ই-পেপার

SITE UNDER CONSTRUCTION
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপত্র
অব্যাহত প্রকাশনার ৬৩ বছর

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার ভূমিকা অপরিসীম। জাতীয় উন্নয়ন-অগ্রগতির অন্যতম সোপান আধুনিক-কার্যকর যোগযোগ ব্যবস্থা। বাংলাদেশের যোগযোগ ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ মহাসড়ক। কারণ দেশের প্রায় ৭৩ ভাগ যাত্রী ও ৮৩ ভাগ পণ্য সড়ক-মহাসড়কের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। শিল্পের বিকাশ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা, মাথাপিছু আয় ও রপ্তানি বৃদ্ধির ফলে দেশে মহাসড়কের গুরুত্ব এখন অনেক বেশি। ফলে দেশের আঞ্চলিক ও জাতীয় মহাসড়কে সার্বিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাসহ জনগণের কাঙ্খিত সেবা দেওয়াই হাইওয়ে পুলিশের প্রধান লক্ষ্য। সড়ক-মহাসড়কে শতভাগ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নে হাইওয়ে পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

হাইওয়ে পুলিশ পরিচিতি

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে মহাসড়কের সংখ্যা ও দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে বেড়ে চলছে মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের সংখ্যা। মহাসড়কভিত্তিক কর্মকান্ডে গতিশীলতা ও শৃঙ্খলা আনতে অনেক দিন ধরেই একটি বিশেষায়িত পুলিশ বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৫ সালে ‘হাইওয়ে পুলিশ’ নামের বাংলাদেশ পুলিশের একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিটের যাত্রা শুরু হয়। ২০০৯ সালে হাইওয়ে পুলিশ বিধিমালা প্রণীত হওয়ার মাধ্যমে তা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। বাংলাদেশে বর্তমানে জাতীয়-আঞ্চলিক মিলিয়ে প্রায় ৮ হাজার ৫৮ কি.মি. সড়ক পথ রয়েছে। যা হাইওয়ে পুলিশের অধিক্ষেত্র হিসেবে পরিগণিত। নিজ অধিক্ষেত্রে হাইওয়ে পুলিশ নিরাপত্তা বিধান, যানজট নিরসন, দুর্ঘটনা হ্রাস, অবৈধ যানবাহন, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে কাজ করে। এভাবে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে।

হাইওয়ে পুলিশের কাজ

হাইওয়ে পুলিশ বিধিমালা ২০০৯-এর বিধি ৯ অনুযায়ী হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্ব নি¤œরূপ:

–           হাইওয়ে এলাকায় পেট্রোল ডিউটি

–           ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ ট্রাফিক আইন কার্যকর

–           টার্মিনাল, পেট্রোল পাম্প, টোল প্লাজা, যাত্রীবিরতি স্থান, পার্কিং লটের শৃঙ্খলা রক্ষা

–           যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ

–           প্রচলিত আইন-বিধি অনুযায়ী সড়ক ব্যবহারকারীদের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ

–           ট্রাফিক দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ

–           হাইওয়ে এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ

–           অপরাধ প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ

–           অতি গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি চলাচলকালে সুষ্ঠু যাতায়াত-ট্রাফিকব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ

–           সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের চলাচল সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের অবহিতকরণ

–           স্বাভাকিভাবে মৃত্যুবরণকারীদের মরদেহ উদ্ধারপূর্বক সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ

–           হাইওয়ে এলাকায় চলাচলকারী সব প্রকার যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং হাইওয়ে সংশ্লিষ্ট সেতু ও ফেরীতে অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ

–           চোরাচালান প্রতিরোধসহ চোরাইমাল ও মাদকদ্রব্য পরিবহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ

–           সাধারণ যানবাহনে যেকোনো ছোঁয়াচে রোগীর চলাচল নিয়ন্ত্রণ

–           হাইওয়ে এলাকায় সংঘটিত অন্যান্য সব অপরাধ ও আইনশৃংখলার অবনতি সংক্রান্ত বিষয়ে জেলা পুলিশ কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমে সহায়তা

–           হাইওয়ে এলাকা যে কর্তৃপক্ষের আওতাধীন, সে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত পারস্পারিক যোগাযোগ রক্ষা ও সহযোগীতা প্রদান

–           হাইওয়ে এলাকায় নির্মাণ, মেরামত, ট্রাফিক সাইন, সড়ক নিরাপত্তাসংক্রান্ত কোনো সমস্যা পরিলক্ষিত হলে দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা

–   Highways Act, 1925 (Act No. III of 1925)-এর কোনো বিধান লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাসময়ে অবহিতকরণ

–   Motor Vehicles Ordinance, 1983 (Ordinance No. LV of 1983)-এর বিধান অনুযায়ী হাইওয়ে এলাকায় সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গঠন ও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলসহ অন্যান্য যেসব দায়িত্ব পুলিশের ওপর অর্পণ করা হয়েছে, তা সম্পাদন

–           কোনো আইন বা আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো দলিলের অধীন বা উপযুক্ত কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন।

সাংগঠনিক কাঠামো

‘হাইওয়ে পুলিশ বিধিমালা ২০০৯’ এর বিধি ৩ অনুয়ায়ী একজন ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তার অধীনে হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একটি পদ সৃজন করা হয়েছে। বর্তমানে হাইওয়ে পুলিশ ৫টি রিজিয়নে বিভক্ত। রিজিয়নগুলো একাধিক সার্কেলে বিভক্ত। সার্কেলগুলোর অধীনে রয়েছে একাধিক হাইওয়ে থানা ও ফাঁড়ি।

হাইওয়ে পুলিশের উল্লেখ্যযোগ্য কার্যক্রম

হাইওয়ে পুলিশ গঠিত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই ইউনিট মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সময়ের পরিক্রমায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা হ্রাস, মাদক উদ্ধার, যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা ব্যবস্থাপনায় হাইওয়ে পুলিশ উল্লেখ্যযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। হাইওয়ে পুলিশের অর্জনসমূহ নিম্নে তুলে ধরা হলো।

সড়ক দুর্ঘটনা ও দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হ্রাস: দুর্ঘটনা মানেই হচ্ছে ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় ক্ষতি। এই ক্ষতিরোধে হাইওয়ে পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যা টাকার অংকে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়। সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসে হাইওয়ে পুলিশ নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করে থাকে-

–           স্পিডগান ব্যবহার

–   RFID-এর ব্যবহার

–           হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল

–           অ্যালকোহল ডিটেক্টর

–           ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে উদ্বুদ্ধকরণ

–           চালক ও হেলপারদের প্রশিক্ষণ

মাদক উদ্ধার: হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে মাদক উদ্ধারেও কাজ করে যাচ্ছে। হাইওয়ে অধীক্ষেত্রে উদ্ধারকৃত মাদকের তদন্তভারও এখন হাইওয়ে পুলিশের। ২০০৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত মোট ১৩২ কোটি ৬৩ লাখ ৪১ হাজার ৯৪৮ টাকা মূল্যমানের মাদ্রক উদ্ধার করেছে হাইওয়ে পুলিশ।

চোরাচালানসামগ্রী উদ্ধার: হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। ২০০৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৩৪ কোটি ৬১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৭ টাকা মূল্যমানের চোরাচালান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার: হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারেও ভূমিকা রাখছে। মহাসড়কে ডাকাতি, দস্যুতা, ছিনতাই প্রভৃতি অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্ত হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

অবৈধ ও ফিটনেস বিহীন যান অপসারণ: মহাসড়কে থ্রি-হুইলার, ইজিবাইক, অটোরিক্সা, অটোটেম্পু ও অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। হাইওয়ে পুলিশ এসব নিষিদ্ধ যানবাহন মহাসড়ক হতে অপসারণ করে আসছে। হাইওয়ে পুলিশ ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মহাসড়ক হতে বিপুলসংখ্যক অবৈধ ও নিষিদ্ধ যানবাহন অপসারণ করেছে।

মহাসড়কের পাশে হাটবাজার অপসারণ: মহাসড়কের পাশের হাটবাজারকে কেন্দ্র করে দুর্ঘটনা ঘটে। তা ছাড়া এই হাটবাজার যানজটের অন্যতম কারণ। ২০১৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত হাজারো অবৈধ হাটবাজার উচ্ছেদ করেছে হাইওয়ে পুলিশ।

ওভার ওয়েট যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ: ওভারলোডেড যানবাহন মহাসড়ক ও সেতুর জন্য ক্ষতির বড় কারণ। হাইওয়ে পুলিশের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে মহাসড়কের সকল রুটে যানবাহনের ওভার ওয়েট নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে।

যানবাহনের ত্রুটিপূর্ণ বডি নির্মাণ বন্ধে পদক্ষেপ: সড়ক-মহাসড়ক হতে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন অপসারণে হাইওয়ে পুলিশ নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এ ছাড়া হাইওয়ে পুলিশ এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে অনিয়ম বন্ধে কার্যকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। 

রোড সাইড পার্কিং বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ: সকল রোড সাইড পার্কিং গাড়ির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিলসহ রেকারিং করছে হাইওয়ে পুলিশ। এ ছাড়া শিল্পমালিকসহ সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে উদ্যোগী করতে হাইওয়ে পুলিশের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

Black Spot চিহ্নিত ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক নির্ণয়: মহাসড়কের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে বারবার দুর্ঘটনা ঘটে। এই স্থানসমূহকে Black Spot হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ এই স্থানসমূহে দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন রকম সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করে আসছে। এ ছাড়া ৮৮৩টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক চিহ্নিত করে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে।

অন্যান্য কার্যক্রম

–           ফিটনেস ও বৈধ কাগজপত্র বিহীন যানবাহন চিহ্নিত করে প্রসিকিউশন দাখিলের মাধ্যমে জরিমানা আদায়।

–           যানবাহনের ত্রুটিযুক্ত লাইট তাৎক্ষণিক সচলকরণের ব্যবস্থা।

–           বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহন নিয়ন্ত্রণ।

–           মালবাহী ট্রাকে যাত্রী পরিবহন নিয়ন্ত্রণ।

–           অনিরাপদ বোঝাই যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা।

–           দুর্ঘটনা পরবর্তী ব্যবস্থাপনা।

–           রেকারের মাধ্যমে যানবাহন উদ্ধার।

–           মহাসড়কের ক্রটিপূর্ণ স্থান সংস্কারের ব্যবস্থা।

–           হাইড্রোলিক হর্ন অপসারণ।

–           যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ।

–           প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ।

–           সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা ও কমিউনিটি পুলিশিং।

–           স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা।

–           ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা পরিচালনা ইত্যাদি।

করোনাকালে হাইওয়ে পুলিশের ভূমিকা       

–           জরুরি পণ্য, কৃষিসামগ্রী পরিবহনে সর্বাত্মক সহযোগিতা।

–           শিল্পের কাঁচামাল ও উৎপাদিত সামগ্রী পরিবহনে সহযোগিতা।

–           যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।

–           করোনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি।

–           গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পানি ও হ্যান্ডস্যানেটাইজার প্রকল্প।

–           স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কিত লিফলেট বিতরণ।

–           যানবাহনে স্বাস্থ্যবিধি অমান্যের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে জরিমানা আদায়

–           মহাসড়কে যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে চেকপোষ্ট পরিচালনা।

–           করোনা রোগী ও সন্দেহভাজনদের ক্ষেত্রে হোম কোয়ারেন্টাইন প্রস্তুত রাখা।

দেশের অর্থনীতির গতি আরও বেগবান করতে দুর্ঘটনা ও যানজটমুক্ত সুশৃঙ্খল মহাসড়কের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হাইওয়ে পুলিশ অবিরত কাজ করে যাচ্ছে। সর্বোপরি ২০৪১ সাল নাগাদ একটি উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার সহায়ক শক্তি হিসেবে হাইওয়ে পুলিশ নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। যা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে রাখছে বড় ভূমিকা।

ডিটেকটিভ ডেস্ক

ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন :)

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published. Required fields are marked *