্ডার প্রতারণা, অনলাইন প্রতারণাসহ হরেক রকম প্রতারণা এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ, আর্থিক জালিয়াতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি করে দেওয়ার আশ্বাস, আবাসন ব্যবসা, লোভনীয় চাকরির অফারে বিদেশে লোক পাঠানো, সাইবার হ্যাকিং, নামসর্বস্ব গণমাধ্যম, ভুয়া জমি-ফ্ল্যাট দেখিয়ে প্রতারণা এবং সাইবার অপরাধই বেশি। প্রতিদিন আপনার সতর্কতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিত্য নতুন প্রতারণায় প্রতারকের দল বদলে ফেলছে তাদের প্রতারণার অভিনব সব কৌশল। প্রতিদিন ঠকছেন আপনি অথবা ঠকছে আপনার পরিচিত কেউ, প্রয়োজনমতো আপনি হয়ত বাড়াচ্ছেন আগামীর জন্য সতর্কতা ঠিক সেই মুহূর্তেই কোথাও না কোথাও প্রতারকের দল ছক কষছেন নতুন কোনো প্রতারণার কৌশলে। বর্তমানে তথ্য-প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে নিত্যই নানারকম ডিজিটাল প্রতারণার মধ্যে ফেলছেন একশ্রেণীর প্রতারক। সতর্কতার জন্য আজ থাকছে এমনি কিছু অভিনব প্রতারণার কথা।

ঘটনা-১

বিক্রয় ডট কমে একটা অ্যাড দেখল আরিফ, ম্যাকবুক এয়ার ল্যাপটপ মাত্র ২৫ হাজার টাকা, দেখেই মাথা খারাপ। এত কম কেন? অ্যাডে আবার লেখা বিদেশ থেকে পাঠিয়েছে ব্যবহার করতে পারিনা বলে সেল করে দিচ্ছি। আরিফ ভেবে নিল অন্তত আর যা-ই হোক নষ্ট তো না, ইউজ করতে পারে না বলে সেল করে দিচ্ছে। অ্যাডের নম্বরে ফোন দিতেই এক সুকণ্ঠি মেয়ে ফোন ধরে বলল বিদেশ থেকে গিফট দিয়েছে আঙ্কেল, ইউজ করা হয় না বলে কম দামে সেল করে দিবে। আরিফ আর অত চিন্তা করল না, তাকে বলে দিল সে নিবে। মেয়েটি জানাল ধানম-ি থেকে কালেক্ট করতে হবে। ভালো লাগলে ক্যাশ টাকা দিতে হবে। খুশিতে বাগবাকুম হয়ে ধানমন্ডি গেল। ল্যাপটপ তো দূর সঙ্গে যা ছিল সব রেখে দিল সেই অ্যাড দেওয়া ছিনতাইকারী দল।

ঘটনা-২

রিকশায় করে ফার্মগেট থেকে বসুন্ধরা সিটিতে শপিং করতে যাচ্ছিল রাকেশ। হঠাৎ রিকশাওয়ালা নীরব এক জায়গায় রিকশা থামাল। ভয় পেয়ে গেল রাকেশ। রিকশাওয়ালার শরীর কাঁপছে। লুঙ্গির কাছা থেকে একটা ছোট্ট প্যাকেট বের করে বলল এক মহিলা যাত্রী ফেলে গেছে এই গহনা টা। স্বর্ণের! এক ভরির উপরে হবে। রিকশাওলা বলে কোনো দোকানে সেল করতে পারব না। আপনি কিনবে কিনা? যা দেবে তাই নেবে। দেখে আর না করতে পারল না। পকেটে ১১ হাজার টাকা ছিল, সব দিয়ে কিনে নিল। ১১ হাজার টাকায় ৪৫ হাজার টাকার উপরে পাবে। শপিং তো হবেই সঙ্গে একটা দামি মোবাইলও নেওয়া যাবে। বসুন্ধরা সিটিতে গিয়ে জুয়েলারি দোকানে এটার দাম জিজ্ঞেস করতেই সেলস ম্যান বলে দিল আমরা ইমিটিশন কিনি না!!! রাকেশ বুঝতে পারলো সে প্রতারণার শিকার হয়েছে।

ঘটনা-৩

মহাখালি বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে কথা বলছে নোমান, বাসা থেকে ফোন দিয়েছে মা, মা জিজ্ঞেস করছে টাকা ঠিক ঠাক রেখেছে কিনা। সেও মাকে জানাল হ্যাঁ, টাকা ঠিক আছে, সাবধানেই যাচ্ছে সে। যাবে মিরপুর, বোনের বাসা, সেখান থেকে পরের দিন আইডিবি থেকে ছোট ভাইয়ের ল্যাপটপ কিনবে। একটু পরেই একটা মেয়ে এল, টুকটাক কথা-বার্তায় নোমান তাকে জানাল মিরপুর যাবে, মেয়েটি বলল আমি ঢাকার তেমন কিছু চিনি না, যাব আঙ্কেলের বাসায়, বাসাটা শ্যামলীতে। কীভাবে যাব? রাজু প্রস্তাব দিল তার সঙ্গেই যেতে। শ্যামলীতে এ নামিয়ে দিয়ে যাবে। মেয়েটা সামনের সিএনজি দেখিয়ে প্রস্তাব দিল সিএনজিতে যাবে এবং নোমানকে ভাড়া দিতে দিবে না। হাসি মুখে নোমান মেনে নিল অচেনা মেয়েটার প্রস্তাব। ফলাফল দিনে দুপুরে পথে পিস্তল ধরে ব্যাগ, মানিব্যাগ, মোবাইলসহ যা যা ছিল- রেখে নামিয়ে দিয়ে সিএনজি উধাও।

ঘটনা-৪

সেল-বাজারে আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্স-এর অ্যাড দেখে ফোন দিল ফারুক। দাম অনেক কম মাত্র ৪৫ হাজার। লোকেশন চট্টগ্রাম, এত কম দামে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ফোন। কথা হলো সব কিছু ঠিকঠাক। ২৫% টাকা এডভান্স বাকিটা এস এ পরিবহনে পণ্য পেয়ে। অ্যাডভান্স দিয়ে দিল। তারপর অ্যাড উধাও, নম্বর অফ! আর আসেনি তার আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্স। বুঝতে পারলো প্রতারিত হয়েছে সে।

ঘটনা-৫

ফার্মগেটে হাঁটছে রাশেদ। পথে এক লোক দাঁড়া করিয়ে বল আমার কাছে ৪০ ডলার আছে, আমি ড্রাগ নেই তাই ইমার্জেন্সি টাকা দরকার। মাত্র এক হাজার টাকা দিলেই হবে। রাশেদ ভাবল নিয়ে নিই, বন্ধুর মানি একচেঞ্জ থেকে ক্যাশ করে নেব। লাভ হবে অনেক টাকা। এক হাজার টাকায় নিয়ে নিল। জিজ্ঞেস করল আর আছে কিনা। লোকটা বলল এসব সঙ্গে নিয়ে ঘুরলে পুলিশ ধরবে, জানেনই তো টানা মাল। এক বিদেশিরে পাইছিলাম, মালদার পার্টি। ফোন নাম্বার নিয়ে নিল রাজীব, বলল ওই ডলার যাতে কাউকে না দেয়, সব সে নিবে। ফোন করে জানালেই কত ডলার সে পরিমাণ টাকা নিয়ে আসবে। ওই ৪০ ডলার ক্যাশ করে নিল, কোনো সমস্যা হয়নি। পরের দিন ধার টার করে ৩০ হাজার টাকার মতো নিয়ে আসল, ৭০০ ডলার দেবে। এবার দাম বাড়িয়ে দিয়েছে কারণ তার নেশা নেই এখন আর। রাশেদ ভাবল তারপরেও প্রায় ডাবল লাভ। ফার্মগেট পার্কের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, লোকটার দেখা নেই, মনে মনে ভাবছে লোকটা আবার বেঁচে দিল কি না। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর দূর থেকে লোকটাকে দেখা গেল। কাছে আসতেই একটা খাম ধরিয়ে বলল পুলিশ পেছনে পড়ছে তাই টাকাটা দিয়ে কেটে পরতে। রাশেদ তাই করল। বাসায় আসার আগে খুলেও দেখেনি খামে কি আছে। কি আর হতে পারে একগাদা কাগজ ছাড়া।

ঘটনা-৬

গ্রাম থেকে কোচিং করতে সদ্য ঢাকা এসেছে আবির। উঠেছে ফার্মগেটের এক হোস্টেলে। নিউ মার্কেট গেলো শপিং করতে। নিউমার্কেট থেকে জিনস কিনল আবির। দোকানে মারাত্মক ভিড়। এক হাজার টাকার নোট দিয়ে পে করল সে। কিছুক্ষণ পর বের হয়ে আসবে এমন সময় জাঁদরেল মতো এক লোক হাত চেপে ধরল। বলল টাকা না দিয়ে কই যান? আবির যতই বলে টাকা দিয়েছে সেলস-ম্যানগুলোও বলে না টাকা দেয়নি। আবির কোনোভাবেই বুঝাতে পারে না টাকাটা সে আসলেই পে করেছিল। জাঁদরেল মতো লোকটি বলল তাড়াতাড়ি টাকা দেন, না হলে চোর বলে গণধোলাই দিব। দিশেহারার মতো চারদিকে তাকালেও কারো চোখে তার প্রতি সহমর্মিতার ছোঁয়া দেখতে পেল না। এভাবেই কিছু মানুষ সহজ-সরল পেয়ে টাকা রেখে দেয়। এমন ঘটনার শিকার হতে পারেন আপনিও।

ঘটনা-৭

রাত ১০:৩০ মিনিট এ মহাখালি ফ্লাই ওভার ব্রিজ-এর গোঁড়া থেকে ২৭নং বাস এ উঠার জন্য অপেক্ষা করছে নাদিম। সেই মুহূর্তে একটা বাস আসল অন্য একটা বাস, খালি বাস দেখে নাদিম বাসে উঠলো। সঙ্গে আরও দুই জন ছিল তারাও উঠলো, একটু পরে নাদিম বাস ভাড়া দিল ২০ টাকা, খিলখেত নামবে সে। একটু পর নাদিম দেখল বাস এর মেইন দরজা লাগিয়ে দিল আর সঙ্গে সঙ্গে চার-পাঁচ জন লোক তার গলা চেপে ধরল হাত আর চোখ বেঁধে ফেললো সাথে থাকা মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, এটিএম কার্ড নিয়ে নিলো। আর ফেলে দিলো আশুলিয়ার একটা ঝোপ এর ভেতর। সঙ্গে আর ও দু জনকে। কোনো রকম জানে বেঁচে ফিরলেন নাদিম।

ঘটনা-৮

রফিক সাহেব বাসে করে অফিসে যাচ্ছেন হঠাৎ তার ফোনে অদ্ভুত নাম্বার থেকে কল আসল। বলা হল গ্রামীণ ফোন কাস্টমার কেয়ার থেকে বলছি। আমাদের সিগনালে কিছু সমস্যা হচ্ছে, আপনার মোবাইল ঠিক মতো সিগনাল ধরতে পারছেনা এতে এমন হতে পারে যে সেটের ব্যাটারি শর্টসার্কিট হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। আপনি দয়া করে আগামী দুই ঘণ্টা মোবাইল অফ করে রাখবেন। ভুলেও মোবাইল অন করবেন না। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত। রফিক সাহেব অত কিছু না ভেবে মোবাইল বন্ধ করে দিলেন। কি দরকার অন রেখে বিপদে পড়ার। ওই দিকে তার ওয়াইফের কাছে ফোন দিল কেউ, বলল রফিক সাহেব এক্সিডেন্ট করেছে। তিনি ইমার্জেন্সিতে আছেন, জরুরি কিছু ওষুধ, ইঞ্জেকশন এবং অক্সিজেনের জন্য টাকা লাগবে। ৩০ মিনিটের মধ্যেই কিছু টাকা বিকাশে দিতে হবে, তা না হলে সাহায্য কারী কিছু করতে পারবেন না তিনি স্টুডেন্ট, হাতে টাকা নেই। ভদ্র মহিলা দিশেহারা হয়ে তার মেয়েকে বললেন রফিক সাহেবের মোবাইলে কল দিতে, মোবাইল বন্ধ। তারা বিশ্বাস করলেন যে রফিক সাহেব আসলেই এক্সিডেন্ট করেছেন যেহেতু উত্তরা থেকে মতিঝিল আসতেই অনেক সময় লেগে যাবে তাই বাসায় যা ছিল বিকাশ করে দিলেন এবং মা মেয়ে আত্মীয় স্বজন কে জানিয়ে সিএনজিতে মতিঝিলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলেন। টাকা পাঠানোর পর কথা হলেও সিএনজি থেকে কল দিয়ে আর ওই লোকের ফোন অন পাওয়া যায়নি। মতিঝিল যে ঠিকানা দিয়েছিল সেখানেও কোনো হাসপাতাল নেই। অনেক পরে রফিক সাহেবের ফোন অন পাওয়া গেল এবং বুঝতে পারলেন যে তারা প্রতারিত। রফিক সাহেব সুস্থ আছেন।

ঘটনা-৯

স্যামসাং এস ৪ কিনতে বসুন্ধরা সিটিতে গিয়েছিল নিলয়। অনেক দোকান ঘুরেও যখন দাম কমাতে পারছিল না তখন একটা ছেলে বলল একটা টানা সেট আছে লাগবে কিনা? মাত্র ১৫ হাজার টাকা দিলেই হবে। নিলয় চিন্তা করল কম দামে যখন পাওয়া যাচ্ছে খারাপ কি। দরদাম করে ১০ হাজার টাকাতে ঠিক করে ফেলল। যে বসুন্ধরা সিটির পেছন থেকে সেটটা হাতে নেবে এমন সময় দেখল আরও কয়েকজন বখাটে মতন ছেলে ওই দিকে আসছে। ভয় পেয়ে গেল নিলয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পেটে ছুড়ি ধরে টাকা, মোবাইল, এটিএম কার্ডসহ যা পেল নিয়ে গেল। নিলয় কিছুই করতে পারল না! এরা একটি সংঘবদ্ধ গ্যাং।

ঘটনা- ১০

ফেসবুকে রাইমার পরিচয় আরিয়ানের সঙ্গে। দেখতে অনেক স্মার্ট, বড়লোকের ছেলে। ঈদের শপিং এবং আরিয়ানের সঙ্গে দেখা ২টাই হবে ভেবে আরিয়ানকে বসুন্ধরা সিটিতে আসতে বলল। যদিও আরিয়ান বলেছিল যমুনা ফিউচার পার্কে দেখা করতে। বসুন্ধরা সিটিতে দেখা হলো দুজনের।দেখতে বেশ স্মার্ট। আরিয়ান জানাল সে মোবাইল ফোন কিনবে। রাইমা যেটা চয়েস করবে সেটাই কিনবে। খুশিতে বাকবাকুম হয়ে রাইমা আরিয়ানের সঙ্গে মোবাইল দেখতে গেল, কয়েকটা দোকান ঘুরে রাইমার পছন্দ হলো স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ২০। আরিয়ানও বলল এটা নিয়ে নেবে। দাম দর হয়ে গেল। মোবাইলে সিম লাগিয়ে আরিয়ান বলল তুমি একটু বস আমি সামনেই আছি, এখানে নেটওয়ার্কে সমস্যা। কল করে চেক করে আসি। দোকানের সামনে থেকে কখন যে আরিয়ান হারিয়ে গেল রাইমা টেরও পেল না। আরিয়ানের নম্বরও বন্ধ। ফেসবুক আইডিও ডিএকটিভ। কোন ছবিও সেভ করে রাখিনি সে। দোকানদার কিছুক্ষণ পরপর জিজ্ঞেস করছে যে সঙ্গের লোক কই? এখন রাইমা কীভাবে বলবে সে আরিয়ানের প্রতারণার শিকার। ওর শপিং-এর টাকা এবং জমানো টাকা থেকে মোবাইলের দাম দিতে হলো।

এসব নিত্য নতুন প্রতারনার কৌশল থেকে মুক্তি পেতে লোভ সংবরণ করুন, সতর্ক হোন, নিজের উপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োগ করুন। নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সতর্ক করুন। এমন প্রতারণা কিংবা সাইবার অপরাধের শিকার হলে অবশ্যই বাংলাদেশ পুলিশের সহায়তা নিবেন। বাংলাদেশ পুলিশ সর্বদা আপনার পাশে আছে। সাইবার অপরাধ নিয়ে কাজ করে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), সিটিটিসি এবং র‌্যাব।

১।           সি আই ডি সাইবার পুলিশ সেন্টার

                ফোন- ০১৩২০০১০১৪৮

        মেইল- cyber@police.gov.bd

২।          সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন, সিটিটিসি, ডিএমপি

        মেইল- cyberhelp@dmp.gov.bd

৩।          সাইবার এন্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ, ডিবি, ডিএমপি

        মেইল- cyber.db@dmp.gov.bd

বাংলাদেশ পুলিশের এসব ইউনিটের যেকোনো একটিতে ফোন করে, কিংবা ফেসবুকের মাধ্যমে এসএমএস করে কিংবা হেল্পলাইনে ফোন করে ভুক্তভুগীরা অভিযোগ জানাতে পারেন দিন-রাত যে কোনো সময়য়। সাইবার হয়রানিসহ নানা অভিযোগ পেলে সাধারণত দুই উপায়ে সমাধান করা হয়ে থাকে। প্রথমত, থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা মামলা করে পুলিশের তদন্ত কাজে সহায়তা করা হয়। দ্বিতীয়ত, যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন হেল্পলাইন থেকে নিজেরাই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হলে ভুক্তভোগীকে দিয়ে থানায় মামলা করায় হেল্পলাইন। পরে পুলিশের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং আলামত আইনের আওতায় আনা হয়।

লেখক: উপ-পুলিশ পরিদর্শক, ঢাকা রেঞ্জ অফিস

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *