ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

ডিটেকটিভ ডেস্ক

পাকা চুল কালো করার ঘরোয়া উপায়

অনেকের অল্প বয়সে মাথার চুল সাদা হয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে হয়তো মন খারাপ হয় আপনার। তবে চিন্তার কিছু নেই। এটা খুবই স্বাভাবিক। চুলের অকালপক্বতার মূল কারণ জিনগত।

এছাড়া অধুনিক জীবনযাত্রায় অতিরিক্ত স্ট্রেস, পরিবেশ দূষণ, ডায়েটে অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড-সহ নানা কারণে অল্প বয়সেই চুল পেকে যায়।

তবে আপনি চাইলে ঘরোয়া কিছু উপাদান ব্যবহার করে সাদা হয়ে যাওয়া চুল কালো করতে পারেন।

৫ উপায়ে পাকা চুল কালো করা যায়

১.            কারিপাতা চুলের জন্য খুবই উপকারী। ‘ভিটামিন এ’, ‘ভিটামিন ই’, ক্যালসিয়াম, কপার, তামায় সমৃদ্ধ কারিপাতা অকালপক্বতা রোধ করে।

ব্যবহার

নারকেল তেলে কারিপাতা মিশিয়ে ফোটান। এবার ওই মিশ্রণ ঠা-া করে ভাল করে চুলের আগাগোড়া লাগিয়ে নিন। এরপর হাল্কা শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’ থেকে তিনদিন এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন।

২. কালো কফি গরম পানিতে দিয়ে মেশান। মিশ্রণ ঠা-া হলে চুলে ভাল করে মাখিয়ে নিন। ২০ মিনিট রেখে ঠা-া পানি দিয়ে চুল ধুয়ে শ্যাম্পু করুন।

৩. আমলকি চুলের খুবই উপকারি।

ব্যবহার

নারকেল তেলের সঙ্গে আমলাগুঁড়ো মিশিয়ে গরম করতে হবে। তারপর সেটা ছেঁকে চুলের গোড়া থেকে ডগা অবধি লাগিয়ে নিন। রাতভর মাথায় রাখুন। তারপর সকালে ঈষদুষ্ণ পানিতে চুল ধুয়ে নিন।

৪. অকালে চুল পাকা রোধে পেঁয়াজও খুব উপকারি।

ব্যবহার

পেঁয়াজের রস চুলের গোড়ায় লাগিয়ে অপেক্ষা করুন আধঘণ্টা। তারপর ঈষদুষ্ণ পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলমি শাক

কলমি শাক এশিয়ার প্রায় সব দেশেই জনপ্রিয়। সবুজ এ শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ পাওয়া যায়।

নিয়মিত খাদ্য তালিকায় এ শাকটি রাখলে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। যেমন-

১. কলমি শাকে খুব সামান্য পরিমাণে ক্যালরি থাকে। এটি ফাইবারের দারুণ উৎস। নিয়মিত এ শাক খেলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানো যায়।

২. কলমি শাক উপস্থিত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে দারুণ কার্যকরী। এটি হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত এ শাক খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।

৩.           নিয়মিত কলমি শাক খেলে হৃদরোগজনিত জটিলতা ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। এতে থাকা ফাইবার অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কমায়।

৪.           শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে কলমি শাক। এতে থাকা আয়রন থাইরয়েডের কার্যকারিতা ঠিক রাখে। এছাড়া বিপাকক্রিয়া বাড়ানো, তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখা এবং লোহিত রক্তকণিকা উৎপন্ন করতেও কলমি শাকের জুড়ি নেই।

৫.           কলমি শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। নিয়মিত এ শাক খেলে দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয়।

একঘেয়েমি কাটাতে পাল্টে ফেলুন নিজের বাড়ির সাজসজ্জা

দীর্ঘদিন বাড়িতে থাকতে থাকতে আর চার দেওয়ালের মধ্যে বন্দি থেকে সকলেই ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। তাই একঘেঁয়েমি কাটাতে বদলে ফেলুন নিজের ছোট্ট বাসাকেই। গাছ রাখুন, কুশন কভার বদলে ফেলুন তাতেই কিন্তু মন ভালো হয়ে যাবে একঘেয়েমি কেউই পছন্দ করে না। থাকতে থাকতে এক সময় মনে হয় আমাদের বাড়িটি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলেছে। এই চিন্তাধারা নতুন করে বাড়ি সাজানোর জন্য অনুপ্রাণিত করে। কিন্তু ভাবার মতো এই কাজটি করা তত সহজ নয়। কারণ বাড়ি রেনোভেশন ব্যয়বহুল। তাই খুব বড়সড় কোনও পরিবর্তন করে ওঠা যায় না। তবে এমন কিছু আইডিয়া রয়েছে, যার সাহায্যে খুব সহজে এবং সস্তায় নিজের ঘরকে নতুন রূপে সাজিয়ে তুলতে পারবেন। পকেটের ওপর খুব বেশি চাপ না-দিয়ে কী ভাবে ঘর সাজাবেন জেনে নিনÑ

দেওয়াল নতুন করে সাজান

‘দেওয়ালেরও কান আছে’, এ কথা আমরা সকলেই শুনে ও বলে থাকি। কিন্তু দেওয়ালের মুখও আছে তা কী জানেন? এই দেওয়ালই নানান কাহিনি বর্ণনা করে থাকে। তাই বাড়িকে নতুন করে সাজাতে গেলে সবার আগে দেওয়ালে হাত লাগান। বৈঠক খানার দেওয়াল এমন হওয়া উচিত, যা পরিবার ও সদস্যদের সম্পর্কে নানান কাহিনি শোনাবে। এর জন্য জীবনের সুন্দর মুহূর্তকে দেওয়ালে স্থান দিন। পরিবারের সদস্যদের বিশেষ মুহূর্তের ছবি দিয়ে সাজিয়ে তুলুন দেওয়াল।

আবার রান্নাঘরে নানান মেটাল আর্টিফ্যাক্ট রাখতে পারেন। এটি আপনার হেঁশেলকে নতুন রূপ তো দেবেই, প্রয়োজনে সেগুলি ব্যবহারও করতে পারেবন। রান্নাঘরের দেওয়ালে ওয়াল হুক বা আর্টও টাঙিয়ে দিতে পারেন।

বৈঠকখানা ও রান্নাঘর তো হল, এবার আসা যাক নিজের স্বপ্নের জগত— বেডরুমে। শয়নকক্ষের দেওয়ালে সুন্দর স্টিকার বা ওয়াল হ্যাঙ্গিং লাগাতে পারেন। যে কোনও একটি দেওয়ালে ওয়ালপেপার লাগান। এটি শয়নকক্ষের সৌন্দর্যকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। খোলা আকাশের নীচে ঘুমাতে যাঁদের ভালো লাগে, তাঁরা বদ্ধ শয়নকক্ষে নিজের প্রিয় তারাদের মিস করতে পারেন। তাই বেডরুমেই তৈরি করতে পারেন নিজের একমুঠো আকাশ। ছোট ছোট রাইস লাইট ব্যবহার করে চার দেওয়ালের মধ্যেই তারার জগমগ আলোয় রাত কাটাতে পারেন। বাচ্চাদের ঘর সাজানোর জন্য নিজের সন্তানের পছন্দকে গুরুত্ব দিন।

সুগন্ধে ঘর হয়ে উঠুন তরতাজা

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির সুগন্ধ উবে যেতে পারে। তাই কিছু তাজা সুগন্ধে নিজের ঘর ভরে তুলুন। এর জন্য ব্যয় করতে হবে খুব কম। বাড়ির নানান কোণে ফুলদানি রাখুন। তাতে অর্কিড, পলিয়েন্থিস, মেরিগোল্ড, সূর্যমুখী, ল্যাভেন্ডার, গোলাপ ফুল রাখতে পারেন।

আবার কয়েকদিন অন্তর অন্তর ফুল পাল্টানো ব্যয় সাপেক্ষ হতে পারে। তাই সুগন্ধী মোমবাতি রাখা যায়। এই মোমবাতিগুলি আপনার বাড়িকে নতুন রূপ দেবে, পাশাপাশি এর সুগন্ধে সকলের মন ভরে উঠবে।

নতুন কুশানে সাজিয়ে বসার স্থানকে করে তুলুন আরামদায়ক

সাধারণ বৈঠকখানা বোরিং লাগতে পারে। তাই এই স্থানটিকে নানান আকার ও রঙের কুশান দিয়ে সাজাতে পারেন। দেওয়ালের রঙের সঙ্গে মানানসই ভাবে কুশান ব্যবহার করুন। লক্ষ্য রাখবেন এই বস্তুগুলি যাতে একে অপরকে প্রশংসা জানায়। শুধু বৈঠকখানাই নয়, বেডরুমেও কুশান রেখে নিজের সুখনিদ্রাকে আরও আরামদায়ক করে তুলতে পারেন। এখন বাজারে নানান, রঙ, আকার ও মেটেরিয়ালের কুশান পাওয়া যায়। আবার কাস্টমাইজ কুশানও বানাতে পারেন। এ ক্ষেত্রে নিজের পছন্দের কোনও কিছু প্রিন্ট করিয়ে, সেই কুশান দিয়ে ঘর সাজান।

নির্মল বাতাসের জন্য সবুজের সমাহার

আজকাল বাড়িগুলিতে গার্ডেনিং বা গাছ লাগানোর জন্য জায়গা থাকে। এর ফলে ঘর সতেজ হবেই, পাশাপাশি অক্সিজেনের সরবরাহও বাড়বে। আবার দেওয়ালে গাছপালা টাঙিয়ে রাখার জন্য হ্যাঙ্গিং টবও পাওয়া যায়। এ ছাড়াও অব্যবহৃত বোতল, ডিমের ক্রেটে গাছ লাগিয়ে ঝুলিয়ে দিতে পারেন। আবার পুরনো কলসি, পাত্র ইত্যাদিতেও গাছ লাগানো যায়।

এর মধ্যে কোনওটি পছন্দ না-হলে ওয়াল মাউন্টেডে শেল্ভে নিজের পছন্দের ফুল গাছ রেখে সাজিয়ে তুলতে পারেন। আবার বাড়ির নানান কোণায় কিছু ইন্ডোর প্লান্টও রাখা যায়।

টেবিল সাজান সুন্দর করে

এটি বাড়ির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসবাব। তবে অধিকাংশ সময় একাধিক জিনিস বোঝাই করা থাকে এতে। এই টেবিলই গৃহসজ্জার কাজে ব্যবহার করে ঘর করে তুলতে পারেন নতুন। টেবিলের ওপর কোনও শো পিস দিয়ে সাজাতে পারেন। এ ছাড়া সুগন্ধী মোমবাতি, ওয়্যাক্স জার বা টি লাইট হোল্ডার দিয়ে টেবিলের সজ্জা পূর্ণ করা যায়।

জানালার জন্য বেছে আনুন সুন্দর পর্দা

বাড়িকে আরও সতেজ ও তরতাজা করে তোলার অন্যতম পন্থা হল সুন্দর সুন্দর পর্দা দিয়ে জানালা সাজানো। এমন মেটেরিয়াল ও রঙের পর্দা লাগান, যা বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাকৃতিক আলোও বাড়িতে আনতে পারে। যাতে সূর্যের আলোর সঙ্গে পর্দার রঙের মেলবন্ধন ঘটে বাড়ি নানান রঙে রঙিন হয়ে যেতে পারে।

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *